📅 ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫৯ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ইসরায়েলের নির্বাচনে নেতানিয়াহু: ট্রাম্পের সমর্থন ও গাজা-ইরান যুদ্ধে নেতৃত্বে টিকে থাকার লড়াই

ইসরায়েলের নির্বাচনে নেতানিয়াহু: ট্রাম্পের সমর্থন ও গাজা-ইরান যুদ্ধে নেতৃত্বে টিকে থাকার লড়াই

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু মঙ্গলবার নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থন ও গাজা ও ইরানে যুদ্ধে নেতৃত্বের ওপর ভর করে ক্ষমতায় টিকে থাকার চেষ্টা করছেন। নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের জন্য ৬১টি আসন জিততে হবে, যেখানে নেসেটে মোট ১২০টি আসন রয়েছে।

মঙ্গলবার ইসরায়েলের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক সৃষ্টি হবে। দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু তার ২০ বছরের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। তার সামনে দুটি প্রধান বিষয় — যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রকাশ্য সমর্থন এবং গাজা ও ইরানে চলমান যুদ্ধে নেতৃত্ব প্রদান। এই দুই বিষয়ই তার ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য অপরিহার্য বলে মনে করছেন তিনি।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মঙ্গলবার ইসরায়েলে নেসেট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে ৭৩ লাখ ভোটার অংশ নেবেন।
  • 📌 নেতানিয়াহু লিকুদ পার্টি ও কট্টর ডানপন্থী জোটসঙ্গীদের (বেন-গভির ও স্মোত্রিচ) সমর্থনে ক্ষমতায় টিকে থাকার চেষ্টা করছেন।
  • 📌 নির্বাচনে জিতলে ৬১টি আসন জিততে হবে, যেখানে মোট আসন সংখ্যা ১২০।
  • 📌 নেতানিয়াহু গাজা ও ইরানে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার ও ট্রাম্পের সমর্থনকে নির্বাচনী প্রচারের মূল বিষয় হিসেবে ব্যবহার করছেন।
  • 📌 বিরোধী দলের নেতা গাদি আইজেনকট নেতানিয়াহুকে অভিযুক্ত করেছেন ভীতি ও মিথ্যাচার ছড়ানোর জন্য।
  • 📌 নির্বাচনে অংশ নেবেন নাফতালি বেনেট ও ইয়ার লাপিদসহ অন্যান্য প্রধানমন্ত্রী প্রার্থীরা।

📰 বিস্তারিত

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর থেকে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু গাজা ও ইরানে যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছেন। এই যুদ্ধগুলো তাকে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে একাকী করে দিয়েছে। নির্বাচনের আগে জনমত জরিপগুলো দেখাচ্ছে, নেতানিয়াহুর ওপর চাপ রয়েছে। তিনি লিকুদ পার্টির নেতা হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। তার জোটসঙ্গী কট্টর ডানপন্থী ইতামার বেন-গভিরের জিউইশ পাওয়ার পার্টি ও বেজালেল স্মোত্রিচের রিলিজিয়াস জায়োনিজম পার্টির সমর্থন নিয়ে তিনি নির্বাচনী লড়াইয়ে নেমেছেন। বেন-গভির জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী এবং স্মোত্রিচ অর্থমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

বিরোধী শিবিরের নেতা গাদি আইজেনকট, যিনি ইসরায়েলের সামরিক বাহিনীর সাবেক চিফ অব স্টাফ, ডানপন্থী ও মধ্যপন্থী উভয় শিবিরের সমর্থন পাচ্ছেন। আইন অনুযায়ী, ইসরায়েলের ভোটাররা সরাসরি প্রধানমন্ত্রীকে ভোট দেন না, বরং দলকে ভোট দেন। প্রতিটি দলের প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশিত হয় এবং ভোটের অনুপাতে আসন বণ্টন হয়। নেসেটে ঢুকতে দলকে অন্তত ৩.২৫ শতাংশ ভোট পেতে হয়।

নেতানিয়াহু তার নির্বাচনী প্রচারে দুটি বিষয়কে কেন্দ্রীয় করে রেখেছেন: যুদ্ধের সময় তার নেতৃত্ব এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থন। তিনি বলেছেন, ট্রাম্প ইরানের হুমকিকে চিরতরে মুখে ফেলার জন্য আবারও পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত আছেন, যদি তিনি ক্ষমতায় থাকেন। অন্যদিকে, গাদি আইজেনকট নেতানিয়াহুকে অভিযুক্ত করেছেন ভীতি ছড়ানোর ও মিথ্যাচার ছড়ানোর ওপর নির্ভর করার জন্য। তিনি বলেছেন, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ট্রাম্প পূর্ণ সহযোগিতার ভিত্তিতে কাজ করবেন।

"প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানের হুমকিকে ‘চিরতরে মুখে ফেলার’ জন্য আবারও পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত আছেন। সেটা তখনই সম্ভব হবে, যদি আমি ক্ষমতায় থাকি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ইসরায়েল (নেসেট নির্বাচন), গাজা, ইরান
  • 👥 মুখ্য ব্যক্তি: বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু, গাদি আইজেনকট, ডোনাল্ড ট্রাম্প, ইতামার বেন-গভির, বেজালেল স্মোত্রিচ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭৩ লাখ ভোটার, ১২০টি আসন, ৬১টি আসন (সंख্যাগরিষ্ঠতা), ৩.২৫ শতাংশ (নেসেটে ঢুকতে প্রয়োজনীয় ভোট)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖