📌 ইতালির একটি আদালত মিশরীয় নিরাপত্তা কর্মকর্তা তিনজনকে জুলিও রেজেনির অপহরণে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে। রেজেনি ২০১৬ সালে মিশরে অদৃশ্য হয়ে যান এবং তার মৃতদেহে নির্যাতনের চিহ্ন পাওয়া যায়। মিশর সরকার এই ঘটনায় জড়িত থাকার নাকচি দিয়েছে
ইতালির একটি আদালত মিশরীয় নিরাপত্তা কর্মকর্তা তিনজনকে জুলিও রেজেনির অপহরণে ১০ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করেছে। রেজেনি, যিনি যুক্তরাজ্যের কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের পোস্টগ্রাজুয়েট শিক্ষার্থী ছিলেন, ২০১৬ সালের জানুয়ারিতে কায়রোতে অদৃশ্য হয়ে যান এবং তার মৃতদেহে নির্যাতনের চিহ্ন পাওয়া যায়। এই ঘটনায় জড়িত থাকা চারজন মিশরীয় নিরাপত্তা কর্মকর্তার মধ্যে তিনজনকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে, আর একজনকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইতালির আদালত মিশরীয় নিরাপত্তা কর্মকর্তা **মেজর মাগদি শারিফ**, **কোলনেল হিশাম হেলমি** ও **কোলনেল আথার কামাল**কে জুলিও রেজেনির অপহরণে **১০ বছরের কারাদণ্ড** দিয়েছে।
- 📌 **মেজর জেনারেল তারেক সাবির**কে দোষী সাব্যস্ত না করে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
- 📌 রেজেনির মৃতদেহে **ব্রেকড টুথ, সিগারেটের জ্বালা ও হাড় ভাঙ্গা** চিহ্ন পাওয়া যায়, যা নির্যাতনের প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত।
- 📌 ইতালীয় প্রধান অভিযোগী **রোমের ফ্রান্সেস্কো লো ভোই** বলেছেন, “মিশরীয় কর্তৃপক্ষের সহযোগিতার অভাবের কারণে এই ফলাফল অর্জন করা হয়েছে।”
- 📌 রেজেনি **কায়রোর সড়ক বিক্রেতাদের ইউনিয়ন গবেষণা** করছিলেন, যা তার অপহরণের সম্ভাব্য কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
- 📌 মিশর সরকার এই ঘটনায় জড়িত থাকার নাকচি দিয়েছে এবং দাবি করেছে, রেজেনির হত্যাকারীরা একটি অপরাধী গোষ্ঠীর সদস্য ছিলেন।
📰 বিস্তারিত
ইতালির একটি আদালত ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে মিশরীয় নিরাপত্তা কর্মকর্তা তিনজনকে জুলিও রেজেনির অপহরণে দোষী সাব্যস্ত করে ১০ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করেছে। এই ঘটনা ২০১৬ সালের জানুয়ারিতে ঘটে, যখন রেজেনি কায়রোতে গবেষণা করতে গিয়ে অদৃশ্য হয়ে যান। তার মৃতদেহ পরে সড়কের পাশে পাওয়া যায়, যেখানে তার **ব্রেকড টুথ, সিগারেটের জ্বালা ও হাড় ভাঙ্গা** চিহ্ন ছিল। পোস্ট-মর্টেম রিপোর্টে নির্যাতনের প্রমাণ পাওয়া যায়, যা মিশরীয় নিরাপত্তা সংস্থার কারাগারে নির্যাতনের ঘটনার সাথে মিলে যায়।
মিশরীয় কর্তৃপক্ষ এই ঘটনায় জড়িত থাকার নাকচি দিয়েছে এবং দাবি করেছে, রেজেনির হত্যাকারীরা একটি অপরাধী গোষ্ঠীর সদস্য ছিলেন এবং তারা একটি পুলিশ গুলিবর্ষণে নিহত হয়েছিলেন। ইতালীয় অভিযোগীরা দাবি করেছেন, মিশরীয় নিরাপত্তা কর্মকর্তারা রেজেনিকে তার **কায়রোর সড়ক বিক্রেতাদের ইউনিয়ন গবেষণা** করার জন্য অপহরণ ও নির্যাতন করেছিলেন। তারা আরও দাবি করেছেন, মিশর সরকার তাদের তদন্তকে বাধাগ্রস্ত করেছে এবং অভিযুক্তদের অবস্থান প্রকাশ করতে অস্বীকার করেছে।
ইতালীয় আইনে বিদেশে ইতালীয় নাগরিকের বিরুদ্ধে অপরাধের জন্য অভিযোগ করা যায়। তবে ২০২১ সালে এই ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে একটি আদালতবিশেষ তদন্ত স্থগিত করা হয়েছিল, কারণ অভিযুক্তরা জানতেন না যে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে। ২০২৩ সালে ইতালির সর্বোচ্চ আদালত এই তদন্ত স্থগিতের সিদ্ধান্ত বাতিল করে এবং বলেছে, মিশরীয় কর্তৃপক্ষের সহযোগিতার অভাব এই তদন্তকে বাধাগ্রস্ত করবে না।
"আমরা এই ফলাফল অর্জন করতে সক্ষম হয়েছি, যদিও মিশরীয় কর্তৃপক্ষের সহযোগিতার অভাবকে ‘অর্ধেক হৃদয়’ হিসেবে বর্ণনা করা যায়।"
রোমের প্রধান অভিযোগী **ফ্রান্সেস্কো লো ভোই** এই উক্তিটি বলেছেন। রেজেনি, যিনি যুক্তরাজ্যের কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন, তার অপহরণের ঘটনায় মিশরীয় কর্তৃপক্ষের সাথে ইতালীয় তদন্তকারীরা প্রাথমিকভাবে সহযোগিতা করেছিল। তবে পরে মিশর সরকার দাবি করে যে রেজেনির হত্যাকারীরা অপরাধী গোষ্ঠীর সদস্য ছিলেন এবং তারা পুলিশ গুলিবর্ষণে নিহত হয়েছিলেন।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইতালি (রোম), মিশর (কায়রো)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জুলিও রেজেনি, মেজর মাগদি শারিফ, কোলনেল হিশাম হেলমি, কোলনেল আথার কামাল, মেজর জেনারেল তারেক সাবির, ফ্রান্সেস্কো লো ভোই
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ বছর (কারাদণ্ড), ২০১৬ (অদৃশ্য হওয়ার বছর)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!