📌 ইসরায়েলের বিরোধী দলগুলো ইরানের বিরুদ্ধে নেটানিয়াহুর চেয়ে আরও কঠোর নীতির পক্ষে। গাদি ইসেনকট ও ইয়াইর লাপিডের মতো নেতারা ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ধ্বংসের দাবি করছেন। নাফতালি বেননেট ইরান, কাতার ও তুরস্ককে 'বিরোধী' হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
ইসরায়েলের বিরোধী দলগুলো বর্তমান সরকারের চেয়ে ইরানের বিরুদ্ধে আরও হামলাবাজ নীতির পক্ষে। ইসরায়েলের জাতীয় নির্বাচনের আগে বিরোধী দলগুলো ইরানকে নেটানিয়াহুর সরকারের সবচেয়ে বড় অগ্রগতির বিরুদ্ধে একটি প্রধান বিষয় হিসেবে তুলে ধরছে। ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ধ্বংসের দাবি এবং অঞ্চলটিকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য সামরিক শক্তি বৃদ্ধির কথা তারা বলছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **৬৫-৭০% ইসরায়েলি ইসরায়েলের ইরান-বিরোধী যুদ্ধ বন্ধ করার সিদ্ধান্তকে জাতীয় নিরাপত্তার বিপরীত বলে মনে করেন** — ইসরায়েল ডেমোক্রেসি ইনস্টিটিউটের তথ্য অনুযায়ী।
- 📌 **বিরোধী দলের নেতা গাদি ইসেনকট বলেছেন, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ধ্বংস করা অবশ্যই প্রয়োজন — বর্তমানে ৪৪০ কেজি উচ্চতর সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম রয়েছে যা দ্রুত নукলিয়ার অস্ত্রে রূপান্তরিত হতে পারে।**
- 📌 **ইসরায়েলের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইয়াইর লাপিড দাবি করেছেন, ইরানের শক্তি কেন্দ্রগুলো বোমা হামলার মাধ্যমে ধ্বংস করা উচিত — বিশেষত খার্গ দ্বীপে — যাতে ইরানের অর্থনীতি ধ্বংস হয় এবং সরকার পতিত হয়।**
- 📌 **নাফতালি বেননেট ইরান, কাতার ও তুরস্ককে 'বিরোধী' হিসেবে চিহ্নিত করেছেন এবং বলেছেন, ইসরায়েল একটি মoderate বাহিনী গঠন করবে এই তিনটি দেশের বিরুদ্ধে।**
- 📌 **বিরোধী দলের নেতারা নেটানিয়াহুকে ভাবেন যে তিনি নির্বাচনের আগে সামরিক হামলা শুরু করতে পারে — এমনকি নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করার জন্যও।**
📰 বিস্তারিত
ফেব্রুয়ারিতে ইসরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সামরিক অভিযান শুরু হলে ইসরায়েলের সরকারের প্রতি ইসরায়েলি জনগণের সমর্থন ছিল অপরিসীম। কিন্তু জুনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষণার পর এই অবস্থা পরিবর্তিত হয়। ট্রাম্প ঘোষণা করেন যে ইরান ও ইসরায়েল যুদ্ধ বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের ৬৫ থেকে ৭০ শতাংশ ইহুদি জনগণ প্রতিবাদ জানায়। তারা মনে করেন, যুদ্ধ বন্ধের সিদ্ধান্ত ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তার বিপরীত।
বিরোধী দলের নেতা গাদি ইসেনকট বলেছেন, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ধ্বংস করা অবশ্যই প্রয়োজন। তিনি বলেন, বর্তমানে ইরানে ৪৪০ কেজি উচ্চতর সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম রয়েছে, যা দ্রুত নুকলিয়ার অস্ত্রে রূপান্তরিত হতে পারে। তিনি বলেন, “অন্তিমভাবে, এটি অবশ্যই ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ধ্বংস বা অবরোধে শেষ হতে হবে — যা এখনও অর্জিত হয়নি।”
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইয়াইর লাপিড ইরানের শক্তি কেন্দ্রগুলো বোমা হামলার মাধ্যমে ধ্বংস করার দাবি করেছেন। তিনি বলেন, “ইসরায়েল বা গठবন্ধন কর্তৃক করা উচিত কাজ হলো খার্গ দ্বীপসহ সব শক্তি কেন্দ্রগুলো বোমা হামলার মাধ্যমে ধ্বংস করা — যাতে ইরানের অর্থনীতি ধ্বংস হয়। কারণ এটি একমাত্র উপায় যা সরকার পতিত করতে পারে।” লাপিডের এই দাবি নেটানিয়াহুর নিজস্ব দাবির সাথে মিলে যায়, যিনি এই ধরনের হামলার জন্য আন্তর্জাতিক সমালোচনার মুখোমুখি হয়েছিলেন।
নাফতালি বেননেট ইরানকে ইসরায়েলের প্রধান শত্রু হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। তিনি বলেন, ইসরায়েলকে অঞ্চলটিতে সামরিক দৃঢ়তা প্রতিষ্ঠা করতে হবে। তিনি ইরান, কাতার ও তুরস্ককে ‘বিরোধী’ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন এবং বলেন, “আমরা অঞ্চলে মডারেট বাহিনী গঠন করবো — ইরান, কাতার ও তুরস্কের বিরুদ্ধে। আমরা অঞ্চলকে আকস্মিকভাবে আকার দেবো।”
বিরোধী দলের নেতারা নেটানিয়াহুর ভয়াবহ হামলার সম্ভাবনা সম্পর্কে সতর্কতা জানিয়েছেন। তারা মনে করেন, নেটানিয়াহু নির্বাচনের আগে সামরিক হামলা শুরু করতে পারে — এমনকি নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করার জন্যও। নেটানিয়াহুর নিজের একটি ভিডিওতে তিনি বলেছেন যে ইসরায়েলের শত্রুরা নির্বাচনের আগে হামলা করতে পারে। এই ভয়াবহ সম্ভাবনা বিরোধী দলের নেতাদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
"অন্তিমভাবে, এটি অবশ্যই ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ধ্বংস বা অবরোধে শেষ হতে হবে — যা এখনও অর্জিত হয়নি। বর্তমানে ৪৪০ কেজি উচ্চতর সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম রয়েছে যা দ্রুত নুকলিয়ার অস্ত্রে রূপান্তরিত হতে পারে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইসরায়েল, ইরান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, খার্গ দ্বীপ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: গাদি ইসেনকট, ইয়াইর লাপিড, নাফতালি বেননেট, নেটানিয়াহু, ডোনাল্ড ট্রাম্প
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬৫-৭০% (ইসরায়েলি জনগণের বিরোধিতা), ৪৪০ কেজি (উচ্চতর সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!