📌 যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু নির্বাচনের আগেই ইরানে সামরিক হামলার পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেছেন। ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি পুনর্গঠনের তথ্য জানিয়ে নেতানিয়াহু ট্রাম্পকে সতর্ক করেছেন
যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগেই ইরানে নতুন সামরিক অভিযান চালানোর বিষয়ে আলোচনা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) প্রকাশিত এই প্রতিবেদনে দুই মার্কিন কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অবগত অন্যান্য সূত্রের তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইরানে হামলা: ট্রাম্প ও নেতানিয়াহু নির্বাচনের আগেই ইরানে সামরিক অভিযানের পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেছেন।
- 📌 পারমাণবিক কর্মসূচি: নেতানিয়াহু ট্রাম্পকে জানান, ইরান ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের জন্য পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন স্থাপনাটি ব্যবহার করছে বলে গোয়েন্দা তথ্য।
- 📌 হোয়াইট হাউসের প্রতিক্রিয়া: ট্রাম্পের কর্মকর্তা দাবি করেছেন, নির্বাচনের আগে হামলা চালানোর পরিকল্পনা থেকে সরে এসেছেন ট্রাম্প।
- 📌 সামরিক প্রস্তুতি: যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। ট্রাম্প এখনো স্পষ্ট প্রতিশ্রুতি দেননি, কিন্তু নেতানিয়াহুকে প্রস্তুত থাকতে বলেছেন।
- 📌 ইসরায়েলের নির্বাচন: ইসরায়েলের সেনাপ্রধান জানিয়েছেন, যুদ্ধ শুরু হলে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কারণে ২৭ অক্টোবরের নির্বাচন পিছিয়ে দিতে হতে পারে।
- 📌 কাতারের মধ্যস্থতাকারী: যুক্তরাষ্ট্রের সর্বশেষ প্রস্তাবের জবাবের অপেক্ষায় রয়েছেন কাতারের মধ্যস্থতাকারীরা।
📰 বিস্তারিত
মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর আলোচনা হয়েছিল তার আগে, যখন ট্রাম্প প্রকাশ্যে বলেছিলেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ইরানে হামলা চালাবেন না। তবে এই আলোচনায় ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি পুনর্গঠনের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। নেতানিয়াহু ট্রাম্পকে ইসরায়েলি গোয়েন্দাদের তথ্য জানান যে, ইরান ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের জন্য পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন স্থাপনাটি ব্যবহার করছে।
হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা এই খবরকে ‘মিথ্যা’ বলে দাবি করেছেন। তার মতে, ট্রাম্প নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে হামলা চালানোর পরিকল্পনা থেকে সরে এসেছেন। তবে, মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ ও সেন্ট্রাল কমান্ডের নেতৃত্ব এই হামলার পক্ষে সবচেয়ে জোরালো অবস্থান নিয়েছেন। অন্যদিকে, ট্রাম্পের অধিকাংশ উপদেষ্টা নতুন হামলার পরিবর্তে নিষেধাজ্ঞা ও অর্থনৈতিক চাপ অব্যাহত রাখার পক্ষে।
ইসরায়েলের সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল ইয়াল জামির মার্কিন জয়েন্ট চিফসের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইনকে জানিয়েছেন, আগামী তিন সপ্তাহের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হলে ইরানের সম্ভাব্য ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কারণে ইসরায়েলের ২৭ অক্টোবরের নির্বাচন পিছিয়ে দিতে হতে পারে।
"নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে হামলা চালানোর পরিকল্পনা থেকে সরে এসেছেন ট্রাম্প।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল, ইরান, কাতার
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডোনাল্ড ট্রাম্প, বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু, পিট হেগসেথ, লেফটেন্যান্ট জেনারেল ইয়াল জামির, জেনারেল ড্যান কেইন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৩ অক্টোবর, ২৭ অক্টোবর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!