📌 ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) ঘোষণা করেছে, নতুন অস্ত্র ও সামরিক সক্ষমতায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেঙ্গে দেবে। মুখপাত্র হোসেইন মোহেব্বি বলেছেন, হরমুজ প্রণালি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যাহার ও উপসাগরীয় ঘাঁটিগুলোতে আক্রমণে বিশ্বকে চমকে দেবে ইরান
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) ঘোষণা করেছে যে, সম্ভাব্য নতুন সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেঙ্গে দেবার জন্য নতুন অস্ত্র ও সামরিক সক্ষমতা নিয়ে যুদ্ধক্ষেত্রে হাজির হবে। বাহিনীর মুখপাত্র হোসেইন মোহেব্বি জানিয়েছেন, বিশ্বকে আতঙ্কিত করার জন্য ইরান নতুন লক্ষ্য ও অস্ত্র ব্যবহার করবে, যা আগে হামলার শিকার হয়নি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইরানের নতুন অস্ত্রে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেঙ্গে দেবার হুমকি — আইআরজিসির মুখপাত্র হোসেইন মোহেব্বি বলেছেন, নতুন সামরিক সক্ষমতায় যুদ্ধক্ষেত্রে হাজির হবে ইরান, যা বিশ্বকে চমকে দেবে।
- 📌 হরমুজ প্রণালি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যাহার স্বীকার করে ইরান — মোহেব্বি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র সেখানে নিয়ন্ত্রণ ফিরিয়ে পেতে ব্যর্থ হয়েছে এবং তাদের সামরিক ঘাঁটিগুলো ‘ঝুঁকিতে’ পরিণত হয়েছে।
- 📌 উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন গোয়েন্দা স্থাপনাগুলো ক্ষতিগ্রস্ত — মোহেব্বি দাবি করেন, ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে মার্কিন গোয়েন্দা স্থাপনাগুলোতে।
- 📌 মার্কিন MQ-1 ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি — আইআরজিসি দাবি করেছে, তাদের নতুন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা উন্নত MQ-9 ড্রোনও লক্ষ্যবস্তু করছে।
- 📌 সিরিয়ার আলেপ্পোর কাছে বিস্ফোরণে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে — রাতভর একের পর এক শক্তিশালী বিস্ফোরণে বিশাল অগ্নিগোলক ও ধোঁয়া দেখা গেছে।
📰 বিস্তারিত
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) নতুন সামরিক সক্ষমতা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেঙ্গে দেবার হুমকি দিয়েছে। বাহিনীর মুখপাত্র হোসেইন মোহেব্বি স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, সম্ভাব্য নতুন সংঘাতে যুদ্ধের ভৌগোলিক পরিসর এবং ব্যবহৃত অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জামে পরিবর্তন আসবে। তিনি বলেছেন, ইরানের নতুন লক্ষ্যও থাকবে, যেগুলো আগে হামলার শিকার হয়নি।
মোহেব্বি যুক্তরাষ্ট্রের ‘পরাজিত’ হওয়ার দাবি করেছেন, কিন্তু ওয়াশিংটন ঐতিহাসিক পরাজয় স্বীকার করার সাহস রাখেনি। তিনি দাবি করেন, হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ চলে যাওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র সেটি পুনরায় খুলতে পারেনি। মোহেব্বির ভাষ্য অনুযায়ী, ওয়াশিংটন তার সামরিক সক্ষমতার পুরোটা ব্যবহার করেও নৌপথটি পুনরায় চালু করতে ব্যর্থ হয়েছে।
ইরানের দাবি, মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলো নিরাপত্তার পরিবর্তে ‘ঝুঁকিতে’ পরিণত হয়েছে। মোহেব্বি বলেছেন, ইরানের হামলায় এসব ঘাঁটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের বিপুল বিনিয়োগের বিপরীত ফল হয়েছে। উপসাগরীয় অঞ্চল ও উত্তর ইরাকের কাছে মার্কিন গোয়েন্দা স্থাপনাগুলোতেও ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে বলে দাবি করেছেন তিনি।
এদিকে, হরমুজ প্রণালির ওপর একটি মার্কিন MQ-1 ড্রোন ভূপাতিত করার দাবিও করেছে আইআরজিসি। ইরানি সংবাদ সংস্থাগুলোতে প্রকাশিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রে ২০১৮ সালে MQ-1 Predator ড্রোন অবসর নিলেও উন্নত MQ-9 ড্রোন হারানোর পর আবার সেটি ব্যবহারে ফিরেছে। আইআরজিসির দাবি, তাদের নতুন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা উভয় ধরনের ড্রোনকেই লক্ষ্যবস্তু করছে।
সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলীয় শহর আলেপ্পোর কাছে একটি সেনা স্থাপনায় রাতভর একের পর এক শক্তিশালী বিস্ফোরণে বিশাল অগ্নিগোলক ও ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা গেছে। বিস্ফোরণে আকাশে বিশাল অগ্নিগোলক ও ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা গেছে, যা স্থানীয় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে দিয়েছে।
"সম্ভাব্য নতুন সংঘাতে যুদ্ধের ভৌগোলিক পরিসর এবং ব্যবহৃত অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম—দুই ক্ষেত্রেই পরিবর্তন আসবে। ইরানের নতুন লক্ষ্যও থাকবে, যেগুলো আগে হামলার শিকার হয়নি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: হরমুজ প্রণালি, উপসাগরীয় অঞ্চল, উত্তর ইরাক, সিরিয়ার আলেপ্পো
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হোসেইন মোহেব্বি (আইআরজিসি মুখপাত্র)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১টি MQ-1 ড্রোন, ১টি MQ-9 ড্রোন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!