📌 যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য সামরিক হামলায় জবাব হিসেবে ইরান মধ্যপ্রাচ্য ছাড়াও বৈশ্বিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাতের পরিকল্পনা প্রস্তুত করছে। ইরানের শীর্ষ কমান্ডাররা আলোচনার পাশাপাশি বিস্তৃত সামরিক জবাবের পরিকল্পনা পর্যালোচনা করছেন
যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য নতুন সামরিক হামলায় জবাব হিসেবে ইরান মধ্যপ্রাচ্য ছাড়াও বৈশ্বিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাতের পরিকল্পনা প্রস্তুত করছে। ইরানের শীর্ষ সামরিক কমান্ডাররা আলোচনার পাশাপাশি বিস্তৃত সামরিক জবাবের পরিকল্পনা পর্যালোচনা করছেন। তবে ইরানের কর্মকর্তারা মনে করছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সরাসরি সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের বাইরের মার্কিন স্বার্থকেও লক্ষ্যবস্তু করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের নতুন সামরিক হামলায় ইরান প্রস্তুত: মধ্যপ্রাচ্য ছাড়াও বৈশ্বিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাতের পরিকল্পনা
- 📌 ইরানের শীর্ষ সামরিক কমান্ডাররা সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুর তালিকা বিস্তৃত করার পরিকল্পনা পর্যালোচনা করছেন
- 📌 ইরান মধ্যপ্রাচ্যের বাইরের মার্কিন স্বার্থকেও লক্ষ্যবস্তু করার বিষয় বিবেচনা করছে
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধের কারণে ইরানের অর্থনৈতিক সংকট আরও বাড়ছে
- 📌 ইরান কাতারের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আলোচনার পথ খোলা রাখছে
- 📌 ইরানের প্রস্তাব: হরমুজ প্রণালি খোলা, অবরোধ তুলে নেওয়া, ১২ বিলিয়ন ডলার জব্দ অর্থ ছাড় করা
- 📌 ট্রাম্প ইরানের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন, তবে ইরান ওয়াশিংটনের জবাব পর্যালোচনা করছে
📰 বিস্তারিত
যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য নতুন সামরিক হামলায় জবাব হিসেবে ইরান আরও শক্তিশালী এবং বিস্তৃত জবাব দেওয়ার পরিকল্পনা প্রস্তুত করছে। ইরানের শীর্ষ সামরিক কমান্ডাররা সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুর তালিকা আরও বিস্তৃত করার পরিকল্পনা পর্যালোচনা করছেন। এই পরিকল্পনায় শুধু যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি সংশ্লিষ্ট স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করার পরিবর্তে, মার্কিন সামরিক অভিযানকে সমর্থনকারী দেশগুলোর স্থাপনা এবং সম্ভব হলে মধ্যপ্রাচ্যের বাইরের কিছু স্থানকেও লক্ষ্যবস্তু করার বিষয় বিবেচনা করা হচ্ছে।
গত সপ্তাহে প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান নিউইয়র্ক থেকে দেশে ফেরার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র আবার হামলা চালালে কী ধরনের জবাব দেওয়া হবে এবং কখন দেওয়া হবে, তা নিয়ে ইরানের সামরিক কমান্ডার ও শীর্ষ কর্মকর্তারা আলোচনা জোরদার করেছেন। তবে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।
থিংক ট্যাংক ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের ইরানবিষয়ক জ্যেষ্ঠ বিশ্লেষক হামিদরেজা আজিজি বলেছেন, ইরান প্রতীকী পদক্ষেপের জবাবে প্রতীকী জবাব দিতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ নয়। বরং, তারা উত্তেজনা আরও বাড়াতে চায় বলে মনে হচ্ছে। ইরানের হিসাব-নিকাশের পেছনে আরেকটি বড় উদ্বেগ রয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধের কারণে ইরানের অর্থনীতি দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত সহ্য করতে পারবে কি না। মার্কিন অবরোধ ইরানের তেল রপ্তানি বন্ধ করে দিয়েছে, যা দেশটির রাজস্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উৎস।
ইরান কাতারের মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ওয়াশিংটনের কাছে একটি প্রস্তাব পাঠিয়েছে। প্রস্তাবটিতে যুদ্ধ বন্ধ করা, ইরানের বন্দরগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ তুলে নেওয়া, অন্তত ১২ বিলিয়ন ডলার জব্দ থাকা ইরানি অর্থ ছাড় করা এবং ইরানের ওপর আরোপিত তেল নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার বা ছাড় দেওয়ার বিষয় অন্তর্ভুক্ত ছিল। তবে ট্রাম্প ইরানের এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন। ইরানি সূত্রগুলো জানিয়েছে, ওয়াশিংটন চায় ইরানের বিতর্কিত পারমাণবিক কর্মসূচি আলোচনার অংশ হোক। তবে ইরানের অবস্থান হলো, তাদের নির্ধারিত ‘সাত শর্ত পূরণ হওয়ার পরই’ পারমাণবিক আলোচনা শুরু হতে পারে।
"তারা প্রতীকী পদক্ষেপের জবাবে প্রতীকী জবাব দিতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ বলে মনে হচ্ছে না। বরং, ডিটারেন্ট বা প্রতিরোধক্ষমতা পুনঃপ্রতিষ্ঠার আশায় তারা উত্তেজনা আরও বাড়াতে চায় বলে মনে হচ্ছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্র, ইরান, নিউইয়র্ক, ওয়াশিংটন, কাতার
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মাসুদ পেজেশকিয়ান, ডোনাল্ড ট্রাম্প, হামিদরেজা আজিজি, ইরানের শীর্ষ সামরিক কমান্ডাররা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২ বিলিয়ন ডলার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!