📌 ইস্তাম্বুলে ১৯৪২ সালের পর সর্বাধিক বন্যা বিপর্যয়ে চারজন মৃত্যুবরণ করেছে। বন্যায় প্লাবিত হয়েছে বাড়িঘর, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও সড়ক। তুরস্কের পরিবেশমন্ত্রী জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে বন্যার সংযোগ তুলে ধরেছেন
তুরস্কের বৃহত্তম শহর ইস্তাম্বুলে ১৯৪২ সালের পর সর্বাধিক বন্যা বিপর্যয়ে চারজন মৃত্যুবরণ করেছে। বন্যায় প্লাবিত হয়েছে বাড়িঘর, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, সড়ক ও পার্ক। বন্যার ক্ষয়ক্ষতির মোকাবিলায় হাজার হাজার কর্মী কাজ করছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইস্তাম্বুলে ৮০ বছরে সর্বাধিক বন্যা বিপর্যয়ে চারজন মৃত্যুবরণ করেছে, যার মধ্যে ৬৬ বছর বয়সী একজন ব্যক্তির মরদেহ শুক্রবার উদ্ধার করা হয়
- 📌 বন্যায় প্লাবিত হয়েছে বাড়িঘর, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, সড়ক ও পার্ক; স্রোতে ভেসে যাওয়া যানবাহন পাহাড়ি ঢাল বেয়ে স্তূপ হয়ে পড়েছে
- 📌 তুরস্কের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ৯ হাজার ৮৫০টি অভিযোগ পাওয়া গেছে
- 📌 পরিবেশমন্ত্রী মুরাত কুরুম বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা অত্যাবশ্যক এবং বন্যার সঙ্গে এর সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে
- 📌 কুরুম আনতালিয়া শহরে ৩১তম কপ-৩১ সম্মেলনের সভাপতিত্ব করবেন
📰 বিস্তারিত
তুরস্কের বৃহত্তম শহর ইস্তাম্বুলে বন্যায় চারজন মৃত্যুবরণ করেছে। তুরস্কের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চিফতচি জানান, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ৯ হাজার ৮৫০টি অভিযোগ পাওয়া গেছে। বন্যায় প্লাবিত হয়েছে বাড়িঘর, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, সড়ক ও পার্ক। স্রোতে ভেসে যাওয়া বহু যানবাহন পাহাড়ি ঢাল বেয়ে এক জায়গায় স্তূপ হয়ে পড়েছে।
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর একটি পরিদর্শনে গিয়ে চিফতচি বলেন, ‘আমরা আমাদের নাগরিকদের সহায়তায় সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। তবে আমরাও ১৯৪২ সালের পর সবচেয়ে বড় বন্যা বিপর্যয়ের মুখোমুখি হয়েছি।’
শুক্রবার ইস্তাম্বুলের সারিয়ার জেলায় একটি সেতুর নিচ থেকে ৬৬ বছর বয়সী একজন ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এর আগে বন্যায় আরও তিনজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়। তাদের মধ্যে ঝড়ের সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যাওয়া এক কিশোরও রয়েছে।
বন্যার পানিতে শহরের বিভিন্ন এলাকার বাড়িঘর ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান প্লাবিত হয়েছে। পরিবেশ, নগরায়ণ ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক মন্ত্রী মুরাত কুরুমও চিফতচির সঙ্গে বন্যাকবলিত এলাকাটি পরিদর্শন করেন। তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা কোনো বিকল্প নয়, বরং এটি একটি প্রয়োজনীয়তা।
"আমরা আমাদের নাগরিকদের সহায়তায় সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। তবে আমরাও ১৯৪২ সালের পর সবচেয়ে বড় বন্যা বিপর্যয়ের মুখোমুখি হয়েছি"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইস্তাম্বুল, তুরস্ক
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চিফতচি, পরিবেশমন্ত্রী মুরাত কুরুম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ জন মৃত্যু, ৯ হাজার ৮৫০টি অভিযোগ, ৪৬ হাজার কর্মী, ৮০ বছর পর সর্বাধিক বন্যা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!