📅 ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮:৪৩ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ইসরায়েলের ইরান হামলা: কীভাবে তেহরানের সরকার উৎখাতের লক্ষ্যে সামরিক আক্রমণ চালাবে?

ইসরায়েলের ইরান হামলা: কীভাবে তেহরানের সরকার উৎখাতের লক্ষ্যে সামরিক আক্রমণ চালাবে?

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ইরানের সরকার উৎখাতের লক্ষ্যে নতুন হামলার আভাস দিয়েছেন। বিশ্লেষকদের মতে, ইসরায়েলের সামরিক সক্ষমতা থাকলেও সরকার পরিবর্তনের কোনো স্পষ্ট কৌশল নেই। যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতা ছাড়া ইরানের গভীরে অবস্থিত সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালানো কঠিন বলে মনে করা হচ্ছে

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ইরানের সরকার উৎখাতের লক্ষ্যে নতুন সামরিক হামলার সম্ভাবনা উজাগর করেছেন। বিশ্লেষকদের মতে, ইসরায়েলের সামরিক শক্তি থাকলেও ইরানের সরকার পরিবর্তনের কোনো স্পষ্ট কৌশল নেই। ইরান ইতিমধ্যে দুই দফা হামলা মোকাবিলা করে টিকে আছে এবং পাল্টা হামলার সক্ষমতা বজায় রেখেছে। ইরান শুধু ইসরায়েল নয়, উপসাগরীয় প্রতিবেশী দেশগুলিতেও হামলা চালাতে পারে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনা অবস্থিত।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ইরানের সরকার উৎখাতের লক্ষ্যে নতুন হামলার আভাস দিয়েছেন, কিন্তু কোনো স্পষ্ট কৌশল প্রকাশ করেননি
  • 📌 বিশ্লেষকদের মতে, ইসরায়েলের সামরিক সক্ষমতা থাকলেও সরকার পরিবর্তনের জন্য শুধু বিমান হামলা যথেষ্ট নয়, স্থল অভিযানের প্রয়োজন
  • 📌 যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতা ছাড়া ইরানের গভীরে অবস্থিত সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালানো কঠিন, কারণ মার্কিন বাহিনীর সক্ষমতা ইসরায়েলের চেয়ে বেশি
  • 📌 যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন নিয়ে ইসরায়েলের নতুন হামলায় অনিশ্চয়তা রয়েছে, কারণ ওয়াশিংটন ইরানের সরকার উৎখাতের কোনো বিশ্বাসযোগ্য পথ খুঁজে পায়নি
  • 📌 যুক্তরাজ্যভিত্তিক গবেষণাপ্রতিষ্ঠান রয়্যাল ইউনাইটেড সার্ভিসেস ইনস্টিটিউটের গবেষক আরবান কনিংহাম বলেছেন, ইসরায়েলের হাতে ৩০ হাজার বোমা এবং আকাশে জ্বালানি ভরার সক্ষমতা রয়েছে
  • 📌 নেতানিয়াহু ১৯৯৬ সাল থেকে ইরানের নেতৃত্বকে বড় হুমকি হিসেবে তুলে ধরছেন, কিন্তু শুধু বিমান হামলা চালিয়ে সরকার উৎখাত করা সম্ভব নয়

📰 বিস্তারিত

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ইরানের সরকার উৎখাতের লক্ষ্যে নতুন হামলার আভাস দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ইরানের সরকার উৎখাতই তাঁর দেশের ‘প্রধান লক্ষ্য’। আগামী সপ্তাহে ইসরায়েলে জাতীয় নির্বাচন হওয়ার পরিস্থিতিতে নেতানিয়াহু ইরানে আবার হামলা চালানোর আভাস দিয়ে এ কথা বলেছেন। বিশ্লেষকদের মতে, ইরানে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি করার সামরিক সক্ষমতা ইসরায়েলের রয়েছে। তবে সামরিক সাফল্যকে কাজে লাগিয়ে কীভাবে ইরানের সরকার উৎখাত করা যাবে, সে বিষয়ে দেশটির কোনো সুস্পষ্ট কৌশল নেই।

শুধু বিমান হামলা চালিয়ে সরকার উৎখাত করা সম্ভব নয়। বিশ্লেষকদের মতে, স্থল অভিযান চালাতে গেলে অনেক বড় সামরিক প্রস্তুতি ও শক্তির প্রয়োজন হবে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতা ছাড়া ইসরায়েলের পক্ষে বিশেষ করে পাহাড়ের নিচে থাকা ইরানের অস্ত্রের ঘাঁটিতে হামলা চালানো কঠিন। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সক্ষমতা ইসরায়েলের চেয়ে বেশি, কারণ মার্কিন বাহিনী গভীরে অবস্থিত লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম।

গত রোববার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে নেতানিয়াহুর আলোচনা হয়। এছাড়া মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ ইসরায়েল সফর করেন। এরপরই নেতানিয়াহু ইরানের সরকার উৎখাতের কথা বলেছেন। তবে ইরানে নতুন করে হামলায় যুক্তরাষ্ট্র অংশ নিতে রাজি হয়েছে কি না, সে বিষয়ে তিনি কোনো ইঙ্গিত দেননি। এমনকি ইরানের নেতৃত্বকে উৎখাত করার অভিযানে ওয়াশিংটন যোগ দেবে কি না, তা-ও স্পষ্ট করেননি।

যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন নিয়ে ইসরায়েলের নতুন হামলায় অনিশ্চয়তা রয়েছে। নতুন করে যুদ্ধে জড়ানোর বিষয়ে ওয়াশিংটন কতটা আগ্রহী, তা নিয়ে বিশেষজ্ঞদের প্রশ্ন রয়েছে। কারণ, ওয়াশিংটনের দাবি মেনে নিতে ইরানের সরকারকে বাধ্য করার কোনো বিশ্বাসযোগ্য পথ এখনো খুঁজে পায়নি যুক্তরাষ্ট্র।

"ইসরায়েলের হাতে বিপুল পরিমাণ অস্ত্রের মজুত রয়েছে। এ ছাড়া আকাশে যুদ্ধবিমানে জ্বালানি ভরার সক্ষমতাও রয়েছে দেশটির। এসব কারণে ইসরায়েল বড় ধরনের সুবিধাজনক অবস্থানে আছে।"

— আরবান কনিংহাম, গবেষক, রয়্যাল ইউনাইটেড সার্ভিসেস ইনস্টিটিউট

১৯৯৬ সালে প্রথমবার ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর থেকেই নেতানিয়াহু ইরানের নেতৃত্বকে বড় হুমকি হিসেবে তুলে ধরছেন। ওই বছরের জুলাইয়ে মার্কিন কংগ্রেসে দেওয়া ভাষণে তিনি বলেছিলেন, ‘ইরানের শাসনব্যবস্থা সবচেয়ে বিপজ্জনক, যেখানে নিষ্ঠুর স্বৈরশাসনের সঙ্গে উগ্র জঙ্গিবাদের মেলবন্ধন ঘটেছে’। এর প্রায় ৩০ বছর পর ২০২৫ সালের জুনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল একযোগে ইরানে হামলা চালায়। এরপর চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল একযোগে আবার হামলা চালায়। কিন্তু এই যুদ্ধ ও অবরোধগুলো ইরানের সরকারের পতন ঘটাতে পারেনি।

গত মার্চে নেতানিয়াহু নিজেও স্বীকার করেন, শুধু বিমান হামলা চালিয়ে সরকার উৎখাত করা সম্ভব নয়। তিনি বলেছিলেন, ‘এ জন্য স্থল অভিযান প্রয়োজন’। তবে সেই স্থল অভিযান কীভাবে চালানো হবে, তা নিয়ে কোনো ব্যাখ্যা দেননি নেতানিয়াহু।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ইরান, ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র, উপসাগরীয় অঞ্চল
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু, ডোনাল্ড ট্রাম্প, পিট হেগসেথ, আরবান কনিংহাম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ বছর, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ৩০ হাজার বোমা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖