📌 হেব্রনে দুই ইসরায়েলি সৈনিক নিহত হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী বেনজামিন নেতানিয়াহু পশ্চিম তীরে সম্পূর্ণ লকডাউন ঘোষণা করেন। ইসরায়েলি বাহিনী ১৫টি শহরে অভিযান চালিয়ে শতাধিক ফিলিস্তিনি গ্রেফতার করেছে। হেব্রনে তিনতলা ভবন ধ্বংস ও শতাধিক পরিবারকে বিতাড়িত করা হয়েছে
হেব্রনে গুলিবর্ষণে দুই ইসরায়েলি সৈনিক নিহত হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী বেনজামিন নেতানিয়াহু পশ্চিম তীরে সম্পূর্ণ লকডাউন ঘোষণা করেছেন। এই লকডাউনের কারণে ১০০০টি চেকপয়েন্ট বন্ধ হয়ে পড়েছে, যা পশ্চিম তীরের প্রায় এক মিলিয়ন ফিলিস্তিনিকে প্রভাবিত করছে। ইসরায়েলি বাহিনী ১৫টি শহর ও গ্রামে অভিযান চালিয়ে শতাধিক ফিলিস্তিনি গ্রেফতার করেছে, যার মধ্যে নাবলুস, জেনিন, তুবাস ও কালকিলিয়ায় বিশেষভাবে ঘনিষ্ঠ অভিযান পরিচালিত হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **হেব্রনে গুলিবর্ষণে দুই ইসরায়েলি সৈনিক নিহত**: ইসরায়েলি বাহিনী হেব্রনে গুলিবর্ষণে দুই সৈনিককে হত্যা করে, যার প্রতিক্রিয়ায় প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু পশ্চিম তীরে সম্পূর্ণ লকডাউন ঘোষণা করেন।
- 📌 **১৫টি শহরে অভিযান, শতাধিক ফিলিস্তিনি গ্রেফতার**: নাবলুস, জেনিন, তুবাস, কালকিলিয়া সহ ১৫টি শহরে ইসরায়েলি বাহিনী অভিযান চালিয়ে শতাধিক ফিলিস্তিনি গ্রেফতার করেছে।
- 📌 **হেব্রনে তিনতলা ভবন ধ্বংস ও বিতাড়িত শতাধিক পরিবার**: ইসরায়েলি বাহিনী হেব্রনের একটি তিনতলা ভবন ধ্বংস করে এবং এন দের বাহা এলাকায় শতাধিক পরিবারকে বিতাড়িত করার আদেশ দেয়।
- 📌 **১০০০টি চেকপয়েন্ট বন্ধ, পশ্চিম তীরে ‘ছোট কারাগার’**: লকডাউনের কারণে ১০০০টি চেকপয়েন্ট বন্ধ হয়ে পড়েছে, যা পশ্চিম তীরের প্রতিটি শহর ও গ্রামকে ‘ছোট কারাগার’-এ পরিণত করেছে।
- 📌 **ফার-রাইট মন্ত্রী নেতানিয়াহুর সমর্থন**: জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতামার বেন-গভির বলেছেন, ইসরায়েল পশ্চিম তীরে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিতে হবে।
- 📌 **ফিলিস্তিনি নেতা সতর্কতা**: ফিলিস্তিনি জাতীয় উদ্যোগের সাধারণ সম্পাদক মুস্তফা বারঘৌতি বলেছেন, ফার-রাইট মন্ত্রীদের উস্কানি পরিস্থিতিকে আরও খারাপ করছে। তিনি বলেছেন, ‘সামूहিক শাস্তি অবশ্যই বিস্ফোরণ ঘটাবে’।
📰 বিস্তারিত
হেব্রনে গুলিবর্ষণে দুই ইসরায়েলি সৈনিক নিহত হওয়ার পর ইসরায়েলি বাহিনী পশ্চিম তীরের ১৫টি শহর ও গ্রামে অভিযান চালিয়ে শতাধিক ফিলিস্তিনি গ্রেফতার করেছে। নাবলুসের জালুদ ও কেরিয়ুট গ্রামে, জেনিনের আরবেহ ও বুরকিন এলাকায়, তুবাস ও আক্কাবা শহরে বিশেষভাবে ঘনিষ্ঠ অভিযান পরিচালিত হয়েছে। হেব্রনে ইসরায়েলি বাহিনী একটি তিনতলা ভবন ধ্বংস করে এবং এন দের বাহা এলাকায় শতাধিক পরিবারকে বিতাড়িত করার আদেশ দেয়।
ইসরায়েলি বাহিনী হেব্রনের আল-জালদা এলাকায় গুলিবর্ষণে সন্দেহভাজনদের বাড়ি ঘিরে রাখে। প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু ঘোষণা করেন, এই অভিযান ‘কিছু দিন’ স্থায়ী হবে। ইসরায়েলি বাহিনী আরও বলেছে, তারা পশ্চিম তীরের ‘দু’জনেরও বেশি এলাকায়’ অভিযান চালাচ্ছে।
লকডাউনের কারণে পশ্চিম তীরের ১০০০টি চেকপয়েন্ট বন্ধ হয়ে পড়েছে, যা স্বাস্থ্যসেবা, অর্থনীতি ও শিক্ষা সেবা বাধাগ্রস্ত করেছে। ফিলিস্তিনি জাতীয় উদ্যোগের সাধারণ সম্পাদক মুস্তফা বারঘৌতি বলেছেন, এই লকডাউন প্রতিটি শহর ও গ্রামকে ‘ছোট কারাগার’-এ পরিণত করেছে। তিনি আরও বলেছেন, ‘সামूहিক শাস্তি অবশ্যই বিস্ফোরণ ঘটাবে’।
ফার-রাইট জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতামার বেন-গভির বলেছেন, ইসরায়েল পশ্চিম তীরে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিতে হবে। তিনি বলেন, সরকার নতুন নতুন বসতি নির্মাণের প্রচেষ্টা চালাচ্ছে।
"এই অভিযান ‘কিছু দিন’ স্থায়ী হবে"
"প্রতিটি শহর ও গ্রামকে ‘ছোট কারাগার’-এ পরিণত করেছে"
"সামূহিক শাস্তি অবশ্যই বিস্ফোরণ ঘটাবে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পশ্চিম তীর (হেব্রন, নাবলুস, জেনিন, তুবাস, কালকিলিয়া, জেরিকো, আকাবাত জাবর শরণার্থী শিবির)
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী বেনজামিন নেতানিয়াহু, জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতামার বেন-গভির, মুস্তফা বারঘৌতি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫টি শহর, শতাধিক ফিলিস্তিনি গ্রেফতার, ১০০০টি চেকপয়েন্ট বন্ধ, তিনতলা ভবন ধ্বংস, শতাধিক পরিবার বিতাড়িত
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!