📌 ভারতীয় নির্বাচন কমিশনের (ইসিআই) দু’কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু ও বিবেক যোশী কাজের দায়িত্ব বণ্টনে অনিয়মের অভিযোগ জানিয়ে ক্যাবিনেট সচিবকে চিঠি লিখলেও সচিব জ্ঞানেশ কুমারের দপ্তরে ফেরত পাঠিয়ে দিলেন। আরটিআই নথি থেকে এই তথ্য প্রকাশ পায়
ভারতীয় নির্বাচন কমিশনের (ইসিআই) অভ্যন্তরীণ কাজের দায়িত্ব বণ্টনে দু’কমিশনারের আপত্তি নিয়ে ক্যাবিনেট সচিব টিভি সোমনাথন চিঠিগুলো প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের দপ্তরে ফেরত পাঠিয়ে দিয়েছেন। এই তথ্য ভারতের তথ্য অধিকার (আরটিআই) আইনের নথি থেকে প্রকাশ পেয়েছে। দু’কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু ও বিবেক যোশী কাজের দায়িত্ব বণ্টন ও নজরদারি ব্যবস্থায় অসন্তোষের অভিযোগ জানিয়ে ক্যাবিনেট সচিবকে চিঠি লিখেছিলেন। কিন্তু সচিব তাদের চিঠিগুলোকে ‘ব্যক্তিগত যোগাযোগ’ হিসেবে বিবেচনা করে সিইসি জ্ঞানেশ কুমারের দপ্তরে ফেরত পাঠিয়ে দেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ভারতীয় নির্বাচন কমিশনের দু’কমিশনার (সুখবীর সিং সান্ধু ও বিবেক যোশী) কাজের দায়িত্ব বণ্টনে অনিয়মের অভিযোগ জানিয়ে ক্যাবিনেট সচিবকে চিঠি লিখলেও সচিব জ্ঞানেশ কুমারের দপ্তরে ফেরত পাঠিয়ে দেন।
- 📌 সচিব টিভি সোমনাথন জানান, চিঠিগুলোকে ‘ব্যক্তিগত ক্ষমতায়’ পাঠানো যোগাযোগ হিসেবে বিবেচনা করা হলেও, নির্বাচন কমিশনের কাজকর্মের সিদ্ধান্ত নিতে সর্বসম্মতির বিধান রয়েছে।
- 📌 ২৯ জুলাই দু’কমিশনারের চিঠিতে অভিযোগ করা হয়, সিনিয়র ডেপুটি নির্বাচন কমিশনার মনীশ গর্গ প্রশাসন বিভাগের দায়িত্ব বণ্টন নিয়ে কোনো আলোচনা ছাড়াই হঠাৎ নির্দেশ জারি করেছেন।
- 📌 ২৮ জুলাই গর্গ দায়িত্ব নেওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই প্রশাসন বিভাগের কাজের দায়িত্ব বণ্টন করে নির্দেশ জারি করেন, যা কমিশনের সঙ্গে আলোচনা ছাড়াই করা হয়েছিল।
- 📌 ৫ অগস্ট আরটিআই নথি থেকে জানা যায়, সচিব সোমনাথন ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ আইনের ১৮ নম্বর ধারার উল্লেখ করে বলেছেন, কমিশনের সিদ্ধান্ত সর্বসম্মতিতে নেওয়া উচিত।
📰 বিস্তারিত
ভারতীয় নির্বাচন কমিশনের অভ্যন্তরীণ কাজের দায়িত্ব বণ্টনে দু’কমিশনারের আপত্তি নিয়ে ক্যাবিনেট সচিব টিভি সোমনাথন চিঠিগুলো প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের দপ্তরে ফেরত পাঠিয়ে দিয়েছেন। এই তথ্য ভারতের তথ্য অধিকার (আরটিআই) আইনের নথি থেকে প্রকাশ পেয়েছে। দু’কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু ও বিবেক যোশী ২৯ জুলাই ক্যাবিনেট সচিবকে চিঠি লিখেছিলেন। তাদের অভিযোগ, সিনিয়র ডেপুটি নির্বাচন কমিশনার মনীশ গর্গ প্রশাসন বিভাগের দায়িত্ব বণ্টন নিয়ে কোনো আলোচনা ছাড়াই হঠাৎ নির্দেশ জারি করেছেন।
২৭ জুলাই থেকে ৯ অগস্ট পর্যন্ত ছুটিতে যাওয়ায় প্রশাসন বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত ডেপুটি নির্বাচন কমিশনার ভানু প্রকাশ ইয়েতুরুর পরিবর্তে গর্গকে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু গর্গ দায়িত্ব নেওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সিনিয়র ডেপুটি নির্বাচন কমিশনার, ডেপুটি নির্বাচন কমিশনার, ডিরেক্টর জেনারেল এবং সমমর্যাদার কর্মকর্তাদের মধ্যে কাজের দায়িত্ব বণ্টন করে একটি নির্দেশ জারি করেন। সান্ধু জানান, এই নির্দেশ জারির আগে নির্বাচন কমিশন বা তাঁকে কিছু জানানো হয়নি। কমিশনের সঙ্গে আলোচনা বা অনুমোদনও নেওয়া হয়নি।
সোমনাথন আরটিআইয়ের জবাবে বলেন, চিঠিগুলোকে গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা হলেও সেগুলোকে নির্বাচন কমিশনের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য হিসেবে দেখা যায় না। তবে তিনি ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ আইনের ১৮ নম্বর ধারার উল্লেখ করেন, যেখানে বলা হয়েছে, কমিশনের কাজকর্মের সিদ্ধান্ত যতটা সম্ভব সর্বসম্মতিতে নেওয়া উচিত। মতপার্থক্য হলে সংখ্যাগরিষ্ঠের মতামতের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিধান রয়েছে।
"মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এবং অন্য নির্বাচন কমিশনারদের মর্যাদা সমান এবং সিদ্ধান্ত নিতে হবে সর্বসম্মতি অথবা সংখ্যাগরিষ্ঠের মতামতের ভিত্তিতে।"
সোমনাথন আরটিআইয়ের জবাবে বলেন, তিন সদস্যের কমিশনে দু’কমিশনার একই বিষয়ে আপত্তি জানানোয় তাঁদের অবস্থান সংখ্যাগরিষ্ঠের মতের প্রতিনিধিত্ব করছিল। তবে সচিব কোনো জবাব না দিলে চিঠিগুলো জ্ঞানেশ কুমারের দপ্তরে ফেরত পাঠিয়ে দেন।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ভারত, নির্বাচন কমিশন, ক্যাবিনেট সচিবালয়
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সুখবীর সিং সান্ধু, বিবেক যোশী, টিভি সোমনাথন, জ্ঞানেশ কুমার, মনীশ গর্গ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৯ জুলাই, ২৭ জুলাই, ৯ অগস্ট, ২৮ জুলাই, ৫ অগস্ট, ১৮ নম্বর ধারা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!