📌 ইসরায়েল ব্রিটেনকে পূর্ব জেরুজালেমের কনসুলেট ৩০ দিনের মধ্যে বন্ধ করার আদেশ দিয়েছে। ব্রিটেনের পশ্চিম তীরের অবৈধ ইসরায়েলি বসতিগুলির বিরুদ্ধে সנקশন ঘোষণা করার পর এই পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতামার বেন-গভির বলেছেন, এটি ব্রিটেনের 'অহংকার'ের প্রতিক্রিয়া।
ইসরায়েল সরকার ব্রিটেনকে পূর্ব জেরুজালেমের কনসুলেট ৩০ দিনের মধ্যে বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ব্রিটেনের পশ্চিম তীরের অবৈধ ইসরায়েলি বসতিগুলির বিরুদ্ধে সנקশন ঘোষণা করার প্রতিক্রিয়ায়। ইসরায়েলের দুইজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ও দুজন অভিজ্ঞ সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ইসরায়েলের এই নির্দেশনা রিয়টার্স সংবাদ সংস্থা প্রকাশ করেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইসরায়েল ব্রিটেনকে পূর্ব জেরুজালেমের কনসুলেট ৩০ দিনের মধ্যে বন্ধ করার আদেশ দিয়েছে
- 📌 ব্রিটিশ কনসুলেটের কর্মকর্তাদেরও ৩০ দিনের মধ্যে তাদের ডিপ্লোম্যাটিক স্ট্যাটাস হারাতে হবে
- 📌 গাজা সমন্বয় মিশনে ব্রিটিশ কর্মকর্তাদের ৭ দিনের মধ্যে প্রত্যাবর্তন করতে হবে
- 📌 ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতামার বেন-গভির বলেছেন, এটি ব্রিটেনের 'অহংকার'ের প্রতিক্রিয়া
- 📌 ব্রিটেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ড বলেছেন, তারা ইসরায়েলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ছিলেন, কিন্তু তাদের অবস্থানকে সমর্থন করতে পারেননি
- 📌 ইসরায়েলের বিদেশ মন্ত্রী গিদিয়ন সার বলেছেন, ব্রিটিশ পদক্ষেপটি 'স্বাধীন রাষ্ট্রের নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ' হিসেবে বিবেচিত
- 📌 ফ্রান্স ও কানাডাও পশ্চিম তীরের অবৈধ বসতিগুলির পণ্য আমদানী নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে
📰 বিস্তারিত
ইসরায়েলের এই পদক্ষেপের পেছনে ব্রিটেনের পশ্চিম তীরের অবৈধ ইসরায়েলি বসতিগুলির বিরুদ্ধে সנקশন ঘোষণা ছিল। ব্রিটেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় (এফসিডিও) থেকে এই তথ্য নিশ্চিত করার জন্য আল জাজীরা সংবাদ সংস্থা যোগাযোগ করেছে। ইসরায়েলের এই সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে, ব্রিটেনের কনসুলেটের কর্মকর্তারা গাজা সমন্বয় মিশন থেকে ৭ দিনের মধ্যে প্রত্যাবর্তন করতে হবে।
ইসরায়েলের বিদেশ মন্ত্রী গিদিয়ন সার বলেছেন, ব্রিটিশ পদক্ষেপটি "স্বাধীন রাষ্ট্রের নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ" এবং "স্বাধীন রাষ্ট্রের নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ" হিসেবে বিবেচিত। তিনি বলেছেন, "ব্রিটিশ পদক্ষেপটি নৈতিকভাবে ভ্রান্ত এবং স্বাধীন রাষ্ট্রের নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপের প্রতিনিধিত্ব করে।" ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতামার বেন-গভির বলেছেন, এটি ব্রিটেনের 'অহংকার'ের প্রতিক্রিয়া এবং ইসরায়েলের 'স্বাধীনতা'র প্রতিক্রিয়া হিসেবে বিবেচিত।
ব্রিটেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ড বলেছেন, তারা ইসরায়েলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ছিলেন, কিন্তু তাদের অবস্থানকে সমর্থন করতে পারেননি। তিনি বলেছেন, "আমরা পদক্ষেপের সুবিধা ও অসুবিধা বিবেচনা করেছি এবং আমরা মনে করি, আমরা দাঁড়াতে পারিনি কারণ আমরা ইসরায়েলের পদক্ষেপের ভয় করতাম।"
ফ্রান্স ও কানাডাও পশ্চিম তীরের অবৈধ বসতিগুলির পণ্য আমদানী নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। এছাড়াও, নাইনটি অন্যান্য দেশ, যেমন ডেনমার্ক ও পর্তুগাল, ব্রিটেনের পদক্ষেপকে সমর্থন করেছে। ফ্রান্সের পূর্ব জেরুজালেমের কনসুলেট প্যালেস্টাইন কর্তৃপক্ষের কাছে অনুমোদিত।
"ব্রিটিশ পদক্ষেপটি নৈতিকভাবে ভ্রান্ত এবং স্বাধীন রাষ্ট্রের নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপের প্রতিনিধিত্ব করে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পূর্ব জেরুজালেম, পশ্চিম তীর, গাজা, রামাল্লাহ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইসরায়েলের বিদেশ মন্ত্রী গিদিয়ন সার, জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতামার বেন-গভির, ব্রিটেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ড
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ দিন, ৭ দিন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!