📌 ইরানে তেহরানে নারীরাও সামরিক প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন যুদ্ধ প্রস্তুতির জন্য। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর জনগণের অংশগ্রহণে উৎসাহিত করে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে
ইরানের রাজধানী তেহরানে সামরিক প্রশিক্ষণে নারীরা সক্রিয় ভূমিকা নিচ্ছেন। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাম্প্রতিক হামলার পর ইরান সরকার যুদ্ধ প্রস্তুতির জন্য জনগণের অংশগ্রহণে জোর দিচ্ছে। সোমবার (৫ অক্টোবর) প্রকাশিত প্রতিবেদনে দেখা যায়, নারী স্বেচ্ছাসেবকরা অস্ত্র চালনা, দড়ি বেয়ে ওঠা এবং জিপলাইনে চলার প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৫ অক্টোবর তেহরানে নারীদের সামরিক প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণের চিত্র প্রকাশিত হয়েছে।
- 📌 ৪ অক্টোবর থেকে নারীদের অস্ত্র চালনা ও সামরিক প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে।
- 📌 ৩ অক্টোবর তেহরানের হাফত-এ তির স্কয়ারে সশস্ত্র সামরিক মহড়া অনুষ্ঠিত হয়।
- 📌 প্রশিক্ষণে অংশ নেয়া নারীরা নিজেদের পরিবার ও সম্প্রদায়কে রক্ষার জন্য প্রস্তুত হচ্ছেন।
- 📌 ইরানি সেনাবাহিনীর কমান্ডার ও বাসিজ বাহিনীর কর্মকর্তারা প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
📰 বিস্তারিত
ইরানের তেহরানে সামরিক প্রশিক্ষণ ক্যাম্পে নারী স্বেচ্ছাসেবকরা অ্যাসল্ট রাইফেল চালানো, দড়ি বেয়ে ওঠা এবং জিপলাইনে চলার অনুশীলন করছেন। এই প্রশিক্ষণ উদ্যোগের লক্ষ্য হলো যুদ্ধ শুরু হলে নিজেদের পরিবার ও সম্প্রদায়কে রক্ষা করার জন্য জনগণকে প্রস্তুত করা।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাম্প্রতিক হামলার পর ইরান সরকার জনসাধারণের অংশগ্রহণে উৎসাহিত করছে। ৩ অক্টোবর তেহরানের হাফত-এ তির স্কয়ারে সশস্ত্র সামরিক মহড়া অনুষ্ঠিত হয়। এই অনুষ্ঠানে ইরানি সেনাবাহিনীর কমান্ডার, বাসিজ বাহিনীর কর্মকর্তারা এবং উদ্যোগের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
এপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান সরকার বেসামরিক জনগণকে সামরিক প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে ইরান সরকার যুদ্ধ প্রস্তুতির জন্য জনগণের অংশগ্রহণে জোর দিচ্ছে।
"যুদ্ধ শুরু হলে নিজেদের পরিবার ও সম্প্রদায়কে রক্ষার জন্য প্রস্তুত করাই এই প্রশিক্ষণের লক্ষ্য।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: তেহরান, ইরান
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নারী স্বেচ্ছাসেবকরা, ইরানি সেনাবাহিনীর কমান্ডার, বাসিজ বাহিনীর কর্মকর্তারা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ অক্টোবর, ৪ অক্টোবর, ৩ অক্টোবর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!