📌 ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলি আল-জায়দির কার্যালয়ের ঘোষণামতে, আমেরিকার সנקশন ছাড়পত্র পাওয়ার পর ইরানের বিমানসংস্থাগুলোকে নাজাফ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দিবায় সর্বমোট ৪০টি যাত্রা অনুমোদন করা হয়েছে। ইরানের শিয়া মুসলিম যাত্রীদের জন্য এই পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
ইরাক সরকার ইরানের বিমানসংস্থাগুলোকে (মাহান এয়ার ব্যতীত) নাজাফ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দিবায় সর্বমোট ৪০টি যাত্রা পরিচালনার অনুমতি দিয়েছে। এই সিদ্ধান্তের পিছনে রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সנקশন ছাড়পত্র। ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলি আল-জায়দির কার্যালয় শুক্রবার ঘোষণা দিয়েছে যে, মার্কিন সরকারের ইরাকের প্রচেষ্টা ও সহযোগিতার প্রতি ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখিয়ে সנקশন ছাড়পত্র প্রদান করেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলি আল-জায়দির কার্যালয় ঘোষণা করেছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতায় ইরানের বিমানসংস্থাগুলোকে নাজাফ বিমানবন্দরে দিবায় সর্বমোট ৪০টি যাত্রা পরিচালনার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
- 📌 মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেপ্টেম্বর ৮ তারিখে ইরানের বিমান খাতের ৩৬টি সংস্থাকে সנקশন আরোপের পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
- 📌 ইরানের নাজাফ বিমানবন্দরে দিবায় প্রায় ২৫টি এবং বাগদাদ বিমানবন্দরে ১৫টি যাত্রা ছিল। সেগুলো বন্ধের পর ইরানি-ইরাকি যাত্রীদের সংখ্যা ১২,০০০ থেকে ১৩,০০০ জনের মধ্যে ছিল।
- 📌 বাগদাদ, এরবিল ও সুলাইমানিয়া বিমানবন্দরে ইরানের সাথে যাত্রা বন্ধ রয়েছে। ফলে যাত্রীরা ১২ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে ভূমিপথে যাতায়াত করতে বাধ্য হচ্ছেন।
- 📌 ইরাকের বিদেশমন্ত্রী ফুয়াদ হুসেইন বলেছেন, এই সিদ্ধান্ত মার্কিন-ইরাকী অংশীদারিত্বের ভিত্তি হিসেবে সম্মান ও ধর্মীয় স্বাধীনতার প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করে।
📰 বিস্তারিত
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেপ্টেম্বর ৮ তারিখে ইরানের বিমান খাতের ৩৬টি সংস্থাকে সנקশন আরোপের পর, বিদেশী ভূমি পরিচালনা সংস্থাগুলো ইরানি বিমানকে সেবা প্রদান থেকে বিরত থাকার কারণে চারটি ইরাকি বিমানবন্দরে যাত্রা বন্ধ হয়ে যায়। এরপর ইরাক সরকার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সরাসরি আলোচনা করে সנקশন ছাড়পত্রের জন্য অনুরোধ জানায়। ইরাকের তেহরানের দূতাবাসের দূত ইয়াসের আল-হাজ্জাজ ইরানের আইআরএনএ সংবাদ সংস্থাকে বলেছেন যে, ইরাক সরকার যাত্রা বন্ধের নির্দেশ দেননি।
ইরানের নাজাফ বিমানবন্দরে যাত্রা বন্ধের কারণে ইরানের নাসিরিয়া, কারবালা ও আমারা শহরে প্রতিবাদকারীরা নাজাফ বিমানবন্দরে বিক্ষোভের আয়োজন করে। ইরানের বাগদাদ দূতাবাসের দূত মোহাম্মদ কাজেম আল-সাদেক ইরানের আইএসএনএ সংবাদ সংস্থাকে বলেছেন, “নাজাফে দিবায় প্রায় ২৫টি এবং বাগদাদে ১৫টি যাত্রা ছিল। ইরান-ইরাকি যাত্রীদের সংখ্যা ছিল ১২,০০০ থেকে ১৩,০০০ জন, যা একটি বড় সংখ্যা নয়।”
ইরানের বিদেশ মন্ত্রণালয় ঘোষণা করেছে যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের “অন্যায় ও মানবতাবিরোধী” সীমানা অতিক্রমকারী সנקশন ইরানের বাণিজ্য ও বিমান পরিবহনকে ব্যাহত করছে।
"আমেরিকার সরকারের ইরাকের প্রচেষ্টা ও সহযোগিতার প্রতি ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে। আমেরিকা ইরাকের প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র প্রদানের সহযোগিতা করেছে।"
"বিমান যাত্রা শুধু দুটি বিমানবন্দরকে সংযুক্ত করে না, বরং দুটি জনগোষ্ঠীর মধ্যে যোগাযোগের একটি সেতু হয়ে দাঁড়ায়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নাজাফ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, ইরাক; বাগদাদ, এরবিল, সুলাইমানিয়া বিমানবন্দর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী আলি আল-জায়দি, বিদেশমন্ত্রী ফুয়াদ হুসেইন, ইরানের দূত মোহাম্মদ কাজেম আল-সাদেক
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪০টি দিবায় যাত্রা, ৩৬টি সঙ্কশনিত সংস্থা, ২৫টি নাজাফে যাত্রা, ১৫টি বাগদাদে যাত্রা, ১২,০০০-১৩,০০০ জন যাত্রী
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!