📅 ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:২৮ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

আইএসরায়েলের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে পশ্চিম তীরের ফিলিস্তিনি বাসিন্দাদের বাড়ি ধ্বংস: গবেষকদের সতর্কতা

আইএসরায়েলের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে পশ্চিম তীরের ফিলিস্তিনি বাসিন্দাদের বাড়ি ধ্বংস: গবেষকদের সতর্কতা

📷 ছবি: আল জাজিরা

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Al Jazeera ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 আইএসরায়েল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে পশ্চিম তীরের ফিলিস্তিনি সম্প্রদায়ের বাড়ি ধ্বংসের কাজে লাগাচ্ছে। গবেষক ও মানবাধিকার কর্মীরা জানান, আইএসরায়েলের 'আইমিসাইট' নামের একটি প্রযুক্তি বেডুইন সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে প্রথমে ব্যবহৃত হয়, পরে তা পশ্চিম তীরে প্রসারিত হয়েছে। ফিলিস্তিনি প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, এখন স্যাটেলাইট থেকে সরাসরি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে ধ্বংসের নির্দেশনা দেওয়া হয়

আইএসরায়েলের সামরিক বাহিনী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) প্রযুক্তি ব্যবহার করে পশ্চিম তীরের ফিলিস্তিনি সম্প্রদায়ের বাড়ি ধ্বংসের কাজে লাগিয়ে চলেছে। গবেষক ও মানবাধিকার কর্মীরা জানান, এই প্রযুক্তি ফিলিস্তিনি সম্প্রদায়ের বসতিগুলোকে 'অনুমোদিত' থেকে 'অনুমোদিত নয়' হিসেবে চিহ্নিত করে বুলডোজারকে নির্দেশ দেয়। তুরস্কের প্যালডিজিটাল মিডিয়া রিপোর্ট করেছে, আইএসরায়েলের 'আইমিসাইট' নামের একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-ভিত্তিক প্রযুক্তি বেডুইন ফিলিস্তিনি সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে প্রথমে নেগেভ মরুভূমিতে ব্যবহৃত হয়েছিল, পরে তা পশ্চিম তীরে প্রসারিত হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 আইএসরায়েলের 'আইমিসাইট' প্রযুক্তি বেডুইন ফিলিস্তিনি সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে প্রথমে নেগেভ মরুভূমিতে ব্যবহৃত হয়েছিল, পরে পশ্চিম তীরে প্রসারিত হয়েছে।
  • 📌 পশ্চিম তীরে ২০২৫ সালের এপ্রিলে 'ইসরায়েল ল্যান্ড অথরিটি' একটি বিশেষ এক্সপ্লোরেশন ইউনিট গঠন করে, যারা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে ফিলিস্তিনি সম্প্রদায়ের বাড়ি ধ্বংসের কাজে লাগে।
  • 📌 ফিলিস্তিনি প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ খালেদ সাফি বলেছেন, স্যাটেলাইট থেকে সরাসরি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে ধ্বংসের নির্দেশনা দেওয়া হয়, যা 'এজ কম্পিউটিং' নামে পরিচিত।
  • 📌 ফিলিস্তিনি বসতিগুলোতে বাড়ি নির্মাণের জন্য অনুমতি পাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। আইএসরায়েলের এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে বাড়ি নির্মাণের 'অনুমোদিত' থেকে 'অনুমোদিত নয়' হিসেবে চিহ্নিত করে ধ্বংসের নির্দেশ দেয়া হয়।
  • 📌 ফিলিস্তিনি বসতির বিরুদ্ধে এই প্রযুক্তি ব্যবহারকে 'অনেকরণের পদক্ষেপ' হিসেবে বর্ণনা করেছেন ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ কমিশনের প্রধান আমির দাউদ।

📰 বিস্তারিত

আইএসরায়েলের সামরিক বাহিনী গাজা যুদ্ধে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে লক্ষ লক্ষ ফিলিস্তিনি নিহতের দায়ে আক্রান্ত হয়েছে। এখন তারা পশ্চিম তীরের ফিলিস্তিনি সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধেও এই প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। তুরস্কের প্যালডিজিটাল মিডিয়া জানিয়েছে, আইএসরায়েলের 'আইমিসাইট' নামের একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-ভিত্তিক প্রযুক্তি বেডুইন ফিলিস্তিনি সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে প্রথমে নেগেভ মরুভূমিতে ব্যবহৃত হয়েছিল। এই সম্প্রদায়ের অনেকেই আইএসরায়েলের সরকারি স্বীকৃতি পায়নি এবং তাদের বাড়ি নির্মাণের জন্য অনুমতি পাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। আইএসরায়েলের এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে বাড়ি নির্মাণের 'অনুমোদিত' থেকে 'অনুমোদিত নয়' হিসেবে চিহ্নিত করে বুলডোজারকে নির্দেশ দেয়া হয়।

২০২৫ সালের এপ্রিলে আইএসরায়েলের 'ইসরায়েল ল্যান্ড অথরিটি' একটি বিশেষ এক্সপ্লোরেশন ইউনিট গঠন করে। এই ইউনিটের কাজ হলো পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনি সম্প্রদায়ের বাড়ি ধ্বংসের কাজে লাগানো। ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ কমিশনের প্রধান আমির দাউদ বলেছেন, এই ইউনিটের গঠন একটি 'অনেকরণের পদক্ষেপ'। তিনি বলেন, "আমরা বলছি, নেগেভে ফিলিস্তিনি সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে পরীক্ষা করা একটি নিরীক্ষণ ও বিতাড়ন মডেলকে পশ্চিম তীরে প্রসারিত করা হয়েছে। এই ইউনিটের গঠন একটি রাজনৈতিক বিপদ সৃষ্টি করেছে। এটি একটি আক্রমণাত্মক পদক্ষেপ, যেখানে আইএসরায়েলের একটি সিভিলিয়ান সরকারি সংস্থা সরাসরি দখলকৃত অঞ্চলে কাজ করছে।"

ফিলিস্তিনি প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ খালেদ সাফি আল জাজীরার সাথে কথা বলেন, তিনি বলেন যে, স্যাটেলাইট থেকে সরাসরি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে ধ্বংসের নির্দেশনা দেওয়া হয়। তিনি বলেন, "যখন শক্তিশালী কম্পিউটার চিপ এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা অ্যালগরিদম স্যাটেলাইটের ভিতরে ব্যবহার করা হয়, তখন স্যাটেলাইটকে একটি 'এজ কম্পিউটিং টার্মিনাল' হিসেবে কাজ করতে দেখা যায়। এটি চিত্র ধারণ করে, বিশ্লেষণ করে, পরিবর্তন ও গুরুত্বপূর্ণ বস্তু চিহ্নিত করে এবং তারপর গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পৃথিবীতে পাঠায়।"

"এই ইউনিটের গঠন একটি 'অনেকরণের পদক্ষেপ'। আমরা বলছি, নেগেভে ফিলিস্তিনি সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে পরীক্ষা করা একটি নিরীক্ষণ ও বিতাড়ন মডেলকে পশ্চিম তীরে প্রসারিত করা হয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: পশ্চিম তীর, নেগেভ মরুভূমি, ফিলিস্তিনি বসতিগুলো
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আমির দাউদ (ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ কমিশনের প্রধান), খালেদ সাফি (ফিলিস্তিনি প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫ জন (বেলারুস থেকে মুক্তিপ্রাপ্ত রাজনৈতিক বন্দী)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖