📅 ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫৭ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

গাজায় ইসরায়েলি বসতি পুনঃপ্রতিষ্ঠার দাবিতে হাজারো ইহুদি সমাবেশ: 'আমি সন্তানদের নিয়ে সেখানে বাড়ি চাই'

গাজায় ইসরায়েলি বসতি পুনঃপ্রতিষ্ঠার দাবিতে হাজারো ইহুদি সমাবেশ: 'আমি সন্তানদের নিয়ে সেখানে বাড়ি চাই'

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 গাজায় ইসরায়েলি বসতি পুনঃপ্রতিষ্ঠার দাবিতে ইসরায়েলের কট্টর ডানপন্থী বসতি স্থাপনকারী গোষ্ঠী নাখালা হাজারো ইহুদিকে সমাবেশে আহ্বান জানায়। ইসরায়েলি বসতিস্থাপনকারীরা দাবি করেন, ২০০৫ সালে উচ্ছেদকৃত নিশানিত বসতিটি পুনরায় প্রতিষ্ঠিত হতে হবে। ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভির নির্বাচনের আগেই গাজায় ফিরে আসার আশা প্রকাশ করেন

গাজায় ইসরায়েলি বসতি পুনঃপ্রতিষ্ঠার দাবিতে গত রোববার ইসরায়েলের কট্টর ডানপন্থী বসতি স্থাপনকারী গোষ্ঠী নাখালা হাজারো ইহুদিকে সমাবেশে আহ্বান জানায়। এই আন্দোলনের মূল লক্ষ্য ছিল ২০০৫ সালে ইসরায়েলের গাজা প্রত্যাহারের সময় উচ্ছেদকৃত বসতি নিশানিত পুনরায় প্রতিষ্ঠা করা। লন্ডন থেকে প্রকাশিত সংবাদমাধ্যম দ্য নিউ আরবের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, সমাবেশে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ছিলেন হাইফার বাসিন্দা তামার বেন সিমন, যিনি তাঁর তিন ছোট সন্তানকে নিয়ে উপস্থিত ছিলেন। বেন সিমন গাজার ধ্বংসপ্রাপ্ত এলাকার দিকে তাকিয়ে বলেন, ‘আমি আমার সন্তানদের নিয়ে সেখানে বাড়ি চাই। সেখানে বসতি স্থাপন করলে ইসরায়েলের নিরাপত্তা রক্ষায় সহায়ক হবে’।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 গাজায় ইসরায়েলি বসতি পুনঃপ্রতিষ্ঠার দাবিতে নাখালা গোষ্ঠী গত রোববার হাজারো ইহুদিকে সমাবেশে আহ্বান জানায়
  • 📌 বেন সিমন বলেন, ‘আমি আমার সন্তানদের নিয়ে সেখানে বাড়ি চাই’ এবং দাবি করেন, ‘গাজায় আরবদের কোনো ভবিষ্যৎ নেই’
  • 📌 ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভির নির্বাচনের আগেই গাজায় ফিরে আসার আশা প্রকাশ করেন
  • 📌 বেন-গভির বলেন, ‘আমরা নিশানিতে, পুরো উত্তর সীমান্ত এলাকায় এবং পুরো গাজায় ফিরে যাব’
  • 📌 মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে বলেছিলেন, ‘আমি মনে করি না গাজায় ইসরায়েলি বসতি পুনঃপ্রতিষ্ঠা হবে’
  • 📌 ইসরায়েলি রাজনৈতিক ভাষ্যকার শায়েল বেন-এফ্রাইম বলেন, ‘এখন প্রশ্ন নেই ‘হবে কি হবে না’, বরং ‘কখন হবে’
  • 📌 মার্কিন সামরিক বাহিনী মধ্যপ্রাচ্যে তৃতীয় বিমানবাহী রণতরি স্ট্রাইক গ্রুপ পাঠাচ্ছে

📰 বিস্তারিত

গাজায় ইসরায়েলি বসতি পুনঃপ্রতিষ্ঠার দাবিতে নাখালা গোষ্ঠী গত রোববার হাজারো ইহুদিকে সমাবেশে আহ্বান জানায়। এই গোষ্ঠীটি ২০০৫ সালে ইসরায়েলের গাজা প্রত্যাহারের সময় উচ্ছেদকৃত বসতি নিশানিত পুনরায় প্রতিষ্ঠার দাবি জানায়। সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন হাইফার বাসিন্দা তামার বেন সিমন, যিনি তাঁর তিন ছোট সন্তানকে নিয়ে সমাবেশে অংশ নেন। বেন সিমন গাজার ধ্বংসপ্রাপ্ত এলাকার দিকে তাকিয়ে বলেন, ‘আমি আমার সন্তানদের নিয়ে সেখানে থাকতে চাই। সেখানে বসতি স্থাপন করলে ইসরায়েলের নিরাপত্তা রক্ষায় সহায়ক হবে’।

বেন সিমন ইসরায়েলের ভেতরে বসবাসকারী ফিলিস্তিনি নাগরিকদের সঙ্গে সহাবস্থানে আপত্তি করেননি। তিনি বলেন, ‘আমি আরবদের সঙ্গে থাকি। আমি হাইফায় থাকি’। তবে গাজায় বসবাসকারী ফিলিস্তিনিদের বিষয়ে তাঁর অবস্থান ভিন্ন। তিনি বলেন, ‘প্রথমত, গাজায় আরবদের কোনো ভবিষ্যৎ নেই। এটা দুঃখজনক, কিন্তু তারা নিজেরাই নিজেদের সঙ্গে এটা করেছে’।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরায়েলি বসতি পুনঃপ্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টার সামনের সারিতে রয়েছে নাখালা। এই আন্দোলনটির সঙ্গে ইসরায়েলের কট্টর ডানপন্থী রাজনীতির ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। ইসরায়েলের মন্ত্রী ও ক্ষমতাসীন জোটের আইনপ্রণেতারা নিয়মিতভাবে নাখালার বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেন এবং সমর্থন জানান। সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভির। তিনি বলেন, ‘আমি আশা করি, নির্বাচনের আগেই আমরা নিশানিতে পৌঁছে যাব’। বেন-গভির তাঁর নেতৃত্বাধীন জিউইশ পাওয়ার দলের অবস্থান তুলে ধরে বলেন, ‘যদি নির্বাচনের আগে তা সম্ভব না হয়, তাহলে তিনি পরবর্তী সরকারে প্রতিরক্ষামন্ত্রী হতে চান’।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০২৫ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠকে গাজায় ইসরায়েলি বসতি পুনঃপ্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা সম্পর্কে প্রশ্ন করা হয়েছিল। তিনি তখন বলেছিলেন, ‘আমি মনে করি না এটা ঘটবে’। তবে রাজনৈতিক ভাষ্যকার ও সাবেক ইসরায়েলি কূটনীতিক শায়েল বেন-এফ্রাইম বলেন, গাজায় বসতি পুনঃস্থাপনের বিষয়টি এখন ‘হবে কি হবে না’ এমন প্রশ্ন নয়, বরং ‘কখন হবে’ সেই প্রশ্ন। তাঁর মতে, বসতি স্থাপনকারী আন্দোলনের এই আকাঙ্ক্ষার পথে বাধা সৃষ্টি করা রাজনৈতিকভাবে ব্যয়বহুল হতে পারে।

এই সময় মার্কিন সামরিক বাহিনী মধ্যপ্রাচ্যে তৃতীয় একটি বিমানবাহী রণতরি স্ট্রাইক গ্রুপ পাঠাচ্ছে। এর মধ্যে বিশেষ ধরনের উভচর হামলা বা অ্যাম্ফিবিয়াস অ্যাসল্ট ইউনিটও রয়েছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সতর্ক করে বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে হামলা চালানোর সম্ভাবনা সামনে রয়েছে।

"আমি আমার সন্তানদের নিয়ে সেখানে থাকতে চাই। সেখানে বসতি স্থাপন করলে ইসরায়েলের নিরাপত্তা রক্ষায় সহায়ক হবে"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: গাজা, ইসরায়েল, হাইফা, লন্ডন
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: তামার বেন সিমন, ইতামার বেন-গভির, শায়েল বেন-এফ্রাইম, ডোনাল্ড ট্রাম্প, বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ অক্টোবর ২০২৩, ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖