📌 ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিতে ব্যবহৃত ইরানের নতুন ক্ষেপণাস্ত্র 'কাস্টল ব্রেকার' নিয়ে বিশ্লেষণ। ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের তৈরি এই ক্ষেপণাস্ত্রটির পাল্লা ১ হাজার ৪৫০ কিলোমিটার এবং ওয়ারহেড ক্ষমতা ৪৪৯ থেকে ৫৯০ কেজি পর্যন্ত।
ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের নতুন পর্যায়ে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের তৈরি 'কাস্টল ব্রেকার' ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের ঘটনা আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে। পার্সিয়ান ভাষায় যার অর্থ 'কেল্লা ভাঙা', ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) নির্মিত এই মাঝারি পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রটি যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সামরিক প্রতিশোধমূলক হামলায় ব্যবহৃত হচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইরানের 'কাস্টল ব্রেকার' ক্ষেপণাস্ত্রটির পাল্লা প্রায় ১ হাজার ৪৫০ কিলোমিটার এবং ওয়ারহেড ক্ষমতা ৪৪৯ থেকে ৫৯০ কেজি পর্যন্ত
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ইরান এই ক্ষেপণাস্ত্রটি ব্যবহারের দাবি করেছে, বিশেষত জর্ডান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবস্থিত সামরিক ঘাঁটিতে
- 📌 ক্ষেপণাস্ত্রটির ইঞ্জিন সলিড-ফুয়েল প্রযুক্তিতে তৈরি, যা দ্রুত উৎক্ষেপণের সুবিধা প্রদান করে
- 📌 ইরান দাবি করেছে, গত ছয় মাসের সংঘর্ষে ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদ অক্ষুণ্ণ রয়েছে
📰 বিস্তারিত
গত সোমবার ইরানের লারাক দ্বীপে অবস্থিত রকেট লঞ্চারগুলিতে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘর্ষ নতুন মাত্রা লাভ করে। ইরান দ্রুত পাল্টা হামলা চালিয়ে জর্ডান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। যুক্তরাষ্ট্রও পাল্টা হামলা অব্যাহত রাখে, যার ফলে যুদ্ধের নতুন পর্যায় শুরু হয়েছে।
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) নির্মিত 'কাস্টল ব্রেকার' ক্ষেপণাস্ত্রটি ইরানের সামরিক শক্তির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। পার্সিয়ান ভাষায় যার অর্থ 'কেল্লা ভাঙা', এই ক্ষেপণাস্ত্রটির পাল্লা প্রায় ১ হাজার ৪৫০ কিলোমিটার এবং ওয়ারহেড ক্ষমতা ৪৪৯ থেকে ৫৯০ কেজি পর্যন্ত। ক্ষেপণাস্ত্রটির ইঞ্জিন সলিড-ফুয়েল প্রযুক্তিতে তৈরি, যা দ্রুত উৎক্ষেপণের সুবিধা প্রদান করে এবং এটি দীর্ঘ সময় সংরক্ষণ করা যায়।
গত জুলাই মাসে আইআরজিসি প্রকাশিত ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিতে হামলায় 'কাস্টল ব্রেকার' ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহৃত হয়েছে। এছাড়া, জর্ডানের আজরাক অঞ্চলে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের বিমান রক্ষণাবেক্ষণ কেন্দ্র ও নতুন কমান্ড-এন্ড-কন্ট্রোল কেন্দ্রেও এই ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের দাবি করেছে ইরান।
"ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডার ছয় মাসের সংঘর্ষের পরও অক্ষুণ্ণ রয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে প্রতিশোধমূলক হামলায় এটি ব্যবহৃত হচ্ছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইরান, জর্ডান, সংযুক্ত আরব আমিরাত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: পাল্লা ১ হাজার ৪৫০ কিলোমিটার, ওয়ারহেড ক্ষমতা ৪৪৯-৫৯০ কেজি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!