📅 ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:০৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ফার-রাইট মন্ত্রী নেতৃত্বে হাজার হাজার ইসরায়েলি আক্রমণে আল-আকসা মসজিদে ঢুকে পড়েন, মুসলমানদের বাণিজ্যিক স্থাপনা বন্ধ করে দেন ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ

ফার-রাইট মন্ত্রী নেতৃত্বে হাজার হাজার ইসরায়েলি আক্রমণে আল-আকসা মসজিদে ঢুকে পড়েন, মুসলমানদের বাণিজ্যিক স্থাপনা বন্ধ করে দেন ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ

📷 ছবি: আল জাজিরা

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Al Jazeera ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ইসরায়েলের ফার-রাইট ন্যাশনাল সিকিউরিটি মন্ত্রী ইতামার বেন-গভিরের নেতৃত্বে হাজার হাজার ইসরায়েলি আল-আকসা মসজিদে আক্রমণ করে। ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ প্যালেস্টাইনিদের বাণিজ্যিক স্থাপনাগুলো বন্ধ করে দিয়েছে এবং মুসলমানদের বাসস্থান থেকে বের হতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। প্যালেস্টাইনীয় নেতারা এই ঘটনাকে ‘ধর্মযুদ্ধের আগুন জ্বালানোর’ চেষ্টা হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

ইসরায়েলের ফার-রাইট ন্যাশনাল সিকিউরিটি মন্ত্রী ইতামার বেন-গভিরের নেতৃত্বে হাজার হাজার ইসরায়েলি আক্রমণ করে আল-আকসা মসজিদে (যাকে ইসরায়েলিরা টেম্পল মাউন্ট বলে) ঢুকে পড়েছেন। ইসরায়েলি বাহিনী জেরুজালেমের পুরাতন শহরের চারপাশের সড়ক ও চौरাস্তা বন্ধ করে দিয়েছে। এই ঘটনা ঘটেছে ইহুদি ধর্মীয় উৎসব সুক্কোতের তৃতীয় দিনে। বেন-গভিরের নেতৃত্বে ৯০০ জন ইসরায়েলি মসজিদের ভিতরে প্রবেশ করে এবং মসজিদের আঙ্গিনায় নৃত্য ও গান গেয়েছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ইসরায়েলের ফার-রাইট ন্যাশনাল সিকিউরিটি মন্ত্রী **ইতামার বেন-গভির** নেতৃত্বে **৯০০ জনেরও বেশি ইসরায়েলি** আল-আকসা মসজিদে আক্রমণ করে।
  • 📌 ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ **জেরুজালেমের পুরাতন শহরের কটন মার্চেন্টস মার্কেটে** অবস্থিত **প্যালেস্টাইনিদের দোকান, কফি শপ ও রেস্তোরাঁ** বন্ধ করে দিয়েছে সুক্কোত উৎসবের সময় ইহুদি প্রার্থনার জন্য স্থান তৈরি করতে।
  • 📌 বেন-গভির বলেছেন, *“আমরা আল-আকসা এবং কারাগারগুলোর মালিক। আমরা আতঙ্কবাদী কারাগারবাসীদের জীবনকে নরকে পরিণত করেছি। ইসরায়েলের লোকেরা বিজয়ের পথে অগ্রসর এবং আজ আমরা আল-আকসা-তে প্রার্থনা করছি, যা ইহুদি জনগণের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্থান।”*
  • 📌 প্যালেস্টাইনীয় রাষ্ট্রপতির মুখপাত্র **নাবিল আবু রুদিনেহ** এই আক্রমণকে *“ধর্মযুদ্ধের আগুন জ্বালানোর এবং মুসলমানদের বিশ্বব্যাপী অনুভূতিকে আঘাত করার”* হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
  • 📌 ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ **২০০৩ সাল থেকে** প্রতিদিন ইসরায়েলিদের আল-আকসা মসজিদে প্রবেশের অনুমতি দিচ্ছে, তবে শুক্রবার ও শনিবার ব্যতীত।

📰 বিস্তারিত

জেরুজালেমের পুরাতন শহর এলাকায় অবস্থিত আল-আকসা মসজিদে আক্রমণ ঘটেছে ইহুদি ধর্মীয় উৎসব সুক্কোতের তৃতীয় দিনে। ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ এই সময়ে প্যালেস্টাইনিদের বাণিজ্যিক স্থাপনাগুলো বন্ধ করে দিয়েছে এবং এলাকার বাসিন্দাদের বাড়িতে থাকার নির্দেশ দিয়েছে। ইসরায়েলি বাহিনী মসজিদের চারপাশের সড়ক ও চৌরাস্তাগুলো বন্ধ করে দিয়েছে, যাতে ইহুদি প্রার্থকদের মসজিদে প্রবেশ করা সহজ হয়।

বেন-গভিরের নেতৃত্বে ৯০০ জনেরও বেশি ইসরায়েলি মসজিদে প্রবেশ করে এবং মসজিদের আঙ্গিনায় নৃত্য ও গান গেয়েছেন। তিনি বলেছেন, *“আমরা আল-আকসা এবং কারাগারগুলোর মালিক। আমরা আতঙ্কবাদী কারাগারবাসীদের জীবনকে নরকে পরিণত করেছি। ইসরায়েলের লোকেরা বিজয়ের পথে অগ্রসর এবং আজ আমরা আল-আকসা-তে প্রার্থনা করছি, যা ইহুদি জনগণের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্থান।”*

প্যালেস্টাইনীয় রাষ্ট্রপতির মুখপাত্র নাবিল আবু রুদিনেহ এই ঘটনাকে *“ধর্মযুদ্ধের আগুন জ্বালানোর এবং মুসলমানদের বিশ্বব্যাপী অনুভূতিকে আঘাত করার”* হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি আরও বলেছেন যে, *“ইসরায়েল ধর্মযুদ্ধ শুরু করার চেষ্টা করছে।”*

২০০৩ সাল থেকে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ প্রতিদিন ইসরায়েলিদের আল-আকসা মসজিদে প্রবেশের অনুমতি দিচ্ছে, তবে শুক্রবার ও শনিবার ব্যতীত। তবে এই সময়ে প্যালেস্টাইনিদের উপর বিভিন্ন ধরনের প্রতিবন্ধকতা আরোপ করা হয়। উদাহরণস্বরূপ, এই বছর রমজান মাসের প্রথম শুক্রবার ইদুল ফিতরের প্রার্থনা অনুষ্ঠানে মসজিদে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল মাত্র **১০,০০০ জন প্যালেস্টাইনিদের**। এই সংখ্যা ছিল **পশ্চিম তীরের ৩.৩ মিলিয়ন প্যালেস্টাইনিদের** তুলনায় খুবই কম।

"আমরা আল-আকসা এবং কারাগারগুলোর মালিক। আমরা আতঙ্কবাদী কারাগারবাসীদের জীবনকে নরকে পরিণত করেছি। ইসরায়েলের লোকেরা বিজয়ের পথে অগ্রসর এবং আজ আমরা আল-আকসা-তে প্রার্থনা করছি, যা ইহুদি জনগণের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্থান।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: জেরুজালেমের পুরাতন শহর, আল-আকসা মসজিদ (টেম্পল মাউন্ট), কটন মার্চেন্টস মার্কেট
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইতামার বেন-গভির (ইসরায়েলের ন্যাশনাল সিকিউরিটি মন্ত্রী), নাবিল আবু রুদিনেহ (প্যালেস্টাইনীয় রাষ্ট্রপতির মুখপাত্র)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯০০ জন (আক্রমণকারী ইসরায়েলি), ১০,০০০ জন (মসজিদে প্রবেশের অনুমতি পেয়েছেন প্যালেস্টাইনি)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖