📅 ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৩৪ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ইরানের আইআরজিসির সম্ভাব্য ষড়যন্ত্র: ব্রিটেনের ফেয়ারফোর্ড বিমানঘাঁটিতে হুমকির পেছনে তেহরানের জড়িত থাকার সন্দেহ

ইরানের আইআরজিসির সম্ভাব্য ষড়যন্ত্র: ব্রিটেনের ফেয়ারফোর্ড বিমানঘাঁটিতে হুমকির পেছনে তেহরানের জড়িত থাকার সন্দেহ

📷 ছবি: Jamuna TV

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 যমুনা টিভি ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)-এর সম্ভাব্য ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। ফেয়ারফোর্ড বিমানঘাঁটিতে সন্ত্রাসী হুমকির পেছনে ইরানের জড়িত থাকার সম্ভাবনা নিয়ে যুক্তরাজ্য ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে তদন্ত চলছে

যুক্তরাজ্যের আরএএফ ফেয়ারফোর্ড বিমানঘাঁটিতে কথিত ষড়যন্ত্রের পেছনে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)-এর সম্ভাব্য জড়িত থাকার সন্দেহ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম। তিনি পার্লামেন্টে বলেছেন, এই ষড়যন্ত্রটি ইরান থেকে সমন্বয় করা হয়েছে এবং প্রায় নিশ্চিতভাবেই আইআরজিসির নির্দেশনা অনুসরণ করে। ফেয়ারফোর্ড বিমানঘাঁটি মার্কিন বোমারু বিমান ব্যবহারের কারণে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে, কারণ এটি ইরানে হামলা চালানোর জন্য ব্যবহৃত হয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম ইরানের আইআরজিসির সম্ভাব্য ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার সন্দেহ প্রকাশ করেছেন।
  • 📌 গত ২৭ সেপ্টেম্বর ফেয়ারফোর্ড বিমানঘাঁটিতে পাঁচ ব্রিটিশ নাগরিককে গ্রেফতার করা হয়, তাদের সঙ্গে জব্দ করা ভ্যানে পেট্রল পাওয়া যায়।
  • 📌 মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও ইরানের হুমকির কারণে ফেয়ারফোর্ড থেকে বোমারু বিমান সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা উল্লেখ করেছেন।
  • 📌 যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, ফ্রান্স ও জার্মানিসহ ৩০টি দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইরানের বিরুদ্ধে সহিংস হামলার অভিযোগের নিন্দা জানিয়েছে।
  • 📌 ব্রিটিশ সরকার ইরানের রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছেন এবং দুই ইরানি নাগরিকের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছেন।

📰 বিস্তারিত

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম সোমবার (১২ অক্টোবর) পার্লামেন্টে বলেছেন, ফেয়ারফোর্ড বিমানঘাঁটিতে কথিত ষড়যন্ত্রের পেছনে ইরানের সম্ভাব্য জড়িত থাকার সন্দেহ রয়েছে। তিনি বলেন, এই ষড়যন্ত্রটি ইরান থেকে সমন্বয় করা হয়েছে এবং প্রায় নিশ্চিতভাবেই ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের নির্দেশনা অনুসরণ করে। ইংল্যান্ডের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত ফেয়ারফোর্ড বিমানঘাঁটি ইরানে হামলা চালানোর জন্য মার্কিন বোমারু বিমান ব্যবহারের কারণে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

গত ২৭ সেপ্টেম্বর, স্থানীয় সময় ভোরে, ফেয়ারফোর্ড বিমানঘাঁটির কাছাকাছি এলাকা থেকে সন্ত্রাসবাদ ও বিস্ফোরক-সংক্রান্ত অপরাধের সন্দেহে পাঁচ ব্রিটিশ নাগরিককে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার হওয়া পাঁচজনকে পরে কঠোর শর্তে পুলিশি জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়। তাদের সঙ্গে জব্দ করা ভ্যানগুলোতে পেট্রল পাওয়া গেলেও কার্যকর বিস্ফোরক পাওয়া যায়নি। তবে পুলিশ ও প্রধানমন্ত্রী বার্নহ্যাম উভয়েই এই ঘটনার পেছনে কোনো বিদেশি রাষ্ট্রের জড়িত থাকার দিকে ইঙ্গিত করেছেন।

ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাবানা মাহমুদ পার্লামেন্টে বলেন, ইরানে অবস্থানরত এক পরিচিত ব্যক্তি এই ঘটনার পেছনে রয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ওই ব্যক্তির নাম প্রকাশ করেননি তিনি। প্রধানমন্ত্রী বার্নহ্যাম বলেন, যুক্তরাজ্যের ভূখণ্ডে এ ধরনের হুমকি সহ্য করা হবে না। তিনি আরও বলেন, অপরাধী নেটওয়ার্ক ব্যবহারের মাধ্যমে ইরানের তৎপরতা দমনে সব ধরনের ক্ষমতা প্রয়োগ করা হবে।

যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, ফ্রান্স ও জার্মানিসহ প্রায় ৩০টি দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক যৌথ বিবৃতিতে ইরানের বিরুদ্ধে সহিংস হামলা ও গোপন তৎপরতা চালানোর অভিযোগের নিন্দা জানিয়েছে। বিবৃতিতে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাজ্য ও তার অংশীদারদের লক্ষ্যবস্তু করার অভিযোগ তোলা হয়েছে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, যুক্তরাজ্য এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে যে, নিজেদের সীমানার বাইরে গোপন নেটওয়ার্ক ও সহযোগী গোষ্ঠীর মাধ্যমে শত্রুতামূলক তৎপরতা চালিয়ে যাওয়ার আগ্রহ আইআরজিসির রয়েছে।

"আমাদের মূল্যায়ন অনুযায়ী, ষড়যন্ত্রটি ইরান থেকে সমন্বয় করা হয়ে থাকার সম্ভাবনা অত্যন্ত বেশি। আর এর পেছনে প্রায় নিশ্চিতভাবেই রয়েছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: আরএএফ ফেয়ারফোর্ড বিমানঘাঁটি (ইংল্যান্ড), তেহরান (ইরান)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অ্যান্ডি বার্নহ্যাম (ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী), ডোনাল্ড ট্রাম্প (মার্কিন প্রেসিডেন্ট), সাইয়েদ আলী মুসাভি (ইরানের রাষ্ট্রদূত)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২ অক্টোবর (পার্লামেন্টে বক্তব্য), ২৭ সেপ্টেম্বর (গ্রেফতার), ৩০টি দেশের যৌথ বিবৃতি

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖