📌 হত্যার অভিযোগে পালিয়ে থাকা ভারতীয় কন্টেন্ট ক্রিয়েটর শ্রদ্ধা দুবে, তার বোন ও গাড়িচালককে নাগপুর পুলিশের সাথে যৌথ অভিযানে গ্রেফতার করেছে উত্তর প্রদেশ পুলিশ। পুলিশের ৫০ হাজার টাকার পুরস্কার ঘোষণা সত্ত্বেও তারা বারবার অবস্থান পরিবর্তন করে পুলিশের চোখ ফাঁকি দিচ্ছিলেন।
নাগপুরে পালিয়ে থাকা ভারতীয় কন্টেন্ট ক্রিয়েটর শ্রদ্ধা দুবে, তার বোন রশ্মি দুবে এবং গাড়িচালক দানিশকে হত্যার অভিযোগে উত্তর প্রদেশ পুলিশের বিশেষ টাস্কফোর্স (এসটিএফ) ও নাগপুর পুলিশের যৌথ অভিযানে গ্রেফতার করেছে। পুলিশের ৫০ হাজার টাকার পুরস্কার ঘোষণা সত্ত্বেও তারা বারবার অবস্থান পরিবর্তন করে পুলিশের চোখ ফাঁকি দিচ্ছিলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নাগপুরে পুলিশের সাথে যৌথ অভিযানে গ্রেফতার হয়েছে ভারতীয় কন্টেন্ট ক্রিয়েটর শ্রদ্ধা দুবে, তার বোন রশ্মি দুবে এবং গাড়িচালক দানিশ।
- 📌 উত্তর প্রদেশের লখনৌ থেকে ব্যবসায়ী শিবা শর্মার মৃত্যুর পর তার পরিবার শ্রদ্ধার বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ তোলেন।
- 📌 ৫০ হাজার টাকা পুরস্কার ঘোষণা সত্ত্বেও তারা নেপাল, রায়বেরেলি, আগ্রা হয়ে নাগপুরে আশ্রয় নেন এবং আবার পালানোর চেষ্টা করছিলেন।
- 📌 সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের নির্দোষতা দাবি করে ভিডিও প্রকাশ করলেও পুলিশের অভিযোগে গ্রেফতার হন তারা।
📰 বিস্তারিত
উত্তর প্রদেশের লখনৌর একটি ফ্ল্যাট থেকে ব্যবসায়ী শিবা শর্মা রহস্যজনকভাবে নিচে পড়ে মারা যান। মৃত্যুর পর তার পরিবার শ্রদ্ধা দুবের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ তোলেন। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, শ্রদ্ধা দুবে, তার বোন রশ্মি দুবে এবং গাড়িচালক দানিশ লখনৌ থেকে প্রথমে নেপালে পালিয়ে যান। সেখান থেকে তারা পুনরায় নেপাল হয়ে রায়বেরেলি হয়ে আগ্রায় যান এবং সর্বশেষ নাগপুরে আশ্রয় নেন। সেখানে থেকে আবারও পালানোর পরিকল্পনা করছিলেন তারা।
পুলিশের হাত থেকে বেঁচে যাওয়ার চেষ্টা ব্যর্থ করতে গত সপ্তাহে দায়ের হওয়া মামলায় পলাতক অভিযুক্তদের প্রত্যেকের জন্য ৫০ হাজার টাকা করে পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছিল। মঙ্গলবার উত্তর প্রদেশ পুলিশের বিশেষ টাস্কফোর্স (এসটিএফ) ও নাগপুর পুলিশের যৌথ দল তিন অভিযুক্তকে নাগপুর থেকে গ্রেফতার করেছে।
শিবা শর্মা লখনৌতে বেশ কয়েকটি রেস্তোরাঁর মালিক ছিলেন। মৃত্যুর পর নিহত শিবার মা অভিযুক্ত প্রেমিকা ও তার বোনের বিরুদ্ধে ব্ল্যাকমেইল ও হত্যার অভিযোগ আনেন। পলাতক থাকা অবস্থাতেই শ্রদ্ধা নিজের নির্দোষ দাবি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ কয়েকটি ভিডিও প্রকাশ করেছিলেন। ভিডিওতে তিনি দাবি করেন, শিবা আত্মহত্যা করেছিলেন।
"আমি এই ব্যক্তিকে মাত্র চার মাস ধরে চিনি; যার মধ্যে বড় জোর আড়াই মাস আমরা বন্ধু ছিলাম। তিনি কখনো আমার বাড়ি আসতেন না। কেবল শেষ দুই মাস তার যাতায়াত শুরু হয়েছিল—এত অল্প সময়ে পরিস্থিতি এতটাও খারাপ হতে পারে না যে আমাদের মধ্যে এমন কোনো খারাপ উদ্দেশ্য তৈরি হবে। শিবা তার মায়ের কথা শুনতেন না, আর তার মা আমার ওপর মিথ্যা অভিযোগ তুলছেন কারণ তিনি আমাকে পছন্দ করতেন না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নাগপুর (মহারাষ্ট্র), লখনৌ (উত্তর প্রদেশ), নেপাল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শ্রদ্ধা দুবে (কন্টেন্ট ক্রিয়েটর), রশ্মি দুবে (বোন), দানিশ (গাড়িচালক), শিবা শর্মা (ব্যবসায়ী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০ হাজার টাকা (পুরস্কার)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!