📌 ইন্ডিগো বিমানে পাওয়ার ব্যাংক থেকে আগুন ধরে হায়দরাবাদে জরুরি অবতরণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়। নেপালের গোরখা জেলায় বন্যা আঘাত হানে, ৩৫টি বাড়ি ও সেতু ভেসে যায়।
দিল্লি থেকে চেন্নাইগামী ইন্ডিগো বিমানে পাওয়ার ব্যাংক থেকে আগুন ধরে গেলে হায়দরাবাদে জরুরি অবতরণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়। রোববার (১১ অক্টোবর) এই দুর্ঘটনা ঘটে। বিমানের ওভারহেড লাগেজ কম্পার্টমেন্টে থাকা একটি লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি পাওয়ার ব্যাংক অতিরিক্ত গরম হয়ে বিস্ফোরিত হয়। ফ্লাইট চলাকালে ধোঁয়া ও আগুন দেখা যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, যাত্রীরা নিজেদের লাগেজ ও ব্যাগ দিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করছিলেন। তবে কেবিন ক্রুরা দ্রুত অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র ব্যবহার করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইন্ডিগো বিমানে পাওয়ার ব্যাংক থেকে আগুন: দিল্লি-চেন্নাই ফ্লাইটে ওভারহেড লাগেজে থাকা লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি পাওয়ার ব্যাংক অতিরিক্ত গরম হয়ে বিস্ফোরিত হয়
- 📌 জরুরি অবতরণ: পাইলট হায়দরাবাদ বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণের নির্দেশ দেন, সব যাত্রী ও ক্রু নিরাপদে পৌঁছান
- 📌 বন্যা আঘাত হানে নেপালে: গোরখা জেলার চুমনুব্রি গ্রামে ত্রিশূলী নদীর উপনদী বুড়ি গণ্ডকি নদীতে পানি বেড়ে ৩৫টি বাড়ি ও সেতু ভেসে যায়
- 📌 ক্ষতিগ্রস্ত প্রকল্প: একটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়
📰 বিস্তারিত
রোববার (১১ অক্টোবর) সকালে দিল্লি থেকে চেন্নাইগামী ইন্ডিগোর একটি ফ্লাইটে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। বিমানের ওভারহেড লাগেজ কম্পার্টমেন্টে থাকা একটি পাওয়ার ব্যাংক লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি অতিরিক্ত গরম হয়ে বিস্ফোরিত হয়। বিমানের ভেতরে ধোঁয়া ও আগুন দেখা যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, যাত্রীরা নিজেদের লাগেজ ও ব্যাগ দিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করছিলেন। তবে দ্রুত তৎপর হয়ে কেবিন ক্রুরা অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র ব্যবহার করে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে পাইলট দ্রুত বিমানটিকে হায়দরাবাদ বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করান। ইন্ডিগোর তথ্য অনুযায়ী, বিমানের সব যাত্রী ও ক্রু সদস্যরা সম্পূর্ণ নিরাপদ ও অক্ষত রয়েছেন। এই ঘটনার পর বিমানটিতে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা পরীক্ষা ও তল্লাশি চালানো হয়েছে।
এই ঘটনার পাশাপাশি নেপালের গোরখা জেলায় বন্যা আঘাত হানে। ত্রিশূলী নদীর উপনদী বুড়ি গণ্ডকি নদীতে পানির উচ্চতা বেড়ে যাওয়ার পর এ বন্যা হয়। চুমনুব্রি গ্রামে হড়পা বনে ৩৫টি বাড়ি ও একটি সেতু ভেসে যায়। ক্ষতিগ্রস্ত হয় একটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পও। বন্যার কারণে স্থানীয়দের জীবন ও সম্পদে মারাত্মক ক্ষতি হয়।
"বিমানের ওভারহেড লাগেজ কম্পার্টমেন্টে থাকা পাওয়ার ব্যাংক লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি অতিরিক্ত গরম হয়ে বিস্ফোরিত হয়। পাইলট দ্রুত হায়দরাবাদে জরুরি অবতরণের নির্দেশ দেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দিল্লি, চেন্নাই, হায়দরাবাদ (ভারত); গোরখা জেলা, চুমনুব্রি গ্রাম (নেপাল)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইন্ডিগো বিমানের পাইলট ও ক্রু সদস্যরা, নেপালের স্থানীয় বাসিন্দারা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৫টি বাড়ি ও সেতু ভেসে যায় (নেপাল)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!