📌 ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু নির্বাচনের আগে ইরানে সামরিক হামলার পরিকল্পনা করেছিলেন। মার্কিন হস্তক্ষেপে পরিকল্পনা বাতিল হয়। নেতানিয়াহুর কার্যালয় প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে
ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু নির্বাচনের আগে ইরানে সামরিক হামলার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে মার্কিন হস্তক্ষেপে এই পরিকল্পনা বাতিল হয়ে যায়। ইসরাইলের সংবাদমাধ্যম চ্যানেল ১২-এর এক প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গত ২৭ অক্টোবরের নির্বাচনের আগে নেতানিয়াহু ও মোসাদপ্রধান রোমান গফম্যান ইরানে হামলার পরিকল্পনা করছিলেন
- 📌 ইসরাইলের নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের মধ্যে এই পদক্ষেপের বিরোধিতা ছিল
- 📌 মার্কিন নিরাপত্তাকর্মীর ভুলের কারণে পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের কাছে পৌঁছায়
- 📌 মার্কিন হস্তক্ষেপে হামলা পরিকল্পনা বাতিল হয়
- 📌 নেতানিয়াহুর কার্যালয় প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করে, বলেন কোনো পরিকল্পনা ছিল না
- 📌 নির্বাচনের মাত্র দুই দিন আগে নেতানিয়াহু ও সেনাপ্রধান ইয়াল জামিরের মধ্যে বিরোধের খবর প্রকাশিত হয়
- 📌 নেতানিয়াহু স্বীকার করেন, তিনি ইরানের শাসনব্যবস্থা উৎখাতের নির্দেশ দিয়েছেন
- 📌 মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে আলোচনার পক্ষে ছিলেন
📰 বিস্তারিত
চ্যানেল ১২-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৭ অক্টোবরের নির্বাচনের আগে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান পরিচালনার পরিকল্পনা করেছিলেন নেতানিয়াহু ও তার ঘনিষ্ঠ মোসাদপ্রধান রোমান গফম্যান। তবে ইসরাইলের নিরাপত্তা ও সামরিক বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের মধ্যে এই পদক্ষেপের বিরোধিতা ছিল। তারা আশঙ্কা করছিলেন, ইরানে হামলা চালানো হলে বড় ধরনের সংঘাত শুরু হতে পারে এবং নির্বাচন অনিশ্চিত হয়ে পড়তে পারে।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, শেষ মুহূর্তে ইসরাইলের এক নিরাপত্তাকর্মীর ভুলের কারণে পরিকল্পনার তথ্য যুক্তরাষ্ট্রের কাছে পৌঁছায়। পরে মার্কিন হস্তক্ষেপে এই অভিযান বাতিল হয়ে যায়। ইসরাইলের সামরিক সেন্সরশিপের কঠোর নজরদারির মধ্যেই এই প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
নেতানিয়াহুর কার্যালয় প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করে বলেছে, নির্বাচনের আগে ইরানে হামলার কোনো পরিকল্পনা ছিল না। প্রধানমন্ত্রী নিজেই বিষয়টি স্পষ্ট করেছিলেন। একই সাথে, নির্বাচনের মাত্র দুই দিন আগে, গত ২৫ অক্টোবর চ্যানেল ১২-এর আরেক প্রতিবেদনে নেতানিয়াহু ও সেনাপ্রধান ইয়াল জামিরের মধ্যে বিরোধের কথা প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, নেতানিয়াহু ইরানের সঙ্গে উত্তেজনা বাড়াতে পারা একটি সামরিক পদক্ষেপের নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু সেনাপ্রধান সেই নির্দেশ মানতে অস্বীকৃতি জানান এবং লিখিত আইনি অনুমোদন চান।
নেতানিয়াহু চ্যানেল ১৪-এর সাক্ষাৎকারে সেনাপ্রধানের সঙ্গে বিরোধের খবর অস্বীকার করেন। তিনি ঘটনাটিকে ‘অবাস্তব’ বলে উল্লেখ করেন। তবে তিনি স্বীকার করেন, তিনি ইরানের শাসনব্যবস্থা উৎখাতের নির্দেশ দিয়েছিলেন। অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে আলোচনার পক্ষে ছিলেন। তিনি বলেন, ইরানের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে চাপ কমে যেতে পারে।
"আমরা ইরানকে পরাস্ত করেছি। আমাদের পরিস্থিতি বেশ ভালো, আমরা কথা বলছি। গত ছয় বা সাত মাসে আমাদের কোনো সেনা নিহত হয়নি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইসরাইল, যুক্তরাষ্ট্র, ইরান
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু, রোমান গফম্যান, ইয়াল জামির, ডোনাল্ড ট্রাম্প
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৭ অক্টোবর, ২৫ অক্টোবর, ৬ নভেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!