📌 ভারতের গুরুগ্রামে বাসা থেকে অপহরণের অভিযোগ করে ইউটিউবার ধ্রুব রাঠী বলেছেন, তাকে পুলিশের বদলে অপরাধীর মতো নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তিনি জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনে অংশ নেওয়ার আগে অপহরণের ঘটনাকে 'অনানুষ্ঠানিক জরুরি অবস্থা' বলে অভিহিত করেছেন
ভারতের হরিয়ানার গুরুগ্রামে বাসা থেকে অপহরণের অভিযোগ করে ইউটিউবার ও কন্টেন্ট ক্রিয়েটর ধ্রুব রাঠী বলেছেন, তাকে পুলিশের হাতে আটক করা হয়নি বরং রীতিমতো অপহরণ করা হয়েছে। তিনি এই ঘটনাকে উত্তর কোরিয়ার মতো স্বৈরতান্ত্রিক ব্যবস্থার তুলনা করেছেন। রোববার (১১ অক্টোবর) তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত একটি ভিডিও বার্তায় তিনি এই অভিযোগ তুলেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 অপহরণের অভিযোগ: ধ্রুব রাঠী দাবি করেছেন, তাকে পুলিশের বদলে সাদা পোশাকের অপরাধীদের পাঠিয়ে অপহরণ করা হয়েছে। তিনি বলেছেন, "আমাকে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে, শোবার ঘর থেকে টেনে বের করে সিঁড়ি দিয়ে নিচে নামানো হয়েছে। এতে আমি গুরুতর আহত হয়েছি।"
- 📌 পুলিশের অপারেশন: ১০ অক্টোবর সকাল ৭টায় তার বাসায় প্রায় ২০ জন হঠাৎ ঢুকে পড়েন এবং তাকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। রোববার ভোর ৩টায় তাকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
- 📌 স্বৈরতন্ত্রের অভিযোগ: রাঠী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন, "এই ঘটনাকে অনানুষ্ঠানিক জরুরি অবস্থা বলা যেতে পারে। এমনটা উত্তর কোরিয়ায় হয়।"
- 📌 আইনজীবীর দেখা না দেওয়া: রাঠী বলেছেন, তাকে আইনজীবীর সঙ্গে দেখা করার সুযোগ দেওয়া হয়নি। তিনি দাবি করেছেন, "আমি ভারতের নাগরিক এবং একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে আমারও একই অধিকার রয়েছে।"
- 📌 সিজেপির নেতাদের মুক্তি: সিজেপির (ককরোচ জনতা পার্টি) আটক শীর্ষ নেতা অভিজিৎ দীপক, আশুতোষ রাঙ্কা এবং সৌরভ দাসকেও রোববার মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
ধ্রুব রাঠী বলেছেন, তিনি ১০ অক্টোবর সকাল ৭টায় ঘুমিয়ে ছিলেন। তার মা দরজা খুলে দেন যখন বাইরে কয়েকজনকে ঘোরাফেরা করতে দেখেন। রাঠী দাবি করেছেন, তাদের পুলিশ সদস্য নয়, বরং সাদা পোশাকের লোক। তিনি বলেন, "আমি কিছু বুঝে ওঠার আগেই তারা আমাকে অপহরণ করে। আমি অপহরণ শব্দটি ব্যবহার করছি, কারণ এটি কোনো গ্রেফতার ছিল না।"
রাঠী আরও বলেছেন, "তারা আমাকে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যায়। ভাবুন তো, একজন অপরাধীকে যেভাবে নিয়ে যাওয়া হয়, আমার সঙ্গেও সেভাবেই করা হয়েছে। শোবার ঘর থেকে টেনে বের করে সিঁড়ি দিয়ে নিচে নামানো হয়। এতে আমি গুরুতর আহত হয়েছি। শরীরজুড়েই এমন ক্ষত রয়েছে।"
সিজেপির লিগ্যাল টিম প্রধান রত্ন সিং জানিয়েছেন, সিজেপির আটক শীর্ষ নেতাদের আগামী এক বছর ‘শান্তি ভঙ্গ না করার’ শর্তে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, শনিবার সিজেপির ডাকে যন্তর মন্তর অভিমুখী বিক্ষোভ রুখতে দিল্লি ও আশপাশের এলাকা থেকে ৭ হাজারের বেশি আন্দোলনকারী ও বিরোধী নেতাকর্মীকে আটক করেছিল আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
"আমি ভারতের নাগরিক এবং একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে আমারও একই অধিকার রয়েছে। আমাকে বিক্ষোভে অংশ নিতে আসা বিদেশি নাগরিক হিসেবে নিয়ে যেসব খবর প্রকাশিত হয়েছে, সেগুলো সঠিক নয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গুরুগ্রাম, হরিয়ানা, ভারত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ধ্রুব রাঠী, জ্ঞানেশ কুমার, রত্ন সিং, অভিজিৎ দীপক, আশুতোষ রাঙ্কা, সৌরভ দাস
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ জন (অপহরণকারী), ৭ হাজার (আটককৃত আন্দোলনকারী), ৩ টা (ভোর), ১০ অক্টোবর (ঘটনার তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!