📌 উত্তাল সমুদ্রে আহত বাংলাদেশি নাবিককে ভারতীয় কোস্টগার্ডের জাহাজ 'রাজদূত' দ্রুত উদ্ধার করেছে। ৩৬ বছর বয়সী নাবিকের মাথা ও মেরুদণ্ডে আঘাত পড়ার পর তাকে ডিগলিপুর থেকে শ্রী বিজয়পুরমে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। এছাড়াও গত ১২ সেপ্টেম্বর গুজরাটের কান্দলায় দুটি জাহাজের সংঘর্ষে ২১ নাবিককে উদ্ধার করে ভারতীয় বাহিনী
উত্তাল সমুদ্রে আহত অবস্থায় বাংলাদেশি নাবিককে ভারতীয় কোস্টগার্ডের জাহাজ ‘রাজদূত’ দ্রুত উদ্ধার করেছে। ৩৬ বছর বয়সী এই নাবিক পণ্যবাহী জাহাজে পড়ে গিয়ে মাথা ও মেরুদণ্ডে গুরুতর আঘাত পেয়েছিলেন। ভারতের উত্তর আন্দামান দ্বীপপুঞ্জের ডিগলিপুরের কাছে ২০ সেপ্টেম্বর রাত থেকে ২১ সেপ্টেম্বর ভোরের মধ্যে উদ্ধার অভিযান পরিচালিত হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৩৬ বছর বয়সী বাংলাদেশি নাবিক উত্তাল সমুদ্রে পণ্যবাহী জাহাজ থেকে পড়ে মাথা ও মেরুদণ্ডে আঘাত পেয়েছিলেন
- 📌 ভারতীয় কোস্টগার্ডের জাহাজ ‘রাজদূত’ অন্ধকার ও উত্তাল সমুদ্রে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে
- 📌 উদ্ধারকৃত নাবিককে ডিগলিপুর বন্দর থেকে ভারতীয় নৌবাহিনীর উড়োজাহাজে করে শ্রী বিজয়পুরমে নিয়ে যাওয়া হয়
- 📌 সেখানে জিবি প্যান্ট হাসপাতালে তার চিকিৎসা শুরু হয়েছে
- 📌 গত ১২ সেপ্টেম্বর গুজরাটের কান্দলায় দুটি বাণিজ্যিক জাহাজের সংঘর্ষে ২১ নাবিককে উদ্ধার করে ভারতীয় কোস্টগার্ড
📰 বিস্তারিত
২০ সেপ্টেম্বর রাত থেকে ২১ সেপ্টেম্বর ভোরের মধ্যে উত্তাল সমুদ্রে অভিযান চালিয়ে ভারতীয় কোস্টগার্ড আহত নাবিককে উদ্ধার করে। শ্রী বিজয়পুরমের সামুদ্রিক উদ্ধার সমন্বয় কেন্দ্র থেকে বিপদের খবর পাওয়ার পর দ্রুত পদক্ষেপ নেয় ভারতীয় বাহিনী। সমুদ্রের উত্তাল অবস্থা সত্ত্বেও ‘রাজদূত’ জাহাজটি নিরাপদে আহত নাবিককে পণ্যবাহী জাহাজ থেকে তুলে নেয়। উদ্ধারের পর তাকে ডিগলিপুর বন্দরে নিয়ে যাওয়া হয় এবং পরে ভারতীয় নৌবাহিনীর একটি উড়োজাহাজে করে শ্রী বিজয়পুরমে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে জিবি প্যান্ট হাসপাতালে তার চিকিৎসা শুরু হয়েছে।
ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনী জানায়, বিভিন্ন সংস্থার দ্রুত ও সমন্বিত পদক্ষেপের ফলে আহত নাবিককে দ্রুত চিকিৎসার আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে। বাহিনীটি সমুদ্রে মানুষের জীবন রক্ষায় এ ধরনের উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রাখার কথাও জানিয়েছে।
এই ঘটনার আগে গত ১২ সেপ্টেম্বর ভারতের গুজরাটের কান্দলার কাছে দুটি বাণিজ্যিক জাহাজের সংঘর্ষের পর ২১ নাবিককে উদ্ধার করেছিল ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনী। সংঘর্ষের সময় ‘এমভি কেম্যাক্স এম্পেরর’ জাহাজে ২৪ জন নাবিক ছিলেন। তাদের মধ্যে ২১ জনকে উদ্ধার করা হয়। বাকি তিনজন নাবিককে জাহাজে রাখা হয়েছিল কার্যক্রম সচল রাখার জন্য।
"অন্ধকার ও প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যেও দ্রুত অভিযান পরিচালনা করা হয়। ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যে ‘রাজদূত’ জাহাজটি নিরাপদে আহত বাংলাদেশি নাবিককে পণ্যবাহী জাহাজ থেকে তুলে নেয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: উত্তর আন্দামান দ্বীপপুঞ্জের ডিগলিপুর, শ্রী বিজয়পুরম, গুজরাটের কান্দলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ৩৬ বছর বয়সী বাংলাদেশি নাবিক, ভারতীয় কোস্টগার্ড কর্মকর্তা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৬ বছর, ২০ সেপ্টেম্বর, ২১ সেপ্টেম্বর, ১২ সেপ্টেম্বর, ২১ নাবিক, ২৪ জন নাবিক
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!