📌 ইরানের সম্ভাব্য জড়িত থাকার সন্দেহে ব্রিটেনের ফেয়ারফোর্ড বিমানঘাঁটিতে ২৭ সেপ্টেম্বর সন্ত্রাসী তদন্তের পর যুক্তরাষ্ট্র তড়িঘড়ি করে সব বোমারু বিমানকে নিজ দেশে ফিরিয়ে নেয়। পাঁচজন ব্রিটিশ নাগরিকের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে গ্রেপ্তার ও জামিনে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে
ইরানের সম্ভাব্য জড়িত থাকার সন্দেহে ব্রিটেনের ফেয়ারফোর্ড বিমানঘাঁটিতে সন্ত্রাসী তদন্তের পর যুক্তরাষ্ট্র তড়িঘড়ি করে সব বোমারু বিমানকে নিজ দেশে ফিরিয়ে নেয়। মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন, ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটিতে থাকা সব মার্কিন বোমারু বিমান যুক্তরাষ্ট্রে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র কোনো কারণ উল্লেখ করেনি, কিন্তু ব্রিটিশ সরকারের সূত্রগুলো ইঙ্গিত দিয়েছে যে, ঘটনাটি এই সিদ্ধান্তের পেছনে মূল কারণ।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২৭ সেপ্টেম্বর ব্রিটেনের ফেয়ারফোর্ড বিমানঘাঁটিতে সন্দেহজনক গাড়ি চলাচলের পর পাঁচজন ব্রিটিশ নাগরিককে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়, পরে তাদের জামিনে ছেড়ে দেওয়া হয়।
- 📌 ২৫ বছর বয়সী এক ব্রিটিশ-ইরানি নাগরিকও গ্রেপ্তার হন এবং জামিনে ছেড়ে দেওয়া হয়।
- 📌 মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, ‘আমরা তাদের সম্পর্কে সবকিছু জানি। আমরা তাদের ছেড়ে দিতাম না’।
- 📌 মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, ঘটনায় ‘স্পষ্টতই কোনো বিদেশি পক্ষের হাত’ রয়েছে।
- 📌 ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম ইরানের সম্ভাব্য জড়িত থাকার ‘জোরালো ইঙ্গিত’ দেন।
- 📌 ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটি থেকে সব বোমারু বিমান সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক অভিযানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটি ছিল।
📰 বিস্তারিত
ব্রিটেনের গ্লুচেস্টারশায়ারে অবস্থিত ফেয়ারফোর্ড বিমানঘাঁটি মার্কিন বিমানবাহিনীর একটি অগ্রবর্তী অপারেটিং ঘাঁটি হিসেবে দীর্ঘদিন ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এই ঘাঁটিতে থেকে মধ্যপ্রাচ্যে অভিযান পরিচালনা করা হত। তবে ২৭ সেপ্টেম্বর সন্দেহজনক গাড়ি চলাচলের পর পুলিশ পাঁচজন ব্রিটিশ নাগরিককে গ্রেপ্তার করে। তাদের বয়স ২৩ থেকে ২৫ বছর। প্রথমে তাদের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক-সংক্রান্ত অপরাধের সন্দেহে গ্রেপ্তার করা হয়, পরে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের প্রস্তুতির অভিযোগ আনা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, তাদের অভিজ্ঞতা ও কৌশলগত বিবেচনায় জামিনে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
পুলিশের তদন্তের পর একই সপ্তাহে ২৫ বছর বয়সী এক ব্রিটিশ-ইরানি নাগরিকও গ্রেপ্তার হন। তাকে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের প্রস্তুতির সন্দেহে আটক করা হয়েছিল, পরে জামিনে ছেড়ে দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম ইরানের সম্ভাব্য জড়িত থাকার ‘জোরালো ইঙ্গিত’ দেন, কিন্তু বিস্তারিত তথ্য দেননি। ইরান এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ফক্স নিউজকে বলেছিলেন, এই ঘটনায় ‘স্পষ্টতই কোনো বিদেশি পক্ষের হাত’ রয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও পাঁচজন সন্দেহভাজনকে জামিনে ছেড়ে দেওয়ায় বিস্ময় প্রকাশ করেছিলেন। তিনি বলেন, ‘আমরা তাদের সম্পর্কে সবকিছু জানি। আমরা তাদের ছেড়ে দিতাম না’। তবে ট্রাম্প জানান, যুক্তরাজ্য যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ‘খুব ঘনিষ্ঠভাবে’ এই বিষয়ে কাজ করেছে।
"এই ঘটনার সঙ্গে ইরানের সংশ্লিষ্টতার ‘জোরালো ইঙ্গিত’ রয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ফেয়ারফোর্ড বিমানঘাঁটি, গ্লুচেস্টারশায়ার, ইংল্যান্ড
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মার্কিন প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা, অ্যান্ডি বার্নহ্যাম, মার্কো রুবিও, ডোনাল্ড ট্রাম্প
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৭ সেপ্টেম্বর (ঘটনার তারিখ), ৬ জন গ্রেপ্তার (পাঁচজন ব্রিটিশ + এক ইরানি), ২৩-২৫ বছর (গ্রেপ্তারকৃতদের বয়স)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!