📅 ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:৫২ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ইসরায়েলের নির্বাচনের আগে কঠোরতা প্রদর্শনের প্রতিযোগিতা: পশ্চিম তীরে অবৈধ বসতির উদ্বোধন ও জেরুজালেমে ধর্মীয় উত্তেজনা

ইসরায়েলের নির্বাচনের আগে কঠোরতা প্রদর্শনের প্রতিযোগিতা: পশ্চিম তীরে অবৈধ বসতির উদ্বোধন ও জেরুজালেমে ধর্মীয় উত্তেজনা

📷 ছবি: আল জাজিরা

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Al Jazeera ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ইসরায়েলের নির্বাচনের শেষ পর্যায়ে কঠোরতা প্রদর্শনের প্রতিযোগিতায়, সরকারি মন্ত্রীরা পশ্চিম তীরে অবৈধ বসতির উদ্বোধন করেন, প্রধানমন্ত্রী নেটানিয়াহু জাতিসংঘে বক্তৃতা দেন, এবং জেরুজালেমে আল-আকসা মসজিদে ধর্মীয় উত্তেজনা বাড়ে। পশ্চিম তীরে বসতির প্রসার, বাড়ি ধ্বংস ও রাস্তা বন্ধের ফলে তীব্র সংকট দেখা দেয়

ইসরায়েলের নির্বাচনের শেষ পর্যায়ে কঠোরতা প্রদর্শনের প্রতিযোগিতায় রাজনৈতিক উত্তেজনা বেড়ে গেছে। নির্বাচনের আগে সরকারি দলগুলো প্রতিযোগিতায় জড়িয়ে পড়েছে, যেখানে প্রতিটি পদক্ষেপই ভোটারদের মনোযোগ আকর্ষণ করছে। এই সপ্তাহে, মন্ত্রীরা পশ্চিম তীরে একটি অবৈধ বসতির উদ্বোধন করেন, যা একই সাথে নির্বাচনী প্রচারও ছিল। প্রধানমন্ত্রী বেনজামিন নেটানিয়াহু জাতিসংঘের সাধারণ সভায় বক্তৃতা দেন, যখন প্রতিনিধি দলগুলো বক্তৃতা শুনতে বেরিয়ে যায়। এছাড়াও, নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতামার বেন-গভির একটি ভিডিও প্রকাশ করেন, যেখানে তিনি জায়লিত হামাস নেতা হাসান সালামেহকে হত্যা করার হুমকি দেন। অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মট্রিচ পশ্চিম তীরে সেনাবাহিনীকে যুদ্ধে যেতে আহ্বান জানান। এই ঘটনাবলি ঘটে যখন ইহুদি উৎসব সুক্কোতের সময় আল-আকসা মসজিদে বন্ধ ও অভিযান বাড়ে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **পশ্চিম তীরে অবৈধ বসতির উদ্বোধন**: ২৩ সেপ্টেম্বর, ইসরায়েলি মন্ত্রী ও এমপিরা পশ্চিম তীরে নতুন অবৈধ বসতি মেটজোকে এরেটজের উদ্বোধন করেন, যা নেটানিয়াহু সরকারের নেতৃত্বে বসতির প্রসারের প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এই স্থানে ২০২৩ সালে নেটজাহ হারেল বসতি স্থাপিত হয়েছিল, যা ফিলিস্তিনি বেদুইন সম্প্রদায় আল-মুআররাজাত আল-ওয়াসাতের জমিতে তৈরি হয়েছিল।
  • 📌 **বাড়ি ধ্বংস ও বসতির প্রসার**: ইসরায়েলি সরকারের শাসনামলে ১০৪টি অবৈধ বসতি বৈধকরণ করা হয়েছে, যদিও আন্তর্জাতিক আইনে এগুলো অবৈধ। মাসাফের ইয়াত্তা ফিলিস্তিনি সম্প্রদায়ে বাড়ি ধ্বংসের ঘটনা অব্যাহত রয়েছে। ২৩ সেপ্টেম্বর, জিনবা গ্রামে ২৪টি বাড়ি ধ্বংস করা হয়, যার ফলে প্রায় ১৮০ জন, যার মধ্যে ৮০ জন শিশু, বাসস্থান হারায়।
  • 📌 **পশ্চিম তীরে রাস্তা বন্ধ ও যাতায়াতের বাধা**: ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ পশ্চিম তীরের রাস্তা ও গ্রামের প্রবেশপথ বন্ধ করে দেন। রামাল্লাহ, তুরমুস আইয়া, আবউদ, নবি সালেহ, আতারা ও তাইবেহের রাস্তা বন্ধ রাখা হয়। সিনজিলের একমাত্র প্রবেশপথ বন্ধ করে দেওয়া হয়, যার ফলে যানবাহনগুলো জ্যামে পড়ে যায়।
  • 📌 **আম্বুলেন্স বন্ধ ও রোগীদের পরিবহনের বাধা**: ২৪ সেপ্টেম্বর, আতারা চেকপয়েন্টে সেনারা আম্বুলেন্সের যাতায়াত বন্ধ করে দেন। ফিল্ড অ্যাক্টিভিস্ট আয়েদ জাফরি ও ফিদা বারঘুথি জানান, রোগীদের পরিবহন করতে বাধ্য হন বেসরকারী গাড়ি ব্যবহার করে এবং চেকপয়েন্টে রোগীদের হস্তান্তর করতে হয়।
  • 📌 **জেরুজালেমে আল-আকসা মসজিদে ধর্মীয় উত্তেজনা**: ফার-রাইট রাব্বি ইয়েহুদা গ্লিকের নেতৃত্বে একটি দল আল-আকসা মসজিদে ধর্মীয় অনুষ্ঠান করে। সুক্কোত উৎসবের সময় হাজারো বসতি স্থাপনকারীরা মসজিদে প্রবেশ করে, যা উত্তেজনা বাড়ায়।
  • 📌 **পশ্চিম তীরে বসতিরা ফলিত গাছের গাছপালা ধ্বংস**: বসতিরা বেইত উর আল-ফাউকা, নবি সালেহ ও বেইত রিমা গ্রামে শত শত বছর পুরনো গাছ ধ্বংস করে। নবি সালেহের ঘটনাটি নিরাপত্তা মন্ত্রণালয় বলেছে, এটি একটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, যা হালামিশ বসতির কাছে একজন বসতিরা হত্যার সাথে সম্পর্কিত।

📰 বিস্তারিত

ইসরায়েলের নির্বাচনের শেষ পর্যায়ে, সরকারি দলগুলো প্রতিযোগিতায় জড়িয়ে পড়েছে। এই সপ্তাহে, ইসরায়েলি মন্ত্রীরা পশ্চিম তীরে একটি নতুন অবৈধ বসতি মেটজোকে এরেটজের উদ্বোধন করেন। এই বসতিটি নেটজাহ হারেলের স্থানে নির্মিত হয়েছে, যা ২০২৩ সালে তৈরি হয়েছিল। এই বসতির স্থানে ফিলিস্তিনি বেদুইন সম্প্রদায় আল-মুআররাজাত আল-ওয়াসাতের জমি ছিল। এই বসতির উদ্বোধন নির্বাচনী প্রচারের অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যেখানে মন্ত্রীরা দাবি করেন যে শুধুমাত্র নেটানিয়াহু সরকারই বসতির প্রসারের জন্য দায়িত্বশীল।

বসতির প্রসারের পাশাপাশি, ইসরায়েলি সেনাবাহিনী পশ্চিম তীরে বাড়ি ধ্বংসের কাজ অব্যাহত রাখে। মাসাফের ইয়াত্তা ফিলিস্তিনি সম্প্রদায়ে বাড়ি ধ্বংসের ঘটনা বেড়ে যায়। ২৩ সেপ্টেম্বর, জিনবা গ্রামে ২৪টি বাড়ি ধ্বংস করা হয়, যার ফলে প্রায় ১৮০ জন, যার মধ্যে ৮০ জন শিশু, বাসস্থান হারায়। এই ঘটনায় ইসরায়েলি মানবাধিকার সংস্থা ব’তসেলেমের তথ্য অনুযায়ী, এই ঘটনাগুলো অবৈধ এবং মানবাধিকার লঙ্ঘন।

ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ পশ্চিম তীরের রাস্তা ও গ্রামের প্রবেশপথ বন্ধ করে দেন। রামাল্লাহ, তুরমুস আইয়া, আবউদ, নবি সালেহ, আতারা ও তাইবেহের রাস্তা বন্ধ রাখা হয়। সিনজিলের একমাত্র প্রবেশপথ বন্ধ করে দেওয়া হয়, যার ফলে যানবাহনগুলো জ্যামে পড়ে যায়। ফিলিস্তিনি সংবাদ সংস্থা ওয়াফা জানায়, এই ঘটনাগুলো "তীব্র ও অপ্রত্যাশিত"।

২৪ সেপ্টেম্বর, আতারা চেকপয়েন্টে সেনারা আম্বুলেন্সের যাতায়াত বন্ধ করে দেন। ফিল্ড অ্যাক্টিভিস্ট আয়েদ জাফরি ও ফিদা বারঘুথি জানান, রোগীদের পরিবহন করতে বাধ্য হন বেসরকারী গাড়ি ব্যবহার করে এবং চেকপয়েন্টে রোগীদের হস্তান্তর করতে হয়। এই ঘটনাগুলো ফিলিস্তিনি জনগণের জন্য অত্যন্ত কষ্টকর হয়ে দাঁড়ায়।

"severe and unprecedented"

জেরুজালেমে, আল-আকসা মসজিদে ধর্মীয় উত্তেজনা বাড়ে। ফার-রাইট রাব্বি ইয়েহুদা গ্লিকের নেতৃত্বে একটি দল আল-আকসা মসজিদে ধর্মীয় অনুষ্ঠান করে। সুক্কোত উৎসবের সময় হাজারো বসতি স্থাপনকারীরা মসজিদে প্রবেশ করে, যা উত্তেজনা বাড়ায়। এই ঘটনাগুলো ফিলিস্তিনি জনগণের জন্য অত্যন্ত কষ্টকর হয়ে দাঁড়ায় এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নজর আকর্ষণ করে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: পশ্চিম তীর, জেরুজালেম, আল-আকসা মসজিদ, রামাল্লাহ, তুরমুস আইয়া, নবি সালেহ, আতারা, তাইবেহ, জিনবা, বেইত উর আল-ফাউকা, নবি সালেহ, বেইত রিমা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বেনজামিন নেটানিয়াহু, ইতামার বেন-গভির, বেজালেল স্মট্রিচ, ইয়েহুদা গ্লিক, আয়েদ জাফরি, ফিদা বারঘুথি
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০৪টি অবৈধ বসতি, ২৪টি বাড়ি ধ্বংস, ১৮০ জন বাসস্থান হারানো (৮০ জন শিশু)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖