📅 ৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১১ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ইরান নারীদের যুদ্ধ-প্রশিক্ষণে জড়িয়ে রেখেছে: মার্কিন হামলা ও নতুন যুদ্ধের আশঙ্কায় কালাশনিকভ থেকে ক্ষেপণাস্ত্র পর্যন্ত শেখানো হচ্ছে

ইরান নারীদের যুদ্ধ-প্রশিক্ষণে জড়িয়ে রেখেছে: মার্কিন হামলা ও নতুন যুদ্ধের আশঙ্কায় কালাশনিকভ থেকে ক্ষেপণাস্ত্র পর্যন্ত শেখানো হচ্ছে

📷 ছবি: DBC News

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 ডিবিসি নিউজ ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য হামলা ও নতুন যুদ্ধের আশঙ্কায় ইরান নারীদের অস্ত্র পরিচালনা, শহুরে যুদ্ধ ও জরুরি উদ্ধার প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। 'জান-ফাদা' কর্মসূচিতে ১০০ মিনিটে পাঁচ লাখের বেশি নিবন্ধন হয়েছে

যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য হামলা ও নতুন যুদ্ধের আশঙ্কায় ইরান নারীদের যুদ্ধের প্রশিক্ষণে জড়িয়ে রেখেছে। স্বেচ্ছাসেবী কর্মসূচির আওতায় তারা অস্ত্র পরিচালনা, আত্মরক্ষা, জরুরি চিকিৎসা, উদ্ধারকাজ ও দুর্যোগ মোকাবিলার কৌশল শেখাচ্ছেন। ইরানি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত ছবি ও ভিডিওতে দেখা গেছে, তেহরানের প্রশিক্ষণকেন্দ্রে সাধারণ ও সামরিক পোশাক পরা নারীরা কালাশনিকভ রাইফেল, ড্রাগুনভ স্নাইপার রাইফেল, আরপিজি এবং কাঁধে বহনযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য হামলা ও যুদ্ধের আশঙ্কায় ইরান নারীদের যুদ্ধ-প্রশিক্ষণে জড়িয়ে রেখেছে
  • 📌 প্রশিক্ষণে অন্তর্ভুক্ত: কালাশনিকভ রাইফেল, ড্রাগুনভ স্নাইপার রাইফেল, আরপিজি, ক্ষেপণাস্ত্র, মানচিত্র-নির্দেশনা, অগ্নিনির্বাপণ ও জরুরি উদ্ধার
  • 📌 ‘জান-ফাদা’ কর্মসূচিতে নিবন্ধন শুরুর ১০০ মিনিটে পাঁচ লাখের বেশি মানুষ নিবন্ধিত হয়েছে
  • 📌 প্রথম এক হাজার ইউনিট দ্রুত পূর্ণ হওয়ায় সরকার আরও এক হাজার ইউনিট অনুমোদন করেছে
  • 📌 ইরানি কর্মকর্তারা কর্মসূচিকে ১৯৮০ সালের ‘২০ মিলিয়নের বাহিনী’ আহ্বানের আধুনিক রূপ হিসেবে দেখছেন

📰 বিস্তারিত

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সাম্প্রতিক বোমাবর্ষণের পর ইরানে ‘জান-ফাদা’ নামে নাগরিক সামরিক প্রতিরোধ কর্মসূচি চালু হয়েছে। বাসিজ মিলিশিয়ার অধীনে পরিচালিত এ উদ্যোগে নিবন্ধন শুরুর ১০০ মিনিটের মধ্যে পাঁচ লাখের বেশি মানুষ নাম লেখান। প্রথম এক হাজার ইউনিট দ্রুত পূর্ণ হয়ে যাওয়ায় সরকার আরও এক হাজার ইউনিট অনুমোদন করেছে। রেড ক্রিসেন্টের সহযোগিতায় গড়ে তোলা এলাকাভিত্তিক উদ্ধার ইউনিটেও বিপুলসংখ্যক নারী অংশ নিচ্ছেন।

ইরানি কর্মকর্তারা এ উদ্যোগকে ১৯৮০ সালে আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির ‘২০ মিলিয়নের বাহিনী’ গঠনের আহ্বানের আধুনিক রূপ হিসেবে দেখছেন। এদিকে ইরানের সামরিক কর্মকর্তারা নতুন হামলার কঠোর জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিলেও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি আলোচনার মাধ্যমে সংকট সমাধানের কথা বলেছেন। তিনি বলেছেন, সংঘাতের কোনো সামরিক সমাধান নেই।

"সংঘাতের কোনো সামরিক সমাধান নেই"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: তেহরান, ইরান
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ লাখ (নিবন্ধিত), ১০০ মিনিট (নিবন্ধন সময়), ২০ মিলিয়ন (১৯৮০ সালের আহ্বান)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖