📌 ইরান যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ট্রাম্পকে ‘শাস্তি’ দেওয়ার লক্ষ্যে হরমুজ প্রণালিতে হামলা বাড়িয়ে দিচ্ছে। ইরানি কর্মকর্তারা বলছেন, তারা ৩ নভেম্বরের নির্বাচনে ট্রাম্পের প্রভাব কমাতে চায়। সামরিক অভিযান সত্ত্বেও তেল রপ্তানি বেড়েছে, কিন্তু দামে ৩০ ডলার অতিরিক্ত খরচ হচ্ছে
ইরান যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে হরমুজ প্রণালিতে হামলা বাড়িয়ে দিচ্ছে। ইরানের শীর্ষ নেতৃত্ব মনে করছে, ট্রাম্পের জ্বালানির দামে কম সংবেদনশীলতা থাকলে ইরানের কৌশলগত লক্ষ্য পূরণ হবে। ইরানি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তারা ৩ নভেম্বর অনুষ্ঠিত মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্পের প্রভাব কমাতে চায়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইরান মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ট্রাম্পকে ‘শাস্তি’ দেওয়ার লক্ষ্যে হরমুজ প্রণালিতে হামলা বাড়িয়ে দিচ্ছে, যা ১৯৭৯ সালের আমেরিকান জিম্মি সংকটের মতোই পরিকল্পিত
- 📌 সেপ্টেম্বরে সপ্তাহে গড় ৩০টি হামলা থেকে বর্তমানে ২০টিরও বেশি জাহাজে হামলা চালানো হচ্ছে, যার মধ্যে একটি জাহাজ ডুবে গেছে
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী প্রতিদিন যুদ্ধবিমান, ড্রোন ও স্পেশাল ফোর্সের মাধ্যমে জাহাজগুলিকে নিরাপদে পথ দেখাচ্ছে, কিন্তু ‘ভূ-রাজনৈতিক ঝুঁকি’র কারণে প্রতি ব্যারেল তেলের দামে ৩০ ডলার অতিরিক্ত খরচ হচ্ছে
- 📌 ইরানি এমপি ফাদা হোসেইন মালেকি বলেছেন, হরমুজ প্রণালি ‘দৃঢ়তার সঙ্গে রক্ষা’ করতে ইরান বাধ্য
- 📌 ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মহসিন রেজাই জানিয়েছেন, প্রতি রাতে পাঁচ থেকে ছয়টি জাহাজ লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে হামলা চালানো হচ্ছে
📰 বিস্তারিত
মধ্যপ্রাচ্যের কূটনীতিক ও কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইরান যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে হরমুজ প্রণালিতে হামলা বাড়িয়ে দিচ্ছে। তারা মনে করছেন, ট্রাম্পের জ্বালানির দামে কম সংবেদনশীলতা থাকলে ইরানের কৌশলগত লক্ষ্য পূরণ হবে। ইরানি কর্মকর্তারা বলছেন, তারা ৩ নভেম্বর অনুষ্ঠিত মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্পের প্রভাব কমাতে চায়। এক আরব কূটনীতিক ও এক পশ্চিমা কূটনীতিক জানিয়েছেন, ইরানিরা ট্রাম্পকে ‘শাস্তি’ দেওয়ার লক্ষ্যে কাজ করছে, যা ১৯৭০-এর দশকের শেষভাগে ইরানে আমেরিকান জিম্মি সংকটের মতোই পরিকল্পিত।
হরমুজ প্রণালিতে সহিংসতার হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী প্রতিদিন যুদ্ধবিমান, ড্রোন ও স্পেশাল অপারেশন ফোর্সের মাধ্যমে জাহাজগুলিকে নিরাপদে পথ দেখাচ্ছে। তবে, ইরানি কর্মকর্তারা যুক্তরাষ্ট্রের এই অভিযানকে ‘চোরাচালান’ বলে বর্ণনা করেছেন। ইরানি এমপি ফাদা হোসেইন মালেকি বলেছেন, ‘গুরুত্বপূর্ণ এই আন্তর্জাতিক জলপথ রক্ষা করতে ইরান বাধ্য’।
ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মহসিন রেজাই জানিয়েছেন, প্রতি রাতে পাঁচ থেকে ছয়টি জাহাজ লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে হামলা চালানো হচ্ছে। তিনি বলেছেন, ‘ওমানের উপকূলীয় পানিতে সক্রিয় কিছু দুষ্কৃতকারীকে ভাড়া করে ট্রাম্প এখন চোরাচালানের পথ বেছে নিয়েছেন’। রেজাই হুমকি দিয়েছেন, যদি আবারও যুদ্ধ শুরু হয়, তাহলে ইরান আরও অঞ্চলের অবকাঠামোতে হামলা চালাবে।
"তারা (ইরানিরা) এটা নিয়ে ভীষণ মগ্ন। তারা মনে করে, তারা একজনকে প্রেসিডেন্টকে পদ থেকে দুর্বল করতে পারবে।"
ইরানের গণমাধ্যমে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তার রেটিংয়ের পরিবর্তন ও জ্বালানির দামের বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। ইরানি কর্মকর্তারা মনে করছেন, ট্রাম্পের মেয়াদের শেষ অর্ধে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা বাধাগ্রস্ত হবে। গ্লোবাল অ্যানালিটিক্স প্রতিষ্ঠান কেপলার-এর তথ্য অনুযায়ী, ‘ভূ-রাজনৈতিক ঝুঁকি’র কারণে প্রতি ব্যারেল তেলের দামে অতিরিক্ত ৩০ ডলার যুক্ত হচ্ছে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: হরমুজ প্রণালি, পারস্য উপসাগর, ওমানের উপকূল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডোনাল্ড ট্রাম্প, মহসিন রেজাই, ফাদা হোসেইন মালেকি, জিমি কার্টার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ নভেম্বর (মধ্যবর্তী নির্বাচন), ৩০টি (সপ্তাহে গড় হামলা), ২০টি (বর্তমান মাসে হামলা), ৩০ ডলার (তেলের অতিরিক্ত খরচ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!