📌 ইরান মার্কিন সנקশনের কারণে ইরাকের সাথে বিমান চলাচল বন্ধ থাকা অবস্থায় ইরাককে বিমান চলাচল পুনরায় শুরু করার আহ্বান জানিয়েছে। ইরানের বিদেশ মন্ত্রণালয় মার্কিন সנקশনকে 'অন্যায় ও মানবতার বিরুদ্ধ' বলে ঘোষণা করেছে এবং ইরাককে বিমান চলাচল বন্ধের সিদ্ধান্ত বাতিল করার জন্য অনুরোধ করেছে
মার্কিন সנקশনের কারণে ইরাকের সাথে বিমান চলাচল বন্ধ থাকা অবস্থায় ইরান ইরাককে বিমান চলাচল পুনরায় শুরু করার আহ্বান জানিয়েছে। ইরানের বিদেশ মন্ত্রণালয় মার্কিন সরকারের সנקশনকে 'অন্যায় ও মানবতার বিরুদ্ধ' বলে ঘোষণা করে বলেছে, মার্কিন সנקশন ইরানের ব্যবসা ও বিমান পরিবহনকে বাধাগ্রস্ত করছে। তারা ইরাককে বিমান চলাচল বন্ধের সিদ্ধান্ত বাতিল করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইরানের বিদেশ মন্ত্রণালয় মার্কিন সנקশনকে 'অন্যায় ও মানবতার বিরুদ্ধ' বলে ঘোষণা করেছে এবং ইরাককে বিমান চলাচল বন্ধের সিদ্ধান্ত বাতিল করার আহ্বান জানিয়েছে।
- 📌 ইরাকের নাজাফ বিমানবন্দর থেকে ইরানের সাথে বিমান চলাচল পুনরায় শুরু হয়েছে, তবে বাগদাদ, এরবিল ও সুলাইমানিয়ায় বিমান চলাচল বন্ধ রয়েছে।
- 📌 মার্কিন সנקশনের কারণে ইরানের আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল ৪২ শতাংশ কমেছে, বিশেষত জর্জিয়া, ওমান ও আজারবাইজানের সাথে বিমান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়েছে।
- 📌 ইরাকের সরকার মার্কিন সנקশন থেকে মানবিক কারণে (চিকিৎসা, শিক্ষা, ধর্মীয় ভ্রমণ) বিমান চলাচল বাদ দেওয়ার জন্য মার্কিন সরকারের কাছে অনুগ্রহ চেয়েছে।
- 📌 ইরাকের নাগরিকদের মধ্যে বিমান চলাচল বন্ধের কারণে ১২ ঘণ্টারও বেশি সময় নেওয়া হচ্ছে এবং শিয়া সংখ্যাগরিষ্ঠ এলাকায় হজ্জযাত্রীদের চলাচল বাধাগ্রস্ত হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
ইরানের বিদেশ মন্ত্রণালয় মার্কিন সנקশনকে 'অন্যায় ও মানবতার বিরুদ্ধ' বলে অভিহিত করে বলেছে, মার্কিন সরকারের 'অতিরিক্ত অঞ্চলীয় প্রয়োগ' ইরানের ব্যবসা ও বিমান পরিবহনকে বাধাগ্রস্ত করছে। তারা ইরাককে বিমান চলাচল বন্ধের সিদ্ধান্ত বাতিল করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে। ইরানের সাথে ইরাকের নাগরিকদের চলাচলের জন্য একটি 'স্বাধীন ও দায়িত্বশীল' পদ্ধতি প্রয়োজন বলে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।
ইরাকের নাজাফ বিমানবন্দর থেকে ইরানের সাথে বিমান চলাচল পুনরায় শুরু হয়েছে, যা ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলি আল-জায়েদির প্রচেষ্টার ফলাফল বলে ইরাকের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরাকি নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে। তবে বাগদাদ, এরবিল ও সুলাইমানিয়ায় বিমান চলাচল বন্ধ রয়েছে। ইরাকের ইরানের দূতাবাসের প্রধান ইয়াসের আব্দুলজাহরা আল-হাজ্জাজ বলেছেন, ইরাক ইরানের বিমান চলাচল বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয়নি। তবে বিদেশী মাটি হ্যান্ডলিং কোম্পানি মার্কিন সנקশনের ভয়ে সেবা প্রদান করতে অস্বীকার করেছে।
মার্কিন সנקশন, যা ২৩ সেপ্টেম্বর কার্যকর হয়, ইরানের আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলকে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করেছে। ইরানের ইমাম খোমেনি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিমান চলাচল ৪২ শতাংশ কমেছে। বিশেষত জর্জিয়া, ওমান ও আজারবাইজানের সাথে বিমান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়েছে এবং ডুবাইয়ের সাথে বিমান চলাচলও বন্ধ রয়েছে। চীন ও তুরস্কের সাথে বিমান চলাচল কিছুটা স্থিতিশীল রয়েছে, যদিও তুরস্কের সাথে বিমান চলাচল ১৯ শতাংশ কমেছে।
ইরাকের সরকার মার্কিন সরকারের কাছে মানবিক কারণে বিমান চলাচল বাদ দেওয়ার জন্য অনুগ্রহ চেয়েছে। তারা বলেছে, এটি চিকিৎসা, শিক্ষা, ধর্মীয় ভ্রমণ এবং সাধারণ নাগরিকদের স্বার্থের সাথে সম্পর্কিত। ইরাকের নাগরিকদের মধ্যে বিমান চলাচল বন্ধের কারণে ১২ ঘণ্টারও বেশি সময় নেওয়া হচ্ছে এবং শিয়া সংখ্যাগরিষ্ঠ এলাকায় হজ্জযাত্রীদের চলাচল বাধাগ্রস্ত হয়েছে। ইরাকের বিভিন্ন শহর যেমন নাজাফ বিমানবন্দর, নাসিরিয়া, কারবালা ও আমারা-তে বিমান চলাচল বন্ধের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ শুরু হয়েছে বলে ইরানের সংবাদ সংস্থা প্রেস টিভি জানিয়েছে।
"ইরানের সাথে মিলিয়ন নাগরিকের চলাচল জন্য একটি স্বাধীন ও দায়িত্বশীল পদ্ধতি প্রয়োজন"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইরাক (নাজাফ, বাগদাদ, এরবিল, সুলাইমানিয়া), ইরান (ইমাম খোমেনি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর), মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (ওয়াশিংটন)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইরানের বিদেশ মন্ত্রণালয়, ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলি আল-জায়েদি, ইরাকের ইরানের দূতাবাসের প্রধান ইয়াসের আব্দুলজাহরা আল-হাজ্জাজ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪২ শতাংশ (বিমান চলাচল কমেছে), ১২ ঘণ্টা (বিমান চলাচল বন্ধের কারণে সময় বাড়েছে), ২৩ সেপ্টেম্বর (মার্কিন সנקশন কার্যকর হয়)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!