📌 মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেছেন, ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ সক্ষমতা উল্লেখযোগ্য হারে কমাতে হবে যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করতে। তিনি ইরানের অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া নিয়ে মার্কিন প্রশাসনের সংশয় প্রকাশ করেছেন
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স দাবি করেছেন, ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ সক্ষমতা উল্লেখযোগ্য হারে কমাতে হবে যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করতে। তিনি বলেছেন, ইরানকে বাস্তবে পদক্ষেপ নিতে হবে, না হলে কোনো যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর হবে না। বুধবার (৭ অক্টোবর) প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই মন্তব্য করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেছেন, ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ সক্ষমতা কমাতে হবে যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করতে।
- 📌 তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, ৬০ শতাংশ পর্যন্ত সমৃদ্ধ জ্বালানির প্রয়োজন কেন যদি পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির উদ্দেশ্য না থাকে?
- 📌 মার্কিন প্রশাসন ইরানের অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছে, বিশেষত আয়াতুল্লাহ খামেনির মৃত্যুর পর নেতৃত্বের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে।
- 📌 ইরান প্রত্যাখ্যান করেছে মার্কিন দাবি, বলেছে ওয়াশিংটন তাদের প্রতিপক্ষ সম্পর্কে ভালোভাবে জানে।
- 📌 মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে এই যুদ্ধের অর্থনৈতিক প্রভাব রিপাবলিকান পার্টিকে রাজনৈতিক চাপে ফেলেছে।
📰 বিস্তারিত
মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স আলাস্কায় নির্বাচনী প্রচারণা শেষে এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ সক্ষমতা কমাতে হবে যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করতে। তিনি বলেছেন, ইরানকে বাস্তবে পদক্ষেপ নিতে হবে, না হলে কোনো যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর হবে না। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, যদি ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির উদ্দেশ্য না থাকে, তবে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত সমৃদ্ধ জ্বালানির প্রয়োজন কেন?
ভ্যান্স আরও জানান, মার্কিন প্রশাসন ইরানের অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছে। তিনি বলেন, ওয়াশিংটন বর্তমানে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখছে। তবে তিনি উল্লেখ করেছেন, আয়াতুল্লাহ খামেনির মৃত্যুর পর বর্তমান নেতৃত্বের ওপর তাদের ঠিক কতটুকু নিয়ন্ত্রণ রয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকেই বলেছেন, ওয়াশিংটন ভালোভাবে জানে ইরানে তাদের প্রতিপক্ষ কারা এবং কীভাবে রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তিনি পাল্টা অভিযোগ করে বলেছেন, মার্কিন কর্মকর্তাদের পরস্পরবিরোধী অবস্থান ও অস্পষ্ট বার্তাই সমস্যার মূল কারণ।
সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত করা এবং সংঘাতের অবসান ঘটাতে মার্কিন ও ইরানের মধ্যে একাধিক প্রস্তাবের আদান-প্রদান হলেও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সর্বশেষ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন। ভ্যান্স বলেছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতার পথ খোলা রাখলেও কেবল মৌখিক কথার বিনিময়ে কোনো চুক্তি করবে না। তিনি দাবি করেছেন, ইরানের কাছ থেকে পরমাণু কর্মসূচির সুনির্দিষ্ট ছাড় প্রয়োজন।
"যেকোনো সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতি চুক্তির ক্ষেত্রে ইরানকে ভবিষ্যতের আশ্বাসের বদলে বাস্তবে সমৃদ্ধকরণ কমানোর প্রমাণ দিতে হবে। তারা আন্তরিক হলে সমৃদ্ধকরণ সক্ষমতার লাগাম টানতে দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেবে।" — মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ওয়াশিংটন (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র), তেহরান (ইরান)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকেই, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ মাস (যুদ্ধের দৈর্ঘ্য), ৬০ শতাংশ (ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ), ৩০০ কোটি ডলার (মাসিক যুদ্ধ খরচ), ৩ বিলিয়ন ডলার (মাসিক যুদ্ধ খরচ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!