📌 জলবায়ু পরিবর্তন ও পানি ব্যবস্থাপনায় বিশেষজ্ঞ সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জ ফোরামের অংশীদার হয়েছে ইসরাইল। ফোরামের ১৮টি সদস্য দেশের সাথে ইসরাইলের অংশীদারত্বের ঘোষণা দিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
জলবায়ু পরিবর্তন ও পানি ব্যবস্থাপনায় বিশেষজ্ঞ সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জ ফোরামের অংশীদার হয়েছে ইসরাইল। বুধবার (২১ অক্টোবর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই তথ্য জানিয়েছে। ইসরাইলের এই পদক্ষেপ প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর সাথে সম্পর্ক জোরদার করার একটি উল্লেখযোগ্য ধাপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জলবায়ু ও পানি ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা: প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জ ফোরামের অংশীদার হয়েছে ইসরাইল। ইসরাইলের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানো হবে পানি ব্যবস্থাপনা, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা, কৃষি ও উদ্ভাবন ক্ষেত্রে।
- 📌 দূতাবাস খোলা নাউরু: গত মাসে ক্ষুদ্র দ্বীপরাষ্ট্র নাউরু জেরুসালেমে ইসরাইলের দূতাবাস খুলেছে। এতে ইসরাইলের সার্বভৌমত্বকে স্বীকৃতি দেয়ার ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক চাপ উপেক্ষা করে দেশটি।
- 📌 প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে ইসরাইলের প্রভাব: জেরুসালেমে দূতাবাস থাকা জাতিসংঘের মাত্র সাতটি সদস্য রাষ্ট্রের মধ্যে পাপুয়া নিউগিনি ও ফিজিও রয়েছে। সামোয়ারও এ বছরের শেষ দিকে যোগ দেবার কথা রয়েছে।
- 📌 ফোরামের অংশীদারত্বের নতুন কাঠামো: প্রভাবশালী দেশগুলো যেমন যুক্তরাষ্ট্র, চীন, ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্য এই ফোরামের তথাকথিত উন্নয়ন অংশীদার। নতুন কাঠামোয় কৌশলগত ও খাতভিত্তিক অংশীদারত্বের শ্রেণী তৈরি করা হয়েছে। ইসরাইলের অংশীদারত্ব খাতভিত্তিক শ্রেণিতে পড়ে।
- 📌 মাসাভের প্রধান শ্লেইনের সফর: ইসরাইলের আন্তর্জাতিক সহায়তা সংস্থা মাসাভের (এমএএসএইচএভি) প্রধান আইনাত শ্লেইন ফিজি ও সামোয়া সফর করেন। বৈঠকে প্রশান্ত মহাসাগরীয় দেশগুলো তাদের উন্নয়ন-সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জ ও সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।
📰 বিস্তারিত
প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সামরিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারের প্রতিযোগিতায় লিপ্ত থাকা যুক্তরাষ্ট্র, চীন, ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্য সহ ৩০টি দেশ ও সংস্থা এই ফোরামের উন্নয়ন অংশীদার। গত মাসে ফোরামের নেতারা অঞ্চলের বাইরের দেশগুলোর সাথে অংশীদারত্বের কাঠামো সংস্কারের সিদ্ধান্ত নেন। এই সংস্কারের অংশ হিসেবে কৌশলগত অংশীদার ও খাতভিত্তিক অংশীদারত্বের শ্রেণী তৈরি করা হয়েছে। ইসরাইলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশটি খাতভিত্তিক অংশীদার হিসেবে ফোরামে যোগ দিয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘আঞ্চলিক অগ্রাধিকারকে গুরুত্ব দিয়ে এই সহযোগিতার কার্যক্রম পরিচালিত হবে। পানি ব্যবস্থাপনা, সমুদ্রের পানি লবণমুক্তকরণ, কৃষি, জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে খাপ খাইয়ে নেয়া, উদ্ভাবন ও টেকসই উন্নয়নে ইসরাইলের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানো হবে।’
গত জুনে ইসরাইলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদিওন সার ফিজির রাজধানী সুভায় ফোরামের সদর দফতর পরিদর্শন করেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, ‘প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপরাষ্ট্রগুলোর সাথে সম্পর্ক জোরদার করা পররাষ্ট্রমন্ত্রীর অগ্রাধিকারগুলোর একটি।’ বিবৃতিতে আরো বলা হয়, ‘এই প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে চলতি বছরের শুরুতে ফিজিতে দূতাবাস খুলেছে ইসরাইল। দূতাবাসটি ইসরাইলের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের আরো নয়টি দ্বীপরাষ্ট্রের সাথে সম্পর্ক রক্ষার দায়িত্বও পালন করছে।’
ফোরামের বিবৃতিতে জানানো হয়, মাসাভের প্রধান শ্লেইনের সাথে বৈঠকে প্রশান্ত মহাসাগরীয় দেশগুলো তাদের উন্নয়ন-সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জ ও সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরার সুযোগ পেয়েছে। পাশাপাশি জ্ঞান বিনিময় ও অংশীদারত্বের বাস্তব সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হয়েছে।
"আঞ্চলিক অগ্রাধিকারকে গুরুত্ব দিয়ে এই সহযোগিতার কার্যক্রম পরিচালিত হবে। পানি ব্যবস্থাপনা, সমুদ্রের পানি লবণমুক্তকরণ, কৃষি, জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে খাপ খাইয়ে নেয়া, উদ্ভাবন ও টেকসই উন্নয়নে ইসরাইলের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানো হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জ ফোরাম, ফিজি, সামোয়া, নাউরু, জেরুসালেম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আইনাত শ্লেইন (মাসাভের প্রধান), গিদিওন সার (ইসরাইলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৮টি সদস্য দেশ, ৩০টি উন্নয়ন অংশীদার, ৭টি দূতাবাসবিশিষ্ট সদস্য
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!