📅 ৮ অক্টোবর ২০২৬, ৪:১৭ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

গাজায় পশু-মলের মতো গন্ধের বোমা: ইসরায়েলের 'অলৌকিক' যুদ্ধতন্ত্রের নতুন অধ্যায়

গাজায় পশু-মলের মতো গন্ধের বোমা: ইসরায়েলের 'অলৌকিক' যুদ্ধতন্ত্রের নতুন অধ্যায়

📷 ছবি: আল জাজিরা

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Al Jazeera ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ইসরায়েল গাজায় 'স্কাঙ্ক ওয়াটার' নামক পশু-মলের মতো গন্ধের অস্ত্র ব্যবহার করছে। এই অস্ত্রটি ২০০৪ সাল থেকে বিকশিত হয়েছে এবং দীর্ঘদিন ধরে ফিলিস্তিনি প্রতিবাদীদের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হচ্ছে। ইসরায়েল এই অস্ত্রের মাধ্যমে ফিলিস্তিনি এলাকাগুলোকে অচল ও অপ্রয়োজনীয় করে তুলতে চায়

গাজার বাসিন্দারা রাতের অন্ধকারে জাগ্রত হয়েছেন পশু-মলের মতো ঘৃণিত গন্ধের সাথে। এই গন্ধের উৎস ছিল ইসরায়েলের অলৌকিক অস্ত্র — 'স্কাঙ্ক ওয়াটার'। তিন বছর ধরে চলমান ইসরায়েলের গণহত্যার পরেও ফিলিস্তিনি বাসিন্দাদের জীবনযাপন অসম্ভব করে তুলতে ইসরায়েল এই অস্ত্রের নতুন ব্যবহার শুরু করেছে। গত সেপ্টেম্বর শেষের দিকে গাজা সিটিতে এই অস্ত্রের গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে। বাসিন্দারা প্রথমে নিজেদের চারপাশে খোঁজা শুরু করেন, কি কারণে এই ঘৃণিত গন্ধ। কিন্তু দ্রুতই তারা বুঝতে পারেন, এই গন্ধের উৎস তাদের উপরে থেকে বেরিয়ে আসা ইসরায়েলি ড্রোন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 গাজায় ইসরায়েলি ড্রোন থেকে ছড়ানো 'স্কাঙ্ক ওয়াটার' নামক অস্ত্রের গন্ধে গাজা সিটির বাসিন্দারা জাগ্রত হয়েছে।
  • 📌 এই অস্ত্রটি ২০০৪ সালে বিকশিত হয় এবং প্রথম ব্যবহার হয় ২০০৮ সালে ফিলিস্তিনি প্রতিবাদীদের বিরুদ্ধে।
  • 📌 ইসরায়েলের 'স্কাঙ্ক ওয়াটার'কে 'গন্ধভিত্তিক অ-হতাহতকর অস্ত্র' হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ করা হয়েছে।
  • 📌 ইসরায়েল এই অস্ত্রের মাধ্যমে ফিলিস্তিনি এলাকাগুলোকে অচল ও অপ্রয়োজনীয় করে তুলতে চায়।
  • 📌 ২০১৩ সালে হেব্রনের শুহাদা স্ট্রিটের প্রতিবাদে এবং ইস্ট জেরুজালেমের স্কুলগুলোর উপর এই অস্ত্রের ব্যবহার ঘটে।
  • 📌 ইসরায়েল এই অস্ত্রের বাণিজ্যিক বিক্রয় শুরু করেছে। ২০০৭ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার পুলিশ সার্ভিসের কাছে এই অস্ত্র বিক্রি করা হয়।
  • 📌 গাজার 'গ্রেট মার্চ অব রিটার্ন' প্রতিবাদে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী এই অস্ত্রের ব্যবহার করে।
  • 📌 ইসরায়েলের পুলিশ সুপারিনটেন্ডেন্ট ডেভিড বেন হারোশ এই অস্ত্রের বাণিজ্যিক সম্ভাবনা নিয়ে বলেছিলেন, 'এটি সম্পূর্ণ নিরাপদ, এমনকি পান করা যেতে পারে।'

📰 বিস্তারিত

গাজায় 'স্কাঙ্ক ওয়াটার' নামক অস্ত্রের ব্যবহার ইসরায়েলের একটি নতুন যুদ্ধতন্ত্রের অংশ। এই অস্ত্রের গন্ধ পশু-মলের মতো ঘৃণিত এবং মানুষের শ্বাসপ্রশ্বাসে ব্যাঘাত সৃষ্টি করে। গাজার বাসিন্দারা এই অস্ত্রের গন্ধের বর্ণনা দিয়েছেন, "আমরা সবাই গাজা সিটিতে জাগ্রত হয়েছি পশু-মলের মতো ঘৃণিত গন্ধের সাথে। ইসরায়েলি দখলদার ড্রোন এই ঘৃণিত গন্ধ ছড়িয়ে দিয়েছে। এমনকি বাতাসটিও দূষিত হয়েছে।"

২০০৪ সালে ইসরায়েলের 'ওডোরটেক' নামক একটি কোম্পানি এবং ইসরায়েল পুলিশের 'টেকনোলজিক্যাল ডেভেলপমেন্ট ডিপার্টমেন্ট' এই অস্ত্রের বিকাশ ঘটায়। প্রথম ব্যবহার হয় ২০০৮ সালে ফিলিস্তিনি প্রতিবাদীদের বিরুদ্ধে নিলিনে। এই অস্ত্রকে 'গন্ধভিত্তিক অ-হতাহতকর অস্ত্র' হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ করা হয়েছে এবং এটি জলকানন বা ড্রোন থেকে ছড়ানো যায়।

নিলিন থেকে এই অস্ত্রের ব্যবহার ছড়িয়ে পড়ে পশ্চিম তীরে। বিলিন, কাফর কাদুম এবং নবী সালেহে প্রতিবাদীদের বিরুদ্ধে এই অস্ত্রের ব্যবহার হয়। ২০১১ সালে নবী সালেহে একটি ২৮ বছর বয়সী ফিলিস্তিনি যুবকের মৃত্যুর পরে তার দাফনের সময় এই অস্ত্রের ব্যবহার ঘটে। প্রতিবাদীরা তাদের গ্রামের জলসূত্রের দিকে যাচ্ছিলেন, যা হালামিশ নামক একটি ইসরায়েলি বসতির দ্বারা দখল করা হয়েছিল।

২০১৩ সালে হেব্রনের শুহাদা স্ট্রিটের বন্ধের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ এবং প্রতিবাদকে কভার করার জন্য জার্নালিস্টদের উপর এই অস্ত্রের ব্যবহার ঘটে। পরের বছর ইস্ট জেরুজালেমের প্যালেস্টাইনী এলাকায় স্কাঙ্ক ট্রাক চালিয়ে এই অস্ত্রের গন্ধ ছড়িয়ে দেওয়া হয়। এতে চারটি স্কুল আক্রান্ত হয় এবং প্রায় ৪৫০০ ছাত্র-ছাত্রী তাদের স্কুল থেকে বাড়িতে থাকতে বাধ্য হয়।

২০১৮ সাল থেকে ইসরায়েল এই অস্ত্রের ব্যবহার শুরু করে আকাশ থেকে। গাজার 'গ্রেট মার্চ অব রিটার্ন' প্রতিবাদে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী 'শোকো' ড্রোন ব্যবহার করে এই অস্ত্রের গন্ধ ছড়িয়ে দেয়।

"আমরা সবাই গাজা সিটিতে জাগ্রত হয়েছি পশু-মলের মতো ঘৃণিত গন্ধের সাথে। ইসরায়েলি দখলদার ড্রোন এই ঘৃণিত গন্ধ ছড়িয়ে দিয়েছে। এমনকি বাতাসটিও দূষিত হয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: গাজা সিটি, পশ্চিম তীর (নিলিন, বিলিন, কাফর কাদুম, নবী সালেহ, হেব্রন, ইস্ট জেরুজালেম), গাজা (গ্রেট মার্চ অব রিটার্ন)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইসরায়েলি পুলিশ সুপারিনটেন্ডেন্ট ডেভিড বেন হারোশ, ফিলিস্তিনি প্রতিবাদীরা, গাজার বাসিন্দারা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৮ বছর বয়সী ফিলিস্তিনি যুবক, ৪৫০০ ছাত্র-ছাত্রী

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖