📌 পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনি বন্দুকধারীর গুলিতে ইসরায়েলের দু’সেনা নিহত হওয়ার পর ইসরায়েলি বাহিনী গাজা-রকম ব্যাপক সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে। ১৩টি শহরে তল্লাশি চালানো হচ্ছে, বাড়িঘর ধ্বংসের হুমকি দেওয়া হয়েছে
পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনি বন্দুকধারীর গুলিতে ইসরায়েলের দু’সেনা নিহত হওয়ার পর ইসরায়েলি বাহিনী গাজা-রকম ব্যাপক সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে। গতকাল শুক্রবার দু’সেনা নিহত হওয়ার ঘটনায় সন্দেহভাজন ব্যক্তির বাড়িসহ ফিলিস্তিনিদের বেশ কয়েকটি ভবন ধ্বংসের হুমকি দেওয়া হয়েছে। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ঘোষণা করেছেন, হামলাকারীদের এলাকার বাড়িঘর পুরোপুরি ধ্বংস করা হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ফিলিস্তিনি বন্দুকধারীর গুলিতে ইসরায়েলের দু’সেনা নিহত — স্টাফ সার্জেন্ট রন ইয়োনাতান রয়টম্যান ও সার্জেন্ট ইউভাল শাই স্ভিলেম
- 📌 ইসরায়েলি বাহিনী ১৩টি শহরে (নাবলুস, জেনিন, তুবাস, কালকিলিয়া, হেবরন) ব্যাপক তল্লাশি চালাচ্ছে, শত শত ফিলিস্তিনি পরিবারকে বাড়িঘর ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে
- 📌 নেতানিয়াহু ঘোষণা: হামলাকারীদের এলাকার বাড়িঘর পুরোপুরি ধ্বংস করা হবে — ১৯৬৭ সালের পর এমন অভিযান প্রথমবারের মতো
- 📌 অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচের দাবি: অভিযান চালাতে হবে গাজা বা লেবাননের মতো — ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ ভেঙে দেওয়ার জন্য সর্বাত্মক সামরিক পদক্ষেপ প্রয়োজন
- 📌 হেবরনে গুলিতে দু’জন ফিলিস্তিনি হামলাকারীও নিহত হন, আহত হন তিন ইসরায়েলি সেনা
- 📌 আগামী মঙ্গলবার ইসরায়েলে জাতীয় নির্বাচনের মাত্র কয়েক দিন আগে এই হামলা ঘটে
📰 বিস্তারিত
ফিলিস্তিনের অধিকৃত পশ্চিম তীরে গতকাল শুক্রবার ফিলিস্তিনি বন্দুকধারীর গুলিতে ইসরায়েলের দু’সেনা নিহত হন। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, নিহত দু’জন হলেন স্টাফ সার্জেন্ট রন ইয়োনাতান রয়টম্যান এবং সার্জেন্ট ইউভাল শাই স্ভিলেম। এই দু’জন উদ্ধারকারী ব্রিগেডের সদস্য ছিলেন। গুলিতে একই ব্যাটালিয়নের আরও তিন সেনা সামান্য আহত হয়েছেন। ইসরায়েলি সেনাদের গুলিতে দু’জন ফিলিস্তিনি হামলাকারীও নিহত হন।
হামলার ঘটনায় সন্দেহভাজন ব্যক্তির বাড়িসহ ফিলিস্তিনিদের বেশ কয়েকটি ভবন ধ্বংসের হুমকি দেওয়া হয়েছে। হেবরনের আল-জালদা এলাকায় অভিযান চালানো হয়েছে। ইসরায়েলি বাহিনী নাবলুস, জেনিন, তুবাস, কালকিলিয়া, জেরিকো, আরাবেহ, বুরকিন, আকাবাত জাবর শরণার্থীশিবিরসহ ১৩টি শহরে এবং গ্রামে ব্যাপক তল্লাশি চালাচ্ছে। হেবরনের এইন দেইর বাহা এলাকায় শত শত ফিলিস্তিনি পরিবারকে অবিলম্বে বাড়িঘর ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ঘোষণা করেছেন, হামলাকারীদের এলাকার বাড়িঘর পুরোপুরি ধ্বংস করা হবে। তিনি বলেছেন, “১৯৬৭ সালের পর এমন অভিযান আর চালানো হয়নি। প্রথম অভিযানে ইসরায়েলি বাহিনী সেই এলাকায় প্রবেশ করবে, যেখান থেকে হামলাকারীরা এসেছিলেন। সেখানকার বাসিন্দাদের সরিয়ে দেওয়া হবে। এরপর বাড়ি বাড়ি অভিযান চালিয়ে ‘সন্ত্রাসীদের অবকাঠামো’ ধ্বংস করা হবে।”
ইসরায়েলের কট্টরপন্থী অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচের দাবি, অভিযান চালাতে হবে গাজা বা লেবাননের মতো। তিনি বলেছেন, “সর্বাত্মক সামরিক অভিযান ছাড়া আর কোনো পথ নেই। এ অভিযানের মাধ্যমে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষকে ভেঙে দিতে হবে, অস্ত্র সংগ্রহ করতে হবে এবং সন্ত্রাসীদের নির্মূল করতে হবে। হামলাস্থলের আশপাশে থাকা সারি সারি স্থাপনা অবিলম্বে ভেঙে ফেলার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।”
"১৯৬৭ সালের পর এমন অভিযান আর চালানো হয়নি। প্রথম অভিযানে ইসরায়েলি বাহিনী সেই এলাকায় প্রবেশ করবে, যেখান থেকে হামলাকারীরা এসেছিলেন। সেখানকার বাসিন্দাদের সরিয়ে দেওয়া হবে। এরপর বাড়ি বাড়ি অভিযান চালিয়ে ‘সন্ত্রাসীদের অবকাঠামো’ ধ্বংস করা হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পশ্চিম তীর (নাবলুস, জেনিন, তুবাস, কালকিলিয়া, হেবরন, জেরিকো, আরাবেহ, বুরকিন, আকাবাত জাবর)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু (ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী), বেজালেল স্মোট্রিচ (ইসরায়েলের অর্থমন্ত্রী), স্টাফ সার্জেন্ট রন ইয়োনাতান রয়টম্যান ও সার্জেন্ট ইউভাল শাই স্ভিলেম (নিহত ইসরায়েলি সেনা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ (নিহত ইসরায়েলি সেনা), ১৩ (শহর/গ্রামে তল্লাশি), ৭ (অক্টোবর, ২০২৩ সালের হামাস হামলা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!