📅 ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪:৩০ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

পশ্চিমা গণমাধ্যমের পক্ষপাতদুষ্ট প্রতিবেদনকে সমালোচনা: ইরানের রাষ্ট্রদূত জলিল রহিমী

পশ্চিমা গণমাধ্যমের পক্ষপাতদুষ্ট প্রতিবেদনকে সমালোচনা: ইরানের রাষ্ট্রদূত জলিল রহিমী

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ঢাকায় নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত জলিল রহিমী পশ্চিমা গণমাধ্যমের পক্ষপাতদুষ্ট প্রতিবেদনকে সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেছেন, ফিলিস্তিন ও গাজার নির্যাতিতদেরকে ‘সন্ত্রাসী’ হিসেবে এবং ইসরায়েলকে ‘গণতন্ত্রের রক্ষাকর্তা’ হিসেবে উপস্থাপন করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক আইনের দাবি তুলে তিনি প্রশ্ন তুলেছেন নিরাপত্তা পরিষদের অনুমোদন ছাড়া ইরানের ওপর হামলার বৈধতা সম্পর্কে

ঢাকায় নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত জলিল রহিমী জাহানাবাদী পশ্চিমা গণমাধ্যমের পক্ষপাতদুষ্ট প্রতিবেদনকে সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেছেন, পশ্চিম এশিয়ায় চলমান যুদ্ধের ঘটনাপ্রবাহে পশ্চিমা গণমাধ্যমগুলো ফিলিস্তিন ও গাজার নির্যাতিত মানুষকে ‘সন্ত্রাসী’ হিসেবে এবং ইসরায়েলকে ‘গণতন্ত্রের রক্ষাকর্তা’ হিসেবে উপস্থাপন করছে। মঙ্গলবার ঢাকার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগের সেমিনারে তিনি এ কথাগুলো তুলে ধরেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **পক্ষপাতদুষ্ট প্রতিবেদন**: পশ্চিমা গণমাধ্যমে ফিলিস্তিন ও গাজার নির্যাতিতদেরকে ‘সন্ত্রাসী’ হিসেবে এবং ইসরায়েলকে ‘গণতন্ত্রের রক্ষাকর্তা’ হিসেবে উপস্থাপন করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ইরানের রাষ্ট্রদূত জলিল রহিমী।
  • 📌 **গণমাধ্যমের লড়াই**: তিনি বলেছেন, প্রতিটি যুদ্ধে গণমাধ্যমের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পশ্চিমা প্রচারণা অন্যায্য এবং পক্ষপাতদুষ্ট বলে দাবি করেছেন তিনি।
  • 📌 **আন্তর্জাতিক আইনের দাবি**: জাতিসংঘ সনদের ৫১ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আত্মরক্ষার অধিকার এবং ৪২ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নিরাপত্তা পরিষদের অনুমোদন ছাড়া ইরানের ওপর হামলার বৈধতা নেই বলে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।
  • 📌 **বাংলাদেশের বন্ধুত্ব**: রাষ্ট্রদূত বলেছেন, বাংলাদেশের মানুষ অত্যন্ত আন্তরিক এবং ইরানিদের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন। তিনি বাংলাদেশের মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
  • 📌 **সেমিনার অংশগ্রহণ**: সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার গ্রিগোরিয়েভিচ খোজিন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. রইস উদ্দীন এবং বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

📰 বিস্তারিত

‘পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ ও বিশ্ব গণমাধ্যম: নৈতিক দায়বদ্ধতা ও আত্মপর্যালোচনা’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তব্যে জলিল রহিমী বলেন, বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে একটি প্রকৃত যুদ্ধ চলছে। তিনি উল্লেখ করেন, একটি পরাশক্তি ও তাদের ঘনিষ্ঠ মিত্র ইরানের মতো একটি স্বাধীন দেশের ওপর আক্রমণ চালিয়েছে। তিনি বলেন, প্রতিটি যুদ্ধে সামরিক, অর্থনৈতিক, নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক দিক থাকলেও গণমাধ্যমের ভূমিকা অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ।

রাষ্ট্রদূত বলেন, পশ্চিমা গণমাধ্যমের প্রতিবেদন পক্ষপাতদুষ্ট এবং অন্যায্য। তিনি বলেন, স্বাধীন গণমাধ্যমের দায়িত্ব হলো মাঠের প্রকৃত ও বস্তুনিষ্ঠ সত্য বিশ্ববাসীদের সামনে তুলে ধরা। তিনি জাতিসংঘ সনদের দুটি বিধানের কথা উল্লেখ করেন। প্রথমটি হলো ৫১ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আত্মরক্ষার অধিকার এবং দ্বিতীয়টি হলো ৪২ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নিরাপত্তা পরিষদের অনুমোদন ছাড়া বলপ্রয়োগের বৈধতা নেই বলে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।

বক্তব্যের শুরুতে রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ অত্যন্ত আন্তরিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ। তাঁরা মহান আল্লাহর ওপর অবিচল বিশ্বাস রাখেন এবং সব সময় ইরান ও এর জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছেন। বাংলাদেশের মানুষ ইরানিদের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন। আমরা এই ঐতিহাসিক বন্ধুত্ব অটুট রাখতে চাই।’

"বাংলাদেশের মানুষ অত্যন্ত আন্তরিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ। তাঁরা মহান আল্লাহর ওপর অবিচল বিশ্বাস রাখেন এবং সব সময় ইরান ও এর জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছেন। বাংলাদেশের মানুষ ইরানিদের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাষ্ট্রদূত জলিল রহিমী জাহানাবাদী
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: জাতিসংঘ সনদের ৫১ ও ৪২ নম্বর অনুচ্ছেদ

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖