📅 ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৫:০১ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ইসলামি তহবিলের ১৩ কোটি ডলার বিনিয়োগ: ইসরায়েলের গণহত্যা-সহায়ক কোম্পানিগুলোতে গাজায় অর্থের গতি

ইসলামি তহবিলের ১৩ কোটি ডলার বিনিয়োগ: ইসরায়েলের গণহত্যা-সহায়ক কোম্পানিগুলোতে গাজায় অর্থের গতি

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 যুক্তরাজ্যের ইসলামি তহবিল ৫টি ইসরায়েল-সম্পর্কিত কোম্পানিতে ১৩ কোটি ডলার বিনিয়োগ করেছে, যা গাজায় ইসরায়েলি গণহত্যায় সহায়তা করছে বলে অভিযোগ করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা প্রশ্ন তুলেছেন যে কীভাবে এই বিনিয়োগ শরিয়াহের নীতিমালা মেনে চলেছে?

যুক্তরাজ্যের ইসলামি শরিয়াসম্মত সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ তহবিল ৫টি ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর সঙ্গে সম্পর্কিত প্রতিষ্ঠানে ১৩ কোটি ৩৫ লাখ ডলার বিনিয়োগ করেছে, যা গাজায় ইসরায়েলি গণহত্যায় সহায়তা করছে বলে অভিযোগ করা হচ্ছে। এই বিনিয়োগের তথ্য প্রকাশের পর ইসলামি অর্থব্যবস্থার বিশেষজ্ঞরা প্রশ্ন তুলেছেন যে কীভাবে এই তহবিল শরিয়াহের নীতিমালা মেনে চলেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ১৩ কোটি ৩৫ লাখ ডলার বিনিয়োগ করেছে যুক্তরাজ্যের ইসলামি তহবিল ৫টি ইসরায়েল-সম্পর্কিত কোম্পানিতে, যা গাজায় ইসরায়েলি সামরিক কার্যক্রমে সহায়তা করছে বলে অভিযোগ করা হচ্ছে
  • 📌 প্যালান্টির কোম্পানিতে বিনিয়োগ হয়েছে ৩ কোটি ৮৩ লাখ ডলার, যা ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কৌশলগত অংশীদারিত্ব ঘোষণা করেছে
  • 📌 ৮০০ কোটি ডলারেরও বেশি সম্পদ রয়েছে এইচএসবিসির ইসলামিক গ্লোবাল ইকুইটি ইনডেক্স ফান্ডে, যার অধিকাংশ বিনিয়োগকারী মুসলিম
  • 📌 ইসলামি কমিটি শরিয়াহসম্মত বিনিয়োগ নিশ্চিত করার দায়িত্বে থাকলেও, সামরিক সরঞ্জামের সঙ্গে যুক্ত কোম্পানিগুলো কীভাবে বিনিয়োগের শর্ত মেনে চলেছে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে

📰 বিস্তারিত

ইসলামি অর্থব্যবস্থার বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শরিয়াহসম্মত বিনিয়োগের ক্ষেত্রে কোনো কোম্পানির প্রধান ব্যবসার ধরন যাচাই করা যথেষ্ট নয়। বরং তাদের পণ্য কোথায় এবং কী উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হচ্ছে, সেটিও বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন। এইচএসবিসির ইসলামিক গ্লোবাল ইকুইটি ইনডেক্স ফান্ডের বিনিয়োগকারীদের অধিকাংশই মুসলিম। এই তহবিলের ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, বিনিয়োগ থেকে মুনাফা অর্জনের পাশাপাশি সামগ্রিক সমাজের জন্য ভালো ফলাফল বয়ে আনার লক্ষ্য নিয়ে পরিচালিত হয়।

৫টি কোম্পানির মধ্যে রয়েছে প্যালান্টির (যুক্তরাষ্ট্রের তথ্য বিশ্লেষণ ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি কোম্পানি), আরটিএক্স (প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম নির্মাতা), অ্যানালগ ডিভাইসেস (সেমিকন্ডাক্টর কোম্পানি), হানিওয়েল (প্রযুক্তি ও প্রকৌশল প্রতিষ্ঠান) এবং রোলস-রয়েস (ব্রিটিশ ইঞ্জিন নির্মাতা)। এসব কোম্পানির পণ্য, প্রযুক্তি বা সরবরাহব্যবস্থার সঙ্গে ইসরায়েলি সামরিক কার্যক্রমের সম্পর্ক রয়েছে বলে আল জাজিরার প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে এইচএসবিসির তহবিল প্যালান্টিরের শেয়ার কিনতে ৩ কোটি ৮৩ লাখ ডলার বিনিয়োগ করেছে। প্যালান্টিরের সফটওয়্যার ব্যবহার করে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী তথ্য বিশ্লেষণ এবং অভিযানসংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নিচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। জাতিসংঘের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গাজায় যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে প্যালান্টির ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর প্রতি সহায়তা বাড়িয়েছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, কোম্পানিটি স্বয়ংক্রিয় পূর্বাভাসভিত্তিক পুলিশিং প্রযুক্তি সরবরাহ করেছে, যা যুদ্ধক্ষেত্রে স্বয়ংক্রিয় সিদ্ধান্ত গ্রহণে ব্যবহৃত হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

"কোনো কোম্পানির প্রধান ব্যবসার ধরন যাচাই করাই যথেষ্ট নয়; তার পণ্য কোথায় এবং কী উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হচ্ছে, সেটিও বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: যুক্তরাজ্য, ইসরায়েল, গাজা, দক্ষিণ লেবানন, যুক্তরাষ্ট্র
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইসলামি অর্থব্যবস্থার বিশেষজ্ঞরা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৩ কোটি ৩৫ লাখ ডলার বিনিয়োগ, ৮০০ কোটি ডলার সম্পদ, ৩ কোটি ৮৩ লাখ ডলার প্যালান্টিরে বিনিয়োগ

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖