📌 ইরাকের রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থা ইরাকি এয়ারওয়েজ ৮ অক্টোবর থেকে ইরানে সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করবে। নাজাফ থেকে তেহরান, মাশহাদ ও ইসফাহানে প্রতিদিন ফ্লাইট চলবে। সামরিক উত্তেজনার কারণে বন্ধ ছিল এই ফ্লাইট
ইরাক-ইরান সম্পর্কের নতুন অধ্যায় শুরু হয়েছে। ইরাকের রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থা ইরাকি এয়ারওয়েজ আগামী বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) থেকে ইরানে সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করবে। নাজাফ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে প্রতিদিন তেহরান, মাশহাদ ও ইসফাহানে ফ্লাইট পরিচালনা করা হবে। এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো যাত্রীদের যাতায়াত সহজতর করা এবং দুই দেশের মধ্যে নিয়মিত বিমান যোগাযোগ নিশ্চিত করা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৮ অক্টোবর থেকে ইরাকি এয়ারওয়েজ ইরানে সরাসরি ফ্লাইট শুরু করবে নাজাফ থেকে তেহরান, মাশহাদ ও ইসফাহানে
- 📌 ইরাকের পরিবহন মন্ত্রণালয় ইরাকি এয়ারওয়েজকে ইরানি রুটে ফ্লাইট পরিচালনার জন্য বিশেষ ছাড় প্রদান করেছে
- 📌 ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ইরানি এয়ারলাইনগুলোও ইরাকে ফ্লাইট বন্ধ রাখত
- 📌 ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলী আল-জাইদির কার্যালয় জানিয়েছে, মাহান এয়ার ছাড়া অন্যান্য ইরানি এয়ারলাইনগুলো নাজাফ বিমানবন্দর থেকে প্রতিদিন ৪০টি ফ্লাইট পরিচালনার অনুমতি পেয়েছে
- 📌 মাহান এয়ার ২০১১ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছে
📰 বিস্তারিত
আনাদোলু এজেন্সির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ইরাক-ইরান সম্পর্কের উন্নয়নে এই পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ। ইরাকি এয়ারওয়েজের এই উদ্যোগের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে যাতায়াতের সুবিধা বৃদ্ধি পাবে। গত ২৯ সেপ্টেম্বর ইরাকের পরিবহন মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, ইরাকি এয়ারওয়েজ ইরানি রুটে ফ্লাইট পরিচালনার জন্য বিশেষ ছাড় পেয়েছে। প্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রক ও কারিগরি প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর অক্টোবরে ফ্লাইট পুনরায় চালুর পথ তৈরি হয়।
সামরিক উত্তেজনার কারণে মার্চের শুরুতে ইরাকি এয়ারওয়েজ ইরানে ফ্লাইট বন্ধ করে দেয়। পরে ২৩ সেপ্টেম্বর ইরানি এয়ারলাইনগুলোও ইরাকে ফ্লাইট পরিচালনা বন্ধ করে। তবে ২ অক্টোবর ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলী আল-জাইদির কার্যালয় জানায়, মাহান এয়ার ছাড়া অন্যান্য ইরানি এয়ারলাইনগুলো নাজাফ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে প্রতিদিন ৪০টি ফ্লাইট পরিচালনার অনুমতি পেয়েছে।
ইরাকের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো চিকিৎসা, ধর্মীয় সফর ও পর্যটনের জন্য যাত্রীদের চলাচল সহজ করা। তবে মাহান এয়ার ২০১১ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছে। ওয়াশিংটনের অভিযোগ, এয়ারলাইনটি ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের কুদস ফোর্সকে আর্থিক, বস্তুগত ও প্রযুক্তিগত সহায়তা দিয়েছে।
"নাজাফ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে প্রতিদিন তেহরান, মাশহাদ ও ইসফাহানে ফ্লাইট পরিচালনা করবে ইরাকি এয়ারওয়েজ"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নাজাফ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (ইরাক), তেহরান, মাশহাদ, ইসফাহান (ইরান)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলী আল-জাইদি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮ অক্টোবর (ফ্লাইট শুরু), ৪০টি ফ্লাইট (ইরানি এয়ারলাইন), ২০১১ (মাহান এয়ারের নিষেধাজ্ঞা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!