📅 ১ অক্টোবর ২০২৬, ১১:২০ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ভারতীয় নাগরিক হিসেবে প্রমাণিত থাকা সত্ত্বেও পুলিশের হাত থেকে বাংলাদেশে পাঠানো বাংলাভাষী মুসলিম পরিবার: মানবাধিকার সংগঠন দাবি জরুরি হস্তক্ষেপ

ভারতীয় নাগরিক হিসেবে প্রমাণিত থাকা সত্ত্বেও পুলিশের হাত থেকে বাংলাদেশে পাঠানো বাংলাভাষী মুসলিম পরিবার: মানবাধিকার সংগঠন দাবি জরুরি হস্তক্ষেপ

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 পশ্চিমবঙ্গের উত্তর দিনাজপুরের ৪৩ বছর বয়সী মাছ ব্যবসায়ী আবদুল বারেককে ভারতীয় পাসপোর্ট ও ভোটার পরিচয়পত্র থাকা সত্ত্বেও পুলিশ বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। পরিবার দাবি করে, পুলিশ কোনো প্রমাণ দেখায়নি। মানবাধিকার সংগঠন জরুরি হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছে

পশ্চিমবঙ্গের উত্তর দিনাজপুর জেলার গোপালপুর গ্রামের ৪৩ বছর বয়সী মাছ ব্যবসায়ী আবদুল বারেককে ভারতীয় পাসপোর্ট ও নির্বাচনী নথিপত্র থাকা সত্ত্বেও পুলিশের হাত থেকে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। পরিবারের সদস্যরা দাবি করে, পুলিশ কোনো বৈধ প্রমাণ দেখায়নি এবং বারেককে অবৈধভাবে আটক করে বাংলাদেশে পাঠানো হয়েছে। মানবাধিকার সংগঠন বাংলার মানবাধিকার সুরক্ষা মঞ্চ এই ঘটনায় জরুরি হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছে এবং বারেকের বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে তথ্য প্রকাশের আহ্বান করেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ৪৩ বছর বয়সী আবদুল বারেককে ভারতীয় পাসপোর্ট, ভোটার পরিচয়পত্র ও নির্বাচনী নথিপত্র থাকা সত্ত্বেও পুলিশ বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
  • 📌 ২৪ বছর বয়সী ছেলে জাহিদুল ইসলাম দাবি করেন, পুলিশ বারেকের নথি দেখেনি এবং কোনো ব্যাখ্যা ছাড়াই তাকে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দিয়েছে।
  • 📌 ২৩ জন সদস্যবিশিষ্ট পরিবার আর্থিক সংকট ও অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে। বারেকের পরিবারের প্রধান জীবিকা নির্বাহকারী হওয়ায় পরিবারটি কষ্টে ভোগছে।
  • 📌 মানবাধিকার সংগঠন দাবি করেছে, বারেকের বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে তথ্য প্রকাশের এবং পুলিশের অবৈধ কার্যকলাপের তদন্তের জন্য জরুরি হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছে।
  • 📌 রায়গঞ্জ থানার কর্মকর্তা সরকারি গোপনীয়তা আইনের কথা উল্লেখ করে তথ্য দিতে অস্বীকার করেছেন।

📰 বিস্তারিত

গত ২ জুন দুপুর ৩টার দিকে পশ্চিমবঙ্গের উত্তর দিনাজপুর জেলার রায়গঞ্জ থানার পুলিশ বারেকের বাড়িতে গিয়ে তাঁর পরিচয়পত্র সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে। বারেক দোকানে বসেছিলেন, তখন পুলিশ তাঁকে ভাটোল পুলিশ ফাঁড়িতে নিয়ে যায়। জাহিদুল ইসলাম বলেন, তিনি নথি নিয়ে পুলিশ ফাঁড়িতে গিয়ে নথি যাচাইয়ের পর বাবাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। তবে পুলিশ বারেককে জানায়, পরবর্তীতে কোনো সমন পেলে তাঁকে থানায় হাজির হতে হবে। প্রায় ১৫ দিন পর পুলিশ বারেককে আবার ডেকে পাঠায় এবং এইবার তাকে আটক করে রায়গঞ্জ থানায় নিয়ে যায়। পরে তাকে একটি ডিটেনশন ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয়।

জাহিদুল ইসলাম অভিযোগ করেন, ‘পুলিশ আমাদের কাগজপত্র একবারও দেখেনি। আমাদের সঙ্গে কথাও বলেনি। তারা জোর করে তাঁকে নিয়ে যাচ্ছিল।’ পরিবারের দাবি, পুলিশ বারেককে ‘বাংলাদেশি হিসেবে প্রমাণিত’ বলে দাবি করলেও কোনো প্রমাণ দেখায়নি। জাহিদুল বলেন, ‘আমি পুলিশকে বলেছিলাম, তিনি বাংলাদেশি, সেটা প্রমাণ করে এমন নথি দেখান। কিন্তু পুলিশ কোনো নথি দেখায়নি। তাঁদের কাছে কী প্রমাণ আছে যে তিনি বাংলাদেশি?’

বারেকের পরিবার জানায়, তিনি ভারতীয় পাসপোর্টের অধিকারী এবং ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন। এছাড়াও, তাঁর নাম বিশেষ নিবিড় ভোটার তালিকা সংশোধন বা এসআইআর-এর পর ভোটার তালিকায় ছিল। পরিবারের সদস্যরা বলেন, বারেকের ভারতীয় জন্মসূত্র এবং পরিবারের সবাই ভারতে বসবাস করে। তবে পুলিশ এই নথিপত্র বিবেচনা করেনি।

বারেকের পরিবার আর্থিক সংকট ও অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে। পরিবারের প্রধান জীবিকা নির্বাহকারী হওয়ায় পরিবারটি কষ্টে ভোগছে। জাহিদুল বলেন, ‘আমার পরিবার প্রচণ্ড দুশ্চিন্তার মধ্যে আছে। আমরা জানি না, তিনি ভিন্ন একটি দেশে কীভাবে দিন কাটাচ্ছেন। তিনি অনেক কষ্টে আছেন। আমার মা খাওয়া বন্ধ করে দিয়েছেন। পুলিশ কীভাবে আমার বাবাকে বাংলাদেশে পাঠানোর সাহস পেল?’

"বারেকের না [অসম্পূর্ণ] — ভারতীয় পাসপোর্টসহ ভারতীয় পরিচয়পত্র থাকা কোনো ব্যক্তিকে পুলিশের প্রশাসনিক দাবি বা সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে বিদেশি নাগরিক হিসেবে গণ্য করে দেশ থেকে বের করে দেওয়া যায় না।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: উত্তর দিনাজপুর, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবদুল বারেক (৪৩), জাহিদুল ইসলাম (২৪), কিরিটি রায় (মানবাধিকার সংগঠন)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৩ বছর বয়স, ২৪ বছর বয়স, ২৩ জন পরিবার সদস্য, ১৫ দিন পর পুনরায় আটক, ২০২৬ সালের নির্বাচন

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖