📌 ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু দাবি করেছেন, দুবাই থেকে ইসরায়েলগামী ফ্লাইডুবাইয়ের বিমানে পাইলট হামলাকারী ইসলামপন্থী মতাদর্শে দীক্ষিত ছিলেন এবং বিমান বিধ্বস্ত করার আত্মঘাতী চেষ্টা করেছিলেন। বিমান সৌদি আরবের তাবুক বিমানবন্দরে নিরাপদে অবতরণ করে
দুবাই থেকে ইসরায়েলগামী ফ্লাইডুবাইয়ের বিমানে হামলাকারী পাইলটের আত্মঘাতী চেষ্টা সম্পর্কে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, ওমানের নাগরিক এই হামলাকারী ইসলামপন্থী উগ্র মতাদর্শে দীক্ষিত ছিলেন এবং বিমান বিধ্বস্ত করার উদ্দেশ্যে আত্মঘাতী হামলা চালিয়েছিলেন। প্রাথমিক তদন্তে এই ধারণা পাওয়া গেছে বলে নেতানিয়াহু ফক্স নিউজকে জানিয়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইসলামপন্থী মতাদর্শে দীক্ষিত হামলাকারী ওমানের নাগরিক, যিনি বিমান বিধ্বস্ত করার চেষ্টা করেছিলেন বলে নেতানিয়াহু দাবি করেছেন।
- 📌 ১৭৪ যাত্রী ও ক্রুর জীবন রক্ষা করায় পাইলট ক্যাপ্টেন স্মিথ মছারকে ইসরায়েল ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী উভয়েই ‘নায়ক’ হিসেবে প্রশংসা করেছেন।
- 📌 সৌদি আরবের তাবুক বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করে বিমানটি, যেখানে দুজন পাইলটকে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
- 📌 ইরানের সম্ভাব্য সংশ্লিষ্টতা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সতর্ক করেছেন, যদি প্রমাণিত হয় তবে ‘অত্যন্ত কঠোর’ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
- 📌 বিমান বিধ্বস্ত করার উদ্দেশ্যে হামলা — ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ তদন্ত চালাচ্ছে এবং ইসরায়েলে পৌঁছানোর পর যাত্রীদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
গত বুধবার দুবাই থেকে ইসরায়েলের তেল আবিবের উদ্দেশে যাত্রা করা ফ্লাইডুবাইয়ের এফজেড১০৭৩ ফ্লাইটটি পথিমধ্যে হঠাৎ ১৭ হাজার ফুটের বেশি নিচে নেমে যায়। বিমানের ককপিটে থাকা প্রধান পাইলটকে সহকারী পাইলট ছুরিকাঘাত করে বিমানের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করেন। পরে যাত্রী ও ক্রুরা হামলাকারীকে কাবু করে বিমানের নিয়ন্ত্রণ ফিরিয়ে নেন। বিমানটি সৌদি আরবের তাবুক বিমানবন্দরে নিরাপদে অবতরণ করে।
নেতানিয়াহু ফক্স নিউজকে বলেন, হামলাকারী ওমানের নাগরিক এবং তিনি বিমান বিধ্বস্ত করার চেষ্টা করেছিলেন। তিনি আরও বলেন, হামলাকারীকে কাবু করার পর বিমান কর্মীরা শুনেছিলেন, ‘আমাকে মেরে ফেলো, আমাকে মেরে ফেলো’ বলে চিৎকার করছিলেন। এ থেকে স্পষ্ট যে তিনি আত্মঘাতী হতে চেয়েছিলেন। নেতানিয়াহু বলেন, হামলাকারীর অতীতের ইসলামপন্থী মতাদর্শের তথ্য মিলিয়ে দেখলে হামলার উদ্দেশ্য সম্পর্কে একটি ধারণা পাওয়া যায়। তবে তিনি এখনও হামলার উদ্দেশ্য সম্পর্কে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে যেতে চান না।
আরব আমিরাতের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা জানিয়েছে, এই ঘটনার সঙ্গে কোনো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের যোগসাজশ আছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু হয়েছে। বিমানটি আরব আমিরাতে নিবন্ধিত হওয়ায় সেখানে তদন্তের এখতিয়ার রয়েছে। সৌদি আরবের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দুজন পাইলটকে চিকিৎসা দেওয়ার পর সকালে আরব আমিরাতে পাঠানো হয়েছে।
ইসরায়েলের পৃথক তদন্তেও প্রাথমিক ইঙ্গিত মিলেছে যে, বিমান বিধ্বস্ত করার উদ্দেশ্যে এই হামলা করা হয়েছিল। ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের নেতৃত্বে পরিচালিত তদন্তে তেল আবিবে পৌঁছানোর পর যাত্রীদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে বলে বিবিসি আরবিকে জানিয়েছেন ইসরায়েলের এক নিরাপত্তা কর্মকর্তা।
"আমাকে মেরে ফেলো, আমাকে মেরে ফেলো" বলে চিৎকার করছিলেন হামলাকারী — নেতানিয়াহু
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দুবাই (উড্ডয়ন), সৌদি আরবের তাবুক বিমানবন্দর (অবতরণ), ইসরায়েলের তেল আবিব (উদ্দেশ্য)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু, পাইলট ক্যাপ্টেন স্মিথ মছার, হামলাকারী ওমানের নাগরিক
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭৪ যাত্রী ও ক্রু, ১৭ হাজার ফুট (বিমানের উচ্চতা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!