📌 ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি নিউইয়র্কে জাতিসংঘের অধিবেশনে ইউরোপীয় কূটনীতিকদের সঙ্গে বৈঠকে জানিয়েছেন, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার হলে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে আন্তর্জাতিক পরিদর্শকদের প্রবেশের সুযোগ দিতে রাজি। এছাড়াও ইরানের অর্থনৈতিক সংকটের গভীরতা প্রকাশ পেয়েছে মূল্যস্ফীতি ৯০% ও মুদ্রাস্ফীতি ৩০% বৃদ্ধির মাধ্যমে
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে নিউইয়র্কে ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যের কূটনীতিকদের সঙ্গে বৈঠকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিনিময়ে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে আন্তর্জাতিক পরিদর্শকদের প্রবেশের সুযোগ দিতে রাজি বলে জানিয়েছেন। ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) আলোচনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কূটনীতিকদের বরাতে জানানো হয়েছে, আরাঘচি নিষেধাজ্ঞা শিথিলের বিনিময়ে পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে পরিদর্শনের সুযোগ পুনর্বহাল করার প্রস্তাব দিয়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি নিউইয়র্কে জাতিসংঘের অধিবেশনে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিনিময়ে আন্তর্জাতিক পরিদর্শকদের পারমাণবিক স্থাপনায় প্রবেশের অনুমতি দিতে রাজি
- 📌 ইরানের অর্থনৈতিক সংকটের চিহ্ন: মূল্যস্ফীতি ৯০% ও রিয়ালের বিপরীতে ডলারের মূল্য ৩০% কমেছে
- 📌 মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের মূল্যস্ফীতি ৩০১% এবং মুদ্রা ‘মূল্যহীন’ হয়ে পড়েছে
- 📌 ইরানের তেল রফতানি কার্যক্রম বন্ধ হয়ে পড়েছে, কারণ যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধের কারণে কোনো অপরিশোধিত তেল ট্যাংকারে তেল তুলতে পারেনি
- 📌 ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার আলোচনা পুনরায় শুরু করার জন্য তেহরানকে পারমাণবিক কর্মসূচিতে ছাড় দেওয়ার চাপ দেওয়া হচ্ছে
📰 বিস্তারিত
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে ইউরোপীয় ও মধ্যপ্রাচ্যের কূটনীতিকদের সঙ্গে একাধিক বৈঠকে আরাঘচি নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিনিময়ে আন্তর্জাতিক পরিদর্শকদের প্রবেশের অনুমতি দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন। তবে ইউরোপীয় দেশগুলো নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে। ইরানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহালের প্রক্রিয়া ‘স্ন্যাপব্যাক’ নামে পরিচিত এবং গত সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হয়েছে।
ইরানের অর্থনৈতিক সংকটের চিহ্ন হিসেবে মূল্যস্ফীতি ৯০% এবং রিয়ালের বিপরীতে ডলারের মূল্য ৩০% কমেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের মূল্যস্ফীতি ৩০১% এবং মুদ্রা ‘মূল্যহীন’ হয়ে পড়েছে। ব্লুমবার্গের তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধের কারণে ইরান গত মাসে কোনো অপরিশোধিত তেল ট্যাংকারে তুলতে পারেনি, ফলে তেল রফতানি কার্যক্রম বড় ধরনের চাপে পড়েছে।
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার আলোচনা পুনরায় শুরু করার জন্য তেহরানকে পারমাণবিক কর্মসূচিতে ছাড় দেওয়ার চাপ দেওয়া হচ্ছে। আলোচনায় যুক্ত মধ্যস্থতাকারী ও কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইরান সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করার পর থেকে কোনো ছাড় দেয়নি। তারা বলেছেন, নতুন আলোচনা শুরু করার আগে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে কিছু ছাড় চায় তেহরান।
"নিষেধাজ্ঞা শিথিল বা প্রত্যাহার করা হলে ইরানের ওপর হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে আন্তর্জাতিক পরিদর্শকদের প্রবেশের সুযোগ পুনর্বহাল করতে তেহরান প্রস্তুত"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নিউইয়র্ক (জাতিসংঘের অধিবেশন)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আব্বাস আরাঘচি (ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী), ডোনাল্ড ট্রাম্প (মার্কিন প্রেসিডেন্ট)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯০% (মূল্যস্ফীতি), ৩০% (রিয়ালের মূল্য কমে), ৩০১% (ট্রাম্পের দাবি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!