📌 ইরাকের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় জানিয়েছে, আমেরিকার নিষেধাজ্ঞা থেকে কিছু বিমানবন্দরকে মুক্তি দিলে মানবিক কারণে ইরানের সাথে বিমান চলাচল পুনরায় শুরু হবে। ইরাক-ইরান সীমান্তে শিয়া মুসলিমদের যাতায়াত বন্ধের কারণে ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত পাদযাত্রা করতে হচ্ছে
ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলি আল-জায়েদির কার্যালয়ের বিবৃতি অনুযায়ী, আমেরিকার ইরানীয় বিমান সংস্থাগুলোর বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা থেকে কিছু বিমানবন্দরকে মুক্তি দিলে মানবিক কারণে ইরানের সাথে বিমান চলাচল পুনরায় শুরু হবে। ইরাকের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বাগদাদ বিমানবন্দরকে আমেরিকার নিষেধাজ্ঞা থেকে মুক্তি দিলে মানবিক কারণে যেমন চিকিৎসা, শিক্ষা, ধর্মীয় ভ্রমণ ও সাধারণ নাগরিকদের সুবিধার জন্য বিমান চলাচল পুনরায় শুরু করা যেতে পারে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **ইরাকের চারটি বিমানবন্দর** (বাগদাদ, নাজাফ, এরবিল ও সুলাইমানিয়া) থেকে ইরানের সাথে বিমান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।
- 📌 **১২ ঘণ্টা পাদযাত্রা** করতে হচ্ছে যাত্রীদের, যারা ইরানের সাথে বিমান চলাচল বন্ধের কারণে সীমান্ত পার হয়ে যাতায়াত করছে।
- 📌 **ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলি আল-জায়েদি** বলেছেন, “বিষয়টি অব্যাহত থাকলে আরও জটিল পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে”।
- 📌 **নাজাফের হাওজা** (শিয়া বিশ্ববিদ্যালয়) থেকে শিক্ষক ও ছাত্ররা প্রতিবাদ জানিয়েছেন এবং বলেছেন, “এই সময়ে অঞ্চলের লোকজন ভ্রাতৃত্বের বন্ধন মজবুত করার সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন।”
- 📌 **ইরাকের তেহরান দূতাবাসের দূত ইয়াসের আল-হাজ্জাজ** বলেছেন, “বিমান চলাচল বন্ধের সময়কাল অস্থায়ী এবং দুই দেশের সম্পর্কের উপর প্রভাব ফেলবে না।”
- 📌 **ইরানের দূত মোহাম্মদ কাজেম আল-সাদেক** বলেছেন, “দুই দেশের কর্তৃপক্ষ যোগাযোগে আছে এবং বিমান চলাচলের নতুন সিদ্ধান্তের ঘোষণা দ্রুত করা হবে।”
- 📌 **আল জাজেরার প্রতিবেদক জ্যাক হিউসন** বলেছেন, “ইরাক আমেরিকা ও ইরানের মাঝে চাপা পড়েছে। কেউ ইরানকে দোষারোপ করে, কেউ বলছে আমেরিকা ও ইসরায়েলই প্রথমে যুদ্ধ শুরু করেছে। যেকোনোভাবে ইরাক এখনও এই শক্তিশালী ও প্রভাবশালী রাষ্ট্রগুলির মাঝে একটি খুব সংবেদনশীল অবস্থানে রয়েছে।”
📰 বিস্তারিত
ইরাকের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বাগদাদ বিমানবন্দরকে আমেরিকার নিষেধাজ্ঞা থেকে মুক্তি দিলে মানবিক কারণে যেমন চিকিৎসা, শিক্ষা, ধর্মীয় ভ্রমণ ও সাধারণ নাগরিকদের সুবিধার জন্য বিমান চলাচল পুনরায় শুরু করা যেতে পারে। ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলি আল-জায়েদির কার্যালয়ের বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, “বিষয়টি অব্যাহত থাকলে আরও জটিল পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে”। তারা সবাইকে আলোচনা ও আলাপচারিতার মাধ্যমে বর্তমান সংকট ও সংঘাত সমাধানের জন্য আহ্বান জানিয়েছে।
বাগদাদ, নাজাফ, এরবিল ও সুলাইমানিয়া বিমানবন্দর থেকে ইরানের সাথে বিমান চলাচল বন্ধের কারণে যাত্রীদের ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত পাদযাত্রা করতে হচ্ছে। ইরাক ও ইরান উভয় দেশই শিয়া সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ, এবং বিশেষত নাজাফের বিমানবন্দর থেকে ইরানের পবিত্র শহর বা ইরানীয়দের ইরাকের পবিত্র স্থানগুলোতে যাতায়াত বন্ধের কারণে বিশেষ প্রভাব পড়েছে।
শনিবার বাগদাদের সড়কে ইরান-সমর্থিত ইরাকী মিলিশিয়া দ্বারা সংগঠিত একটি প্রতিবাদে হাজারো মানুষ অংশ নিয়েছে। নাজাফের হাওজা থেকে শিক্ষক ও ছাত্ররা শনিবার রাতে ইরানের সাথে বিমান চলাচল বন্ধের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছে। শাফাক নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হাওজার শিক্ষকদের সমিতি বলেছে, “এই সময়ে অঞ্চলের লোকজন ভ্রাতৃত্বের বন্ধন মজবুত করার সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন”। তারা সরকারকে বলেছে, “ইরাকের সার্বভৌম ও স্বাধীন সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা বজায় রাখতে হবে”।
ইরাকের তেহরান দূত ইয়াসের আল-হাজ্জাজ বলেছেন, “বিমান চলাচল বন্ধের সময়কাল অস্থায়ী এবং দুই দেশের সম্পর্কের উপর প্রভাব ফেলবে না”। তিনি বলেছেন, ইরাকের সাথে ইরানের সম্পর্ক “১০০,০০০ ইরাকী ছাত্রদের ইরানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়ন, হাজার হাজার ইরাকী ইরানে বসবাসকারী এবং দৈনিক সীমান্ত পার হয়ে যাতায়াতকারীদের কারণে অত্যন্ত গভীর”।
ইরানের দূত মোহাম্মদ কাজেম আল-সাদেক বলেছেন, “দুই দেশের কর্তৃপক্ষ যোগাযোগে আছে এবং বিমান চলাচলের নতুন সিদ্ধান্তের ঘোষণা দ্রুত করা হবে”। আল জাজেরার প্রতিবেদক জ্যাক হিউসন বলেছেন, “ইরাক আমেরিকা ও ইরানের মাঝে চাপা পড়েছে। কেউ ইরানকে দোষারোপ করে, কেউ বলছে আমেরিকা ও ইসরায়েলই প্রথমে যুদ্ধ শুরু করেছে। যেকোনোভাবে ইরাক এখনও এই শক্তিশালী ও প্রভাবশালী রাষ্ট্রগুলির মাঝে একটি খুব সংবেদনশীল অবস্থানে রয়েছে।”
"মানবিক কারণে যেমন চিকিৎসা, শিক্ষা, ধর্মীয় ভ্রমণ ও সাধারণ নাগরিকদের সুবিধার জন্য বিমান চলাচল পুনরায় শুরু করা যেতে পারে"
"বিষয়টি অব্যাহত থাকলে আরও জটিল পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে"
"এই সময়ে অঞ্চলের লোকজন ভ্রাতৃত্বের বন্ধন মজবুত করার সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাগদাদ, নাজাফ, এরবিল, সুলাইমানিয়া (ইরাক), তেহরান (ইরান)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী আলি আল-জায়েদি, ইয়াসের আল-হাজ্জাজ, মোহাম্মদ কাজেম আল-সাদেক, জ্যাক হিউসন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২ ঘণ্টা (পাদযাত্রা), ১০০,০০০ (ইরাকী ছাত্র ইরানে)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!