📌 ইরানের হুমকির কারণে যুক্তরাজ্যের ফেয়ারফোর্ড বিমানঘাঁটিতে অবস্থানরত মার্কিন বি-১ বোমারু বিমানগুলো সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই সিদ্ধান্তের পেছনে ইরানের সরাসরি জড়িত থাকার কথা উল্লেখ করেছেন
ইরানের হুমকির কারণে যুক্তরাজ্যের একটি সামরিক ঘাঁটিতে অবস্থানরত মার্কিন বোমারু বিমানগুলো সতর্কতার কারণে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোমবার (৫ অক্টোবর) সাংবাদিকদের বলেছেন, ইরানের সঙ্গে সম্পর্কিত হুমকির তথ্য পাওয়ার পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, বিমানগুলো যুক্তরাজ্যের আরএএফ ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটিতে ছিল, যেখানে গত সপ্তাহে ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন হামলায় এসব বিমান ব্যবহার করা হয়েছিল।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইরানের হুমকির কারণে যুক্তরাজ্যের ফেয়ারফোর্ড বিমানঘাঁটিতে অবস্থানরত মার্কিন বি-১ বোমারু বিমানগুলো সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
- 📌 মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সঙ্গে যুক্ত হুমকির তথ্য পাওয়ার পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
- 📌 ৫ অক্টোবর সোমবার সাংবাদিকদের সামনে তিনি এই ঘোষণা দেন।
- 📌 গত সপ্তাহে ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটির কাছে পাঁচ ব্রিটিশ নাগরিককে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের প্রস্তুতির সন্দেহে গ্রেফতার করা হয়েছিল, পরে তাদের জামিনে ছেড়ে দেওয়া হয়।
- 📌 ইরানের বিপ্লবী গার্ডস আগে ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটিকে বৈধ লক্ষ্য হিসেবে উল্লেখ করেছিল।
- 📌 মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেছেন, অতিরিক্ত সতর্কতার কারণে বিমানগুলো সরানো হয়েছে।
- 📌 মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, বিমান সরানোর সঙ্গে ইরানের ষড়যন্ত্রের সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই।
- 📌 ন্যাটোর সামরিক সূত্র জানিয়েছে, যুক্তরাজ্যে থাকা মার্কিন সামরিক সম্পদ ইরানকে বড় ধরনের হুমকি হিসেবে বিবেচনা করছে।
- 📌 ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি অভিযোগগুলোকে ভিত্তিহীন বলে মন্তব্য করেছেন।
📰 বিস্তারিত
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোমবার সাংবাদিকদের সামনে বলেন, যুক্তরাজ্যের ফেয়ারফোর্ড বিমানঘাঁটিতে অবস্থানরত মার্কিন বি-১ বোমারু বিমানগুলো সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, ইরানের সঙ্গে সম্পর্কিত হুমকির তথ্য পাওয়ার পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, “বিমানগুলো সেখানে রাখলে ঝুঁকি তৈরি হতে পারে এমন তথ্য পাওয়ার পর সেগুলো সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।”
গত সপ্তাহে ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটির কাছে পাঁচ ব্রিটিশ নাগরিককে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের প্রস্তুতির সন্দেহে গ্রেফতার করা হয়েছিল। পরে তাদের জামিনে ছেড়ে দেওয়া হয়। এর আগে ইরানের বিপ্লবী গার্ডস ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটিকে বৈধ লক্ষ্য হিসেবে উল্লেখ করেছিল।
মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেন, অতিরিক্ত সতর্কতার কারণে বিমানগুলো সরানো হয়েছে। তবে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, বিমান সরানোর সঙ্গে ইরানের কথিত ষড়যন্ত্রের সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই। তিনি বলেন, “প্রয়োজন অনুযায়ী পেন্টাগন নিয়মিতভাবে সামরিক সম্পদ সরিয়ে থাকে।”
ন্যাটোর এক সামরিক সূত্র জানিয়েছে, যুক্তরাজ্যে থাকা মার্কিন সামরিক সম্পদের জন্য ইরান এখনো বড় ধরনের হুমকি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। তবে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি অভিযোগগুলোকে ভিত্তিহীন বলে মন্তব্য করেছেন।
"বিমানগুলো সেখানে রাখলে ঝুঁকি তৈরি হতে পারে এমন তথ্য পাওয়ার পর সেগুলো সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যুক্তরাজ্যের আরএএফ ফেয়ারফোর্ড বিমানঘাঁটি
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ (অক্টোবর), ৫ (ব্রিটিশ নাগরিক)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!