📅 ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ৫:১০ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

স্যানকশন এড়াতে ইরানিরা কীভাবে বিদেশে অর্থ স্থানান্তর করে?

স্যানকশন এড়াতে ইরানিরা কীভাবে বিদেশে অর্থ স্থানান্তর করে?

📷 ছবি: আল জাজিরা

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Al Jazeera ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের কারণে মার্কিন স্যানকশন আরও কঠোর হলে, ইরানিরা ব্যাংকিং পদ্ধতি ছাড়িয়ে গোপন বিনিময় ব্যবস্থা, ক্রিপ্টোকারেন্সি এবং ব্যক্তিগত চ্যানেল ব্যবহার করে বিদেশে অর্থ স্থানান্তর করছে। তবে এসব পদ্ধতিতে উচ্চ খরচ, ঝুঁকি এবং অস্থিরতা রয়েছে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইরান ও ইসরায়েলের যুদ্ধের কারণে স্যানকশন আরও কঠোর হয়ে পড়ার পর, ইরানিরা আন্তর্জাতিক ব্যাংকিং পদ্ধতি থেকে দূরে সরে গিয়ে বিভিন্ন অপ্রাতিষ্ঠিক পথে বিদেশে অর্থ স্থানান্তর করছে। স্যানকশনের কারণে আন্তর্জাতিক অর্থপ্রেরণ ব্যবস্থায় বাধা পড়ায়, ইরানিরা ক্রমাগত নতুন পদ্ধতি খুঁজে বের করছেন। তবে এসব পদ্ধতিতে অতিরিক্ত খরচ, বিনিময় হারের ঝুঁকি, দেরি এবং কম নিরাপত্তা রয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **অপ্রাতিষ্ঠিক মুদ্রাবিনিময়কারী নেটওয়ার্ক**: ইরানিরা বিদেশে মুদ্রা চাহিদা ও দেশে বিদেশী মুদ্রা চাহিদা মেলে বিনিময় করে অর্থ স্থানান্তর করছে, যেখানে অর্থ সরাসরি ব্যাংক থেকে ব্যাংক না গিয়ে বিনিময় হয়ে থাকে।
  • 📌 **মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠান**: ইরানিতে স্থানীয় মুদ্রায় অর্থ প্রদান করে প্রতিষ্ঠান বা তাদের বিদেশী অংশীদার বিদেশী সরবরাহকারীদের কাছে পরিশোধ করে থাকে, যা ব্যাংকিং পদ্ধতির বিকল্প হিসেবে কাজ করে।
  • 📌 **ব্যক্তিগত চ্যানেল**: অনেক ইরানি ব্যক্তিগতভাবে অপরিচিত ব্যক্তিদের সাথে অর্থ স্থানান্তর করে থাকে, যা সম্পূর্ণভাবে বিশ্বাসের উপর নির্ভরশীল।
  • 📌 **ক্রিপ্টোকারেন্সি পথ**: ক্রিপ্টোকারেন্সি ব্যবহার করে ইরানিরা ব্যাংক ছাড়াই অর্থ স্থানান্তর করতে চেষ্টা করছেন, কিন্তু মার্কিন সরকারের স্যানকশন এবং ইন্টারনেট বন্ধের কারণে এ পদ্ধতিও অস্থির হয়ে পড়েছে।
  • 📌 **স্যানকশন ও ঝুঁকি**: মার্কিন সরকারের স্যানকশনের কারণে ইরানের বেশ কয়েকটি প্রধান ক্রিপ্টোকারেন্সি এক্সচেঞ্জ (নোবিটেক্স, ওয়ালেক্স, বিটপিন, রামজিনেক্স) নিষিদ্ধ হয়েছে।
  • 📌 **বাণিজ্যিক বাধা**: যুদ্ধের কারণে আমদানি বিলম্বিত হচ্ছে এবং গলফ দেশগুলোর মাধ্যমে চলাচলকারী অর্থপ্রেরণ ব্যবস্থা অস্থির হয়ে পড়েছে।

📰 বিস্তারিত

ইরানের অর্থনীতিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্যানকশন দীর্ঘদিন ধরে প্রভাব ফেলছে। বিশেষ করে ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের কারণে স্যানকশন আরও কঠোর হয়ে পড়ায়, ইরানিরা আন্তর্জাতিক ব্যাংকিং পদ্ধতি থেকে দূরে সরে গিয়ে বিভিন্ন অপ্রাতিষ্ঠিক পদ্ধতি ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছেন। এসব পদ্ধতির মধ্যে রয়েছে মুদ্রাবিনিময়কারী নেটওয়ার্ক, মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠান, ব্যক্তিগত অর্থপ্রেরণ এবং ক্রিপ্টোকারেন্সি।

মুদ্রাবিনিময়কারী নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ইরানিরা বিদেশে মুদ্রা চাহিদা ও দেশে বিদেশী মুদ্রা চাহিদা মেলে বিনিময় করে অর্থ স্থানান্তর করে থাকে। এতে অর্থ সরাসরি ব্যাংক থেকে ব্যাংক না গিয়ে বিনিময় হয়ে থাকে। তবে এ পদ্ধতিতে অতিরিক্ত বিনিময় হার, খরচ এবং দেরি থাকতে পারে।

মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠানগুলো ইরানিতে স্থানীয় মুদ্রায় অর্থ গ্রহণ করে এবং বিদেশে তাদের অংশীদারদের মাধ্যমে পরিশোধ করে থাকে। এ পদ্ধতিও ব্যাংকিং পদ্ধতির বিকল্প হিসেবে কাজ করে, কিন্তু এতে অতিরিক্ত খরচ এবং বিনিময় হারের ঝুঁকি থাকে।

ব্যক্তিগতভাবে অপরিচিত ব্যক্তিদের সাথে অর্থ স্থানান্তর করা একটি আরেকটি পদ্ধতি। ইরানিরা এ পদ্ধতিতে সম্পূর্ণভাবে বিশ্বাসের উপর নির্ভর করে। একজন ইরানি IT ম্যানেজার, রেজা (যিনি তার পুরো নাম প্রকাশ করতে চাননি), বলেছেন, “একটি লেনদেনে অপরিচিত ব্যক্তিরা একে অপরের উপর সম্পূর্ণ বিশ্বাস করতে হয়। এতে কোনো আইনি দলিল বা প্রমাণ থাকে না। এটি সম্পূর্ণ বিশ্বাসের উপর নির্ভরশীল, এবং কোনো পার্টি কখনোই লেনদেন থেকে বেরিয়ে যেতে পারে, যার ফলে অন্যরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।”

ক্রিপ্টোকারেন্সি পথেও ইরানিরা অর্থ স্থানান্তর করার চেষ্টা করছেন। তবে মার্কিন সরকারের স্যানকশনের কারণে ইরানের বেশ কয়েকটি প্রধান ক্রিপ্টোকারেন্সি এক্সচেঞ্জ নিষিদ্ধ হয়েছে। ইরানের ফিনটেক অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান আলিরেজা ইয়াগহুবি সতর্ক করেছেন যে, ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেন ট্রেসযোগ্য এবং স্যানকশনের শিকার হতে পারে। তিনি বলেছেন, “ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেন ট্রেসযোগ্য, এবং খুব খারাপ কিছু ঘটতে পারে, যেমন ইরানের বিভিন্ন ওয়ালেটের উপর স্যানকশন আরোপ করা, যা ব্যক্তি, কেন্দ্রীয় ব্যাংক বা অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের হতে পারে।”

ইরানের বাণিজ্যিক আমদানি বিলম্বিত হচ্ছে এবং যুদ্ধের কারণে গলফ দেশগুলোর মাধ্যমে চলাচলকারী অর্থপ্রেরণ ব্যবস্থা অস্থির হয়ে পড়েছে। ইরানের একটি বাণিজ্য বিশেষজ্ঞ, আশকান বাহরামি বলেছেন, “আমরা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে অপ্রাতিষ্ঠিক বিনিময় ও রেমিট্যান্স সিস্টেম ব্যবহার করতে বাধ্য, যা অর্থ হারানোর, চোরাচালান ও উচ্চ স্থানান্তর খরচের ঝুঁকি বহন করে।”

"অর্থ স্থানান্তর লেনদেনে অপরিচিত ব্যক্তিরা একে অপরের উপর সম্পূর্ণ বিশ্বাস করতে হয়। এতে কোনো আইনি দলিল বা প্রমাণ থাকে না। এটি সম্পূর্ণ বিশ্বাসের উপর নির্ভরশীল, এবং কোনো পার্টি কখনোই লেনদেন থেকে বেরিয়ে যেতে পারে, যার ফলে অন্যরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।"
"আমরা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে অপ্রাতিষ্ঠিক বিনিময় ও রেমিট্যান্স সিস্টেম ব্যবহার করতে বাধ্য, যা অর্থ হারানোর, চোরাচালান ও উচ্চ স্থানান্তর খরচের ঝুঁকি বহন করে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ইরান, গলফ দেশসমূহ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আলিরেজা ইয়াগহুবি (ফিনটেক অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান), আশকান বাহরামি (বাণিজ্য বিশেষজ্ঞ), রেজা (ইরানি IT ম্যানেজার)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪টি প্রধান ক্রিপ্টোকারেন্সি এক্সচেঞ্জ (নোবিটেক্স, ওয়ালেক্স, বিটপিন, রামজিনেক্স)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖