📌 ইসরাইলের বিরোধী দলের প্রধান ইয়ার গোলান বলেছেন, ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনির হত্যা ছিল ভুল সিদ্ধান্ত। তিনি উল্লেখ করেছেন, খামেনির মৃত্যুর পর ইরান এখন আরও উগ্র নেতৃত্বে পরিচালিত হচ্ছে। গোলান আরও বলেছেন, ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ইরান সরকার পতনের লক্ষ্য অর্জন করতে ব্যর্থ হয়েছে
ইসরাইলের বিরোধী দল ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রধান ইয়ার গোলান বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ইরান যুদ্ধের শুরুতে সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যা করার সিদ্ধান্তটি ‘ভুল’ ছিল। তিনি বলেছেন, খামেনির মতো ব্যক্তিত্বকে হত্যা করা ছিল ইসরাইল রাষ্ট্রের স্বার্থের বিপরীত। গোলানের মতে, ৮৬ বছর বয়সী খামেনি মরার যোগ্য ছিলেন না।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইয়ার গোলান: খামেনির হত্যা ছিল ভুল, ইরান এখন ‘আরও উগ্র ও সহিংস ব্যক্তিদের’ নেতৃত্বে
- 📌 খামেনির মৃত্যুর পর তার ছেলে মোজতবা খামেনি ইরানের নতুন নেতা
- 📌 নেতানিয়াহু: ইরান সরকার পতনের ‘অবাস্তব লক্ষ্য’ অর্জিত হয়নি
- 📌 ইসরাইল-ইরান যুদ্ধ শুরু: ২৮ ফেব্রুয়ারি, জবাবে তেহরান মিসাইল ও ড্রোন হামলা
- 📌 হরমুজ প্রণালি বন্ধ, বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি পায়
📰 বিস্তারিত
তেল আবিবের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর রিশন লেজিওনে অনুষ্ঠিত একটি সাক্ষাৎকারে ইয়ার গোলান এই মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ‘আমি দ্ব্যর্থহীনভাবে মনে করি, খামেনির মতো ব্যক্তিত্বকে হত্যা করাটা ভুল ছিল। তিনি মরার যোগ্য ছিলেন না—এমন নয়, কেবল বিষয়টি ইসরাইল রাষ্ট্রের স্বার্থের অনুকূলে যায়নি।’ গোলান উল্লেখ করেন যে, খামেনির মৃত্যুর পর তার ছেলে মোজতবা খামেনি ক্ষমতা গ্রহণের ফলে ইরান এখন ‘আরও উগ্র ও সহিংস ব্যক্তিদের’ নেতৃত্বে পরিচালিত হচ্ছে।
এই সাক্ষাৎকারে গোলান ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, নেতানিয়াহু ইরান সরকার পতনের যে ‘অবাস্তব লক্ষ্য’ ঠিক করেছিলেন, তা অর্জিত হয়নি। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করে। এর জবাবে তেহরান মিসাইল ও ড্রোন হামলা চালায় এবং কৌশলগতভাবে হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয়। এই যুদ্ধের ফলে মধ্যপ্রাচ্যে আঞ্চলিক উত্তেজনা তীব্র আকার ধারণ করে এবং প্রণালি দিয়ে বাণিজ্যিক তেল চলাচল কার্যত বন্ধ হয়ে যায়। এর ফলে বিশ্ববাজারে জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধি পায়।
পাকিস্তান ও কাতারের মধ্যস্থতায় শত্রুতা থামানো এবং আলোচনার পথ প্রশস্ত করতে গত জুনে ওয়াশিংটন ও তেহরান একটি কাঠামোগত চুক্তি স্বাক্ষর করে।
"আমি দ্ব্যর্থহীনভাবে মনে করি, খামেনির মতো ব্যক্তিত্বকে হত্যা করাটা ভুল ছিল। তিনি মরার যোগ্য ছিলেন না—এমন নয়, কেবল বিষয়টি ইসরাইল রাষ্ট্রের স্বার্থের অনুকূলে যায়নি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: তেল আবিব (রিশন লেজিওন), ওয়াশিংটন, তেহরান, হরমুজ প্রণালি
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইয়ার গোলান, আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি, মোজতবা খামেনি, বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮৬ বছর (খামেনির বয়স), ২৮ ফেব্রুয়ারি (যুদ্ধ শুরু), ৯ অক্টোবর (সাক্ষাৎকার)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!