📌 যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের শান্তি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের পর আন্তর্জাতিক তেল বাজারে দাম ১.২৭% বেড়ে ১০৫ ডলার ছাড়িয়ে যায়। মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা ও সরবরাহ ঝুঁকির কারণে এই দাম বৃদ্ধি ঘটে, যেখানে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত রফতানি বাড়িয়ে দৈনিক ১ কোটি ২৮ লাখ ব্যারেল তেল সরবরাহ করছে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের শান্তি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের পর সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববাজারে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০৫ ডলার ছাড়িয়ে যায়। বাংলাদেশ সময় সকাল ৬টা ৩৬ মিনিটে আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১ দশমিক ৩২ ডলার বা ১ দশমিক ২৭ শতাংশ বেড়ে ১০৫ ডলার ৬৪ সেন্টে দাঁড়ায়। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) তেলের দাম ৭০ সেন্ট বা ০.৭৬ শতাংশ বেড়ে ৯৩ ডলার ১১ সেন্টে পৌঁছায়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের শান্তি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের পর আন্তর্জাতিক তেল বাজারে দাম ১.২৭% বেড়ে ১০৫ ডলার ছাড়িয়ে যায়
- 📌 সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০৫ ডলার ৬৪ সেন্টে পৌঁছায়, ডব্লিউটিআই তেলের দাম ৯৩ ডলার ১১ সেন্টে
- 📌 ইরান ও হাউছিদের সৌদি আরবে হামলা অব্যাহত থাকায় মধ্যপ্রাচ্য তেল সরবরাহ ঝুঁকির মুখে রয়েছে
- 📌 সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত রফতানি বাড়িয়ে দৈনিক ১ কোটি ২৮ লাখ ব্যারেল তেল সরবরাহ করছে
- 📌 ট্রাম্প বলেন, চলতি সপ্তাহে মার্কিন আলোচকদের সঙ্গে ইরানের আরো আলোচনা হতে পারে
📰 বিস্তারিত
নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ইরান শান্তি প্রস্তাব ঘোষণা করে। কাতারের মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে প্রস্তাবটি যুক্তরাষ্ট্রের কাছে পাঠানো হয়েছিল। শনিবার ট্রাম্প প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যান করেন। তবে রোববার অ্যাক্সিওসকে টেলিফোনে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, চলতি সপ্তাহে মার্কিন আলোচকদের সঙ্গে ইরানের আরো আলোচনা হতে পারে বলে তিনি আশা করছেন।
এদিকে, ইরান ও হাউছিদের সৌদি আরবে হামলা অব্যাহত থাকায় আঞ্চলিক তেল সরবরাহ ঝুঁকির মুখে রয়েছে। শনিবার ভোরে সৌদি নেতৃত্বাধীন ইয়েমেনি জোট জানায়, ইরান-সমর্থিত হাউছিদের ছোড়া দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও দুটি চালকহীন আকাশযান তারা প্রতিহত করেছে।
গত সপ্তেম্বরে ব্রেন্ট তেলের দাম ০.৪ শতাংশ বাড়লেও ডব্লিউটিআই তেলের দাম কমেছে ৭.৯ শতাংশ। যুক্তরাষ্ট্রের ডিজেলের রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছানো দাম কমাতে দেশটি রফতানি নিষিদ্ধ করতে পারে—এমন আশঙ্কায় এই দরপতন ঘটে। এএনজেড ব্যাংকের বিশ্লেষকেরা বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে ডিজেলের রেকর্ড দাম মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি বাড়াচ্ছে এবং রফতানিতে সম্ভাব্য বিধিনিষেধ নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি করেছে।
তথ্য বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান কেপলারের প্রাথমিক তথ্যে দেখা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যের প্রধান তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোর অপরিশোধিত তেল রফতানি সেপ্টেম্বরে বেড়ে দৈনিক ১ কোটি ২৮ লাখ ব্যারেলে পৌঁছেছে। ফেব্রুয়ারিতে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এটিই সর্বোচ্চ। সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত রফতানি বাড়ানোয় এই প্রবৃদ্ধি হয়েছে। হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেল পরিবহন পুনরায় বাড়ায় রফতানিতে এই ঊর্ধ্বগতি এসেছে।
"চলতি সপ্তাহে মার্কিন আলোচকদের সঙ্গে ইরানের আরো আলোচনা হতে পারে বলে আমি আশা করছি"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নিউইয়র্ক (জাতিসংঘ অধিবেশন), মধ্যপ্রাচ্য (তেল বাজার), সৌদি আরব (হামলা), হরমুজ প্রণালী (তেল পরিবহন)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডোনাল্ড ট্রাম্প (যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট), ইরানের নেতৃত্ব (শান্তি প্রস্তাব)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০৫ ডলার ৬৪ সেন্ট (ব্রেন্ট ক্রুডের দাম), ৯৩ ডলার ১১ সেন্ট (ডব্লিউটিআই তেলের দাম), ১ কোটি ২৮ লাখ ব্যারেল (দৈনিক তেল রফতানি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!