📅 ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬:১৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ইসরায়েলের ফার-রাইট মন্ত্রী: পশ্চিম তীরে গাজার মতো যুদ্ধের ডাক, প্যালেস্টাইন কর্তৃপক্ষকে ধ্বংস করার আহ্বান

ইসরায়েলের ফার-রাইট মন্ত্রী: পশ্চিম তীরে গাজার মতো যুদ্ধের ডাক, প্যালেস্টাইন কর্তৃপক্ষকে ধ্বংস করার আহ্বান

📷 ছবি: আল জাজিরা

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Al Jazeera ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ইসরায়েলের ফার-রাইট ফাইন্যান্স মন্ত্রী বেজালেল স্মট্রিচ পশ্চিম তীরে গাজার মতো যুদ্ধের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি প্যালেস্টাইন কর্তৃপক্ষকে 'তerror authority' বলে অভিহিত করে এর ধ্বংসের ডাক দিয়েছেন। একইসাথে, ইসরায়েলি সেনাবাহিনীকে পশ্চিম তীরে 'হামাসের মতো' গেরিলা অবকাঠামো ধ্বংস করার নির্দেশ দিয়েছেন

ইসরায়েলের ফার-রাইট ফাইন্যান্স মন্ত্রী বেজালেল স্মট্রিচ পশ্চিম তীরে গাজার মতো যুদ্ধের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি ইসরায়েলি সেনাবাহিনীকে পশ্চিম তীরে (যাকে তিনি 'জুদিয়া ও সামারিয়া' বলে উল্লেখ করেছেন) গাজায় করা মতো অপারেশন চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন। স্মট্রিচের মতে, প্যালেস্টাইন কর্তৃপক্ষকে 'তerror authority' বলে অভিহিত করে এর ধ্বংসের ডাক দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, 'পশ্চিম তীরে হামাসের মতো কোনো terror infrastructure থাকবে না'।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ইসরায়েলের ফার-রাইট ফাইন্যান্স মন্ত্রী বেজালেল স্মট্রিচ পশ্চিম তীরে গাজার মতো যুদ্ধের আহ্বান জানিয়েছেন, যেখানে তিনি 'জুদিয়া ও সামারিয়া' নামে পরিচিত অঞ্চলে 'হামাসের মতো' গেরিলা অবকাঠামো ধ্বংস করার নির্দেশ দিয়েছেন।
  • 📌 স্মট্রিচ বলেছেন, 'পশ্চিম তীরে কোনো terror infrastructure থাকবে না, কোনো টেররিস্ট থাকবে না, কোনো অস্ত্র থাকবে না, কোনো টানেল থাকবে না'।
  • 📌 ইউনাইটেড নেশনসের তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত পশ্চিম তীরে ১,৩৩০টি সেটলার হামলা হয়েছে, যা প্রায় ২০ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ।
  • 📌 ইসরায়েলি সেটলাররা প্রায়শই ইসরায়েলি সেনাদের সমর্থন বা রক্ষায় পাল্টা হামলা চালায়, যার মধ্যে গুলি, বাড়ি ঘেরাও এবং সম্প্রদায়ভিত্তিক সহিংসতা অন্তর্ভুক্ত।
  • 📌 ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ পশ্চিম তীরে সম্পূর্ণ সামরিক বন্ধন ঘোষণা করেছে, যা সুক্কোত উৎসবের কারণে ৩ অক্টোবর পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।
  • 📌 ইসরায়েলি বাহিনী পূর্ব জেরুজালেমের আল-আকসা মসজিদে হাজারো ইসরায়েলি প্রবেশ করেছে, যেখানে তারা তালমুদিক অনুষ্ঠান পালন করেছে।

📰 বিস্তারিত

বেজালেল স্মট্রিচ ইসরায়েলি সংবাদপত্র ইয়নেট নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ইসরায়েলকে পশ্চিম তীরে গাজায় করা মতো অপারেশন চালানোর প্রয়োজন। তিনি বলেছেন, 'পশ্চিম তীরে হামাসের মতো কোনো terror infrastructure থাকবে না। কোনো টেররিস্ট থাকবে না, কোনো অস্ত্র থাকবে না, কোনো টানেল থাকবে না'। স্মট্রিচের এই কথাগুলো ইসরায়েলি সেনাবাহিনীকে পশ্চিম তীরে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানায়, যেখানে ইসরায়েলি সেটলারদের হামলার হার বর্তমানে বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ।

ইউনাইটেড নেশনস অফিস ফর দ্য কোঅর্ডিনেশন অফ হিউম্যানিটেরিয়ান অ্যাফেয়ার্স (OCHA) জানিয়েছে, জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত পশ্চিম তীরে ১,৩৩০টি সেটলার হামলা হয়েছে, যা প্রায় ২০ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। এই হামলাগুলোতে গুলি, বাড়ি ঘেরাও এবং সম্প্রদায়ভিত্তিক সহিংসতা অন্তর্ভুক্ত ছিল। বিশেষজ্ঞরা এই সহিংসতাকে 'পোগ্রোম' বলে বর্ণনা করেছেন।

সেটলারদের মধ্যে অনেকেই ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর প্রদত্ত অস্ত্র ব্যবহার করে এবং সেনাবাহিনীর ইউনিফর্ম পরিধান করে হামলা চালায়, যা সেটলার ও সেনাবাহিনীর মধ্যে সীমানা অদৃশ্য করে দিয়েছে।

ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ পশ্চিম তীরে সম্পূর্ণ সামরিক বন্ধন ঘোষণা করেছে, যা ইহুদি উৎসব সুক্কোতের কারণে ৩ অক্টোবর পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে। এই সময়ে প্যালেস্টাইনিদের চলাচলের উপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়েছে।

এই ঘটনার পাশাপাশি, পূর্ব জেরুজালেমের আল-আকসা মসজিদে ইসরায়েলি বাহিনী হাজারো ইসরায়েলি প্রবেশের অনুমতি দিয়েছে। প্যালেস্টাইন সংবাদ সংস্থা ওয়াফা জানিয়েছে, ইসরায়েলিরা মরক্কো গেট দিয়ে মসজিদে প্রবেশ করেছে এবং তালমুদিক অনুষ্ঠান পালন করেছে। ইসরায়েলি বাহিনী মসজিদের চারপাশে আরও কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে এবং পুরো পুরাতন শহরে সীমাবদ্ধতা বাড়িয়েছে।

"পশ্চিম তীরে কোনো terror infrastructure থাকবে না, কোনো টেররিস্ট থাকবে না, কোনো অস্ত্র থাকবে না, কোনো টানেল থাকবে না"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: পশ্চিম তীর (জুদিয়া ও সামারিয়া), পূর্ব জেরুজালেম, আল-আকসা মসজিদ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বেজালেল স্মট্রিচ (ইসরায়েলের ফার-রাইট ফাইন্যান্স মন্ত্রী)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১,৩৩০টি সেটলার হামলা (জানুয়ারি-জুলাই ২০২৬)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖