📌 ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের জ্যেষ্ঠ কমান্ডার আলি আজমায়ি বলেছেন, হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন যুদ্ধজাহাজের জন্য তারা প্রস্তুত। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী দাবি করেছে, এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ তাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে
হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা বেড়েছে। ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) নৌবাহিনীর জ্যেষ্ঠ কমান্ডার রিয়ার অ্যাডমিরাল আলি আজমায়ি মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) টেলিভিশনে দেওয়া একটি বক্তব্যে বলেছেন, মার্কিন যুদ্ধজাহাজ হরমুজ প্রণালির কাছে আসলে তারা সেগুলো ডুবিয়ে দিতে প্রস্তুত। তিনি বলেছেন, ‘আমরা অপেক্ষা করছি, কখন মার্কিন যুদ্ধজাহাজ হরমুজ প্রণালির প্রবেশমুখে আসবে’।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইরান দাবি করেছে, হরমুজ প্রণালির কাছে আসলে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ডুবিয়ে দেওয়া হবে।
- 📌 আলি আজমায়ি বলেছেন, মার্কিন যুদ্ধজাহাজগুলো কৌশলগত কারণে এই প্রণালিতে আসতে সাহস পাচ্ছে না।
- 📌 ১৩ বিলিয়ন ডলার মূল্যের মার্কিন বিমানবাহী রণতরী হরমুজ প্রণালি থেকে ৭০০ কিলোমিটার দূরে সরে গেছে বলে দাবি করেছেন তিনি।
- 📌 যুক্তরাষ্ট্র প্রত্যাখ্যান করেছে ইরানের দাবি, বলেছে হরমুজ প্রণালি তাদের ও আঞ্চলিক মিত্রদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
- 📌 যুক্তরাজ্য জানিয়েছে, প্রণালিতে একটি কনটেইনারবাহী জাহাজে অজ্ঞাত বস্তু বা অস্ত্রের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিয়ে ইরান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা চূড়ায় পৌঁছেছে। ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) নৌবাহিনীর জ্যেষ্ঠ কমান্ডার রিয়ার অ্যাডমিরাল আলি আজমায়ি মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) টেলিভিশনে দেওয়া একটি বক্তব্যে বলেছেন, মার্কিন যুদ্ধজাহাজ হরমুজ প্রণালির কাছে আসলে তারা সেগুলো ডুবিয়ে দিতে প্রস্তুত। তিনি বলেছেন, ‘আমরা অপেক্ষা করছি, কখন মার্কিন যুদ্ধজাহাজ হরমুজ প্রণালির প্রবেশমুখে আসবে, যাতে আমরা সেগুলো ডুবিয়ে দিতে পারি’।
আলি আজমায়ি আরও দাবি করেছেন যে, মার্কিন যুদ্ধজাহাজগুলো কৌশলগত কারণে এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথের কাছে আসতে সাহস পাচ্ছে না। তিনি উল্লেখ করেছেন, ১৩ বিলিয়ন ডলার মূল্যের মার্কিন বিমানবাহী রণতরী হরমুজ প্রণালি থেকে ৭০০ কিলোমিটার দূরে সরে গেছে। তিনি বলেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র যদি দেখতে চায় হরমুজ প্রণালি খোলা নাকি বন্ধ, তাহলে তারা সরাসরি এখানে এসে দেখুক—কার নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এই সমুদ্রপথ’।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) ইরানের দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে। সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া একটি বিবৃতিতে সেন্টকম বলেছে, ‘আইআরজিসির নৌবাহিনীর কমান্ডারের কোনো নৌবাহিনীই নেই। হরমুজ প্রণালি স্পষ্টতই যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী ও আঞ্চলিক মিত্রদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে’।
ইরানের এই হুমকির পাশাপাশি, যুক্তরাজ্যের সামুদ্রিক বাণিজ্যবিষয়ক সংস্থা ইউকেএমটিও জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে একটি কনটেইনারবাহী জাহাজে অজ্ঞাত কোনো বস্তু বা অস্ত্রের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
সামরিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হরমুজ প্রণালি বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নৌপথগুলির মধ্যে একটি, যেখানে প্রতি দিন ৯০ লাখ ব্যারেল বেশি অপরিশোধিত তেল পরিবহন হয়। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী গত সোমবার এই প্রণালি দিয়ে এক কোটি ৯০ লাখ ব্যারেলের বেশি তেল পরিবহণে উপসাগরীয় অঞ্চলের মিত্রদের সহায়তা করেছে বলে জানিয়েছে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: হরমুজ প্রণালি, উপসাগরীয় অঞ্চল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রিয়ার অ্যাডমিরাল আলি আজমায়ি (ইরানের আইআরজিসি নৌবাহিনীর জ্যেষ্ঠ কমান্ডার)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৩ বিলিয়ন ডলার (বিমানবাহী রণতরী), ৭০০ কিলোমিটার (দূরত্ব), ৯০ লাখ ব্যারেল (তেল পরিবহন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!