📅 ১ অক্টোবর ২০২৬, ৬:৩৪ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মাঝ আকাশে ছুরিকাঘাতের বিপদে ১৭৪ যাত্রীর জীবন বাঁচান ভারতীয় পাইলট স্মিথ মছার

মাঝ আকাশে ছুরিকাঘাতের বিপদে ১৭৪ যাত্রীর জীবন বাঁচান ভারতীয় পাইলট স্মিথ মছার

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মাঝ আকাশে ছুরিকাঘাতের হামলায় আহত হলেও ভারতীয় পাইলট স্মিথ মছার ১৭৪ যাত্রী ও ক্রুর জীবন রক্ষা করেন। ইসরায়েল থেকে সৌদি আরবে উড়োজাহাজটি জরুরি অবতরণ করে। ভারত ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীরা তাঁকে 'নায়ক' হিসেবে প্রশংসা করেছেন

মাঝ আকাশে ছুরিকাঘাতের বিপদে ১৭৪ যাত্রীর জীবন বাঁচান ভারতীয় পাইলট স্মিথ মছার। ফ্লাইদুবাইয়ের একটি উড়োজাহাজে ককপিটে সহকারী পাইলটের ছুরিকাঘাতের হামলায় আহত হলেও তিনি বিপদ থেকে উড়োজাহাজ ও যাত্রীদের নিরাপদে সৌদি আরবে অবতরণ করিয়ে দেন। এই সাহসিকতার জন্য ইসরায়েল ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী দুজনেই তাঁকে 'নায়ক' হিসেবে প্রশংসা করেছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ১৭৪ যাত্রী ও ক্রুর জীবন বাঁচান মাঝ আকাশে ছুরিকাঘাতের হামলায় আহত ভারতীয় পাইলট স্মিথ মছার।
  • 📌 সৌদি আরবে জরুরি অবতরণ দুবাই থেকে ইসরায়েলের তেল আবিবে যাচ্ছিল উড়োজাহাজটি। হামলার পর মুখ ঘুরিয়ে সৌদি আরবের তাবুক শহরের বিমানবন্দরে অবতরণ করা হয়।
  • 📌 নায়ক হিসেবে প্রশংসা ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি উভয়েই পাইলটকে 'নায়ক' হিসেবে সম্মানিত করেছেন।
  • 📌 ১৩ বছরের অভিজ্ঞতা স্মিথ মছার ১৩ বছর বাণিজ্যিক উড়োজাহাজ চালানোর অভিজ্ঞতা রাখেন। তিনি জ্যেষ্ঠ কমান্ডার ও লাইন ট্রেনিং ক্যাপ্টেন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
  • 📌 স্বাস্থ্য স্থিতিশীল সৌদি আরবের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন স্মিথের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। ভারতীয় দূতাবাস নিয়মিত তাঁর পরিবার ও কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ রাখছে।

📰 বিস্তারিত

মাঝ আকাশে ঘটে ভয়াবহ ঘটনা। ফ্লাইদুবাইয়ের একটি উড়োজাহাজের ককপিটে সহকারী পাইলটের ছুরিকাঘাতের হামলায় আহত হন ভারতীয় পাইলট স্মিথ মছার। সন্দেহ করা হচ্ছে, হামলাকারীর উদ্দেশ্য ছিল যাত্রীবোঝাই উড়োজাহাজটি বিধ্বস্ত করানো। উড়োজাহাজটি ওমানের আকাশসীমায় ছিল। হামলার পর তড়িঘড়ি করে উড়োজাহাজটির মুখ সৌদি আরবের দিকে ঘুরিয়ে নেওয়া হয়। সেটিকে সৌদি আরবের তাবুক শহরের বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করানো হয়।

স্মিথ মছার ১৩ বছরের অভিজ্ঞতা থাকা সত্ত্বেও এই ঘটনা তাঁর পেশাগত জীবনের সবচেয়ে বড় পরীক্ষা হিসেবে বিবেচিত। তাঁর লিংকডইন প্রোফাইলে লেখা রয়েছে, তিনি বাণিজ্যিক উড়োজাহাজে জ্যেষ্ঠ কমান্ডার ও লাইন ট্রেনিং ক্যাপ্টেন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০২২ সালে তিনি ফ্লাইদুবাইয়ে যোগ দেন।

হামলার পর স্মিথের সাহসিকতার প্রশংসা করেছেন ইসরায়েল ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী। নেতানিয়াহু তাঁর পোস্টে বলেছেন, ‘ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত হওয়ার পরও তিনি লড়াই করেছেন। হামলাকারীকে প্রতিহত করেছেন এবং ককপিটের দরজা খুলে দিয়েছেন। ফলে যাত্রী ও ক্রুরা হামলাকারীকে কাবু করতে পেরেছেন। ফলে মাঝ আকাশে বড় বিপর্যয় এড়ানো গেছে।’ অন্যদিকে, নরেন্দ্র মোদি লিখেছেন, ‘ভয়াবহ বিপদের মুখে এবং গুরুতর আহত অবস্থায় তিনি অসীম সাহস ও অন্যদের জীবন রক্ষায় দৃঢ় সংকল্প দেখিয়েছেন। তাঁর সাহস শত শত মানুষের জীবন রক্ষা করেছে।’

স্মিথের পরিবার মুম্বাইয়ের ঘাটকপার ইস্ট এলাকায় বাস করেন। ঘটনার খবর শুনে তাঁর মা-বাবা সৌদি আরবের উদ্দেশে রওনা হয়েছে। স্মিথের স্ত্রী ও দুই সন্তান দুবাইয়ে বাস করেন। পেশাজীবনের শুরুতে তিনি মুম্বাইভিত্তিক স্পাইসজেটে কাজ করতেন।

"ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত হওয়ার পরও তিনি লড়াই করেছেন। হামলাকারীকে প্রতিহত করেছেন। ককপিটের দরজা খুলে দিয়েছেন। এতে যাত্রী ও ক্রুরা হামলাকারীকে কাবু করতে পেরেছেন। ফলে মাঝ আকাশে বড় বিপর্যয় এড়ানো গেছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ওমানের আকাশসীমা → সৌদি আরবের তাবুক শহরের বিমানবন্দর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ক্যাপ্টেন স্মিথ মছার, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭৪ জন যাত্রী ও ক্রু, ১৩ বছর অভিজ্ঞতা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖