📌 ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ইসরায়েলগামী ফ্লাইটে হামলাকারী সহকারী পাইলটের প্রতিরোধে ৯/১১-এর মতো বিপর্যয় এড়ানো হয়েছিল। তিনি ইরানের সম্ভাব্য জড়িত থাকার বিষয়ে তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন এবং সৌদি আরবে আটক সহকারী পাইলটের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ৯/১১-এর মতো বিপর্যয় এড়ানোর চেষ্টা হিসেবে বর্ণনা করেছেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই থেকে ইসরায়েলগামী ফ্লাইটে হামলাকারী সহকারী পাইলটের প্রতিরোধকে। তিনি জানিয়েছেন, হামলাকারী সহকারী পাইলটের বিরুদ্ধে প্রধান পাইলটের প্রতিরোধই ছিল উড়োজাহাজে সন্ত্রাসী হামলার চেষ্টা থেকে বাঁচার কারণ।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু বলেছেন, হামলাকারী সহকারী পাইলটের প্রতিরোধে ৯/১১-এর মতো বিপর্যয় এড়ানো হয়েছিল এবং ঘটনায় "ভালো মানুষেরাই জিতেছে"।
- 📌 ইরানের সম্ভাব্য জড়িত থাকার বিষয়ে তদন্ত চলছে, সন্দেহভাজন সহকারী পাইলটকে সৌদি আরবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
- 📌 নেতানিয়াহু জানান, হামলাকারী সহকারী পাইলটের "শিকড়" পর্যন্ত খুঁজে বের করা হবে এবং ইরানের ভূমিকা সম্পর্কে তদন্তের ফলাফল আশা করা যাচ্ছে।
- 📌 সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদের সঙ্গে নেতানিয়াহু কথা বলেছেন এবং ইসরায়েলও তদন্তে অংশ নেবার বিষয় বিবেচনা করছে।
- 📌 ফ্লাইটে হামলাকারী সহকারী পাইলট প্রধান পাইলটকে ছুরিকাঘাত করার পর মাত্র ৩০ সেকেন্ডেরও কম সময়ে উড়োজাহাজটি প্রায় ১৪ হাজার ফুট নিচে নেমে যায়। পরে যাত্রী ও ক্রুরা হামলাকারীকে কাবু করে উড়োজাহাজকে সৌদি আরবের তাবুক বিমানবন্দরে নিরাপদে অবতরণ করা হয়।
📰 বিস্তারিত
গতকাল বুধবার সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু বলেন, উড়োজাহাজে থাকা প্রধান পাইলট হামলাকারী সহকারী পাইলটের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন। তিনি মনে করেন, এই প্রতিরোধই ছিল ৯/১১-এর মতো বিপর্যয় এড়ানোর চেষ্টা। নেতানিয়াহু আরও বলেন, এই ঘটনায় ভালো মানুষেরাই জিতেছে। তিনি জানান, এই ঘটনাটি শুধু ইসরায়েলের জন্য বিপর্যয় ডেকে আনতে পারত না, বিশ্বব্যাপী উড়োজাহাজ চলাচলের ওপরও এর বড় প্রভাব পড়তে পারত।
হামলার পেছনে ইরানের কোনো ভূমিকা ছিল কি না, তা জানতে চাইলে নেতানিয়াহু বলেন, এখনই এ বিষয়ে কিছু বলা যাচ্ছে না। তিনি জানান, হামলায় জড়িত সন্দেহভাজন সহকারী পাইলটকে বর্তমানে সৌদি আরবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। নেতানিয়াহু বলেন, হামলাকারীর ‘শিকড়’ পর্যন্ত খুঁজে বের করা হবে। তাঁর কোনো সহযোগী ছিল কি না এবং ইরান এ ঘটনার পেছনে ছিল কি না, তা তদন্তে বেরিয়ে আসবে বলে আশা করছেন তিনি।
নেতানিয়াহু বলেন, হামলাকারী সহকারী পাইলটকে পরে সংযুক্ত আরব আমিরাতে নেওয়া হতে পারে, কারণ তিনি সেখান থেকেই ফ্লাইটে উঠেছিলেন। ইসরায়েল এ তদন্তে সম্ভবত অংশ নেবে বলেও জানান তিনি। এর আগে ইসরায়েলি কর্মকর্তারা জানিয়েছিলেন, ফ্লাইদুবাইয়ের এফজেড ১০৭৩ ফ্লাইটের সহকারী পাইলট প্রধান পাইলটকে ছুরিকাঘাত করার পর মাত্র ৩০ সেকেন্ডেরও কম সময়ে উড়োজাহাজটি প্রায় ১৪ হাজার ফুট নিচে নেমে যায়। পরে উড়োজাহাজে থাকা যাত্রী ও ক্রুরা ককপিটে ঢুকে হামলাকারী সহকারী পাইলটকে কাবু করেন। উড়োজাহাজে থাকা আরও দুজন পাইলটের সহায়তায় সেটিকে সৌদি আরবের তাবুক বিমানবন্দরে নিরাপদে অবতরণ করা হয়।
নেতানিয়াহু বলেন, ঘটনার আগে ইসরায়েলের কাছে কোনো সতর্কবার্তা বা গোয়েন্দা তথ্য ছিল না। তিনি জানান, সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলেছেন। আরব আমিরাতের পক্ষ থেকে তদন্তে যোগ দেওয়ার বিষয়ে সম্মতি দেওয়া হয়েছে। ইসরায়েলও তদন্তে অংশ নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে। ইসরায়েল এরই মধ্যে ঘটনাটিকে সন্ত্রাসী হামলার চেষ্টা হিসেবে বর্ণনা করেছে। তবে হামলাকারীর উদ্দেশ্য সম্পর্কে বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
"এ ঘটনায় ভালো মানুষেরাই জিতেছে। এ ঘটনাটি শুধু ইসরায়েলের জন্য বিপর্যয় ডেকে আনতে পারত না, বিশ্বব্যাপী উড়োজাহাজ চলাচলের ওপরও এর বড় প্রভাব পড়তে পারত।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সংযুক্ত আরব আমিরাত (দুবাই), ইসরায়েল (তেল আবিব), সৌদি আরব (তাবুক বিমানবন্দর)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু (ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী), ডোনাল্ড ট্রাম্প (মার্কিন প্রেসিডেন্ট), শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ (সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ সেকেন্ড, ১৪ হাজার ফুট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!