📌 ইরানের ইমাম খোমেনি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও পুরোপুরি সচল রয়েছে। বিমানবন্দরের সিইও রামিন কাশেফ-আজার জানান, ২৩ সেপ্টেম্বরও ৬০টি ফ্লাইট পরিচালিত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা ইরানের আন্তর্জাতিক বিমান যোগাযোগে প্রভাব ফেলেছে, কিন্তু চীন ও রাশিয়ার সাথে ফ্লাইট চলমান রয়েছে
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও ইরানের ইমাম খোমেনি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পুরোপুরি সচল রয়েছে। বিমানবন্দরের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) রামিন কাশেফ-আজার জানান, নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হওয়ার দিন, অর্থাৎ ২৩ সেপ্টেম্বর, বিমানবন্দরটি সফলভাবে ৬০টি ফ্লাইট পরিচালনা করেছে। এছাড়াও, ৩০টিরও বেশি আন্তর্জাতিক গন্তব্যে নিয়মিত ফ্লাইট চলমান রয়েছে বলে তিনি জানান।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২৩ সেপ্টেম্বর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হওয়ার দিনেও ইমাম খোমেনি বিমানবন্দর ৬০টি ফ্লাইট পরিচালনা করেছে
- 📌 ৩০টি+ আন্তর্জাতিক গন্তব্যে নিয়মিত ফ্লাইট চলমান, নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হওয়ার পর ওমান ও সংযুক্ত আরব আমিরাত ইরানি ফ্লাইট স্থগিত করেছে
- 📌 ইরাকের ৪টি বিমানবন্দর ইরানি ফ্লাইট বন্ধ করেছে, কিন্তু চীন ও রাশিয়া সহ অন্যান্য দেশে ফ্লাইট চলমান
- 📌 মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট সতর্কবার্তা দিয়েছেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক ব্যবস্থা থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে
📰 বিস্তারিত
ইরানের বিমান চলাচল খাতে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হওয়ার পরও ইমাম খোমেনি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পুরোপুরি সচল রয়েছে। বিমানবন্দরের সিইও রামিন কাশেফ-আজার সংবাদমাধ্যমকে জানান, ৮ সেপ্টেম্বর কার্যকর হওয়া নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও বিমানবন্দরটি ২৩ সেপ্টেম্বরও ৬০টি ফ্লাইট পরিচালনা করেছে। এছাড়াও, ৩০টিরও বেশি আন্তর্জাতিক গন্তব্যে নিয়মিত ফ্লাইট চলমান রয়েছে।
মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্টের সতর্কবার্তা অনুযায়ী, ইরানি এয়ারলাইনস পরিচালিত উড়োজাহাজে জ্বালানি সরবরাহ, অবতরণ-সংক্রান্ত সেবা বা টিকিট বিক্রি সহ যেকোনো কাজে যুক্ত বিমানবন্দর ও প্রতিষ্ঠানগুলোও গৌণ নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়তে পারে। এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক ব্যবস্থা থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।
নিষেধাজ্ঞার প্রভাব ইতোমধ্যে ইরানের আন্তর্জাতিক বিমান যোগাযোগে পড়তে শুরু করেছে। ওমান ও সংযুক্ত আরব আমিরাত ইরানি ফ্লাইট স্থগিত করেছে। একইভাবে, ইরাকের চারটি বিমানবন্দরও ইরানি ফ্লাইট বন্ধ করেছে। তবে, চীন ও রাশিয়ার সাথে ফ্লাইট পরিচালনা অব্যাহত রয়েছে। ফলে, মার্কিন নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও ইরানের প্রধান বিমানবন্দরটি আন্তর্জাতিক যোগাযোগ পুরোপুরি বন্ধ হয়নি।
"নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হওয়ার দিনও বিমানবন্দরটি ৬০টি ফ্লাইট পরিচালনা করেছে। ৩০টিরও বেশি আন্তর্জাতিক গন্তব্যে নিয়মিত ফ্লাইট চলমান রয়েছে।"
"ইরানি এয়ারলাইনস পরিচালিত উড়োজাহাজে জ্বালানি সরবরাহ, অবতরণ-সংক্রান্ত সেবা কিংবা টিকিট বিক্রির মতো কাজে যুক্ত বিমানবন্দর ও প্রতিষ্ঠানগুলোও গৌণ নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে পড়তে পারে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইমাম খোমেনি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, তেহরান (ইরান)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সিইও রামিন কাশেফ-আজার, মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬০টি ফ্লাইট (২৩ সেপ্টেম্বর), ৩০টি+ আন্তর্জাতিক গন্তব্য, ২৭টি এয়ারলাইনস, ৪টি ইরাকি বিমানবন্দর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!