📅 ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬:৫৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

জম্মু-কাশ্মিরে ভারতীয় সেনাবাহিনীর অভিযানে নিহত মোস্ট ওয়ান্টেড লস্কর কমান্ডার হাশিম মুসা: গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে শনাক্ত ও হত্যা

জম্মু-কাশ্মিরে ভারতীয় সেনাবাহিনীর অভিযানে নিহত মোস্ট ওয়ান্টেড লস্কর কমান্ডার হাশিম মুসা: গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে শনাক্ত ও হত্যা

📷 ছবি: Bangladesh Times

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 যমুনা টিভি ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ভারতীয় সেনাবাহিনীর ১৫ চায়না কর্পসের গোয়েন্দা তথ্য-ভিত্তিক অভিযানে জম্মু-কাশ্মিরের বুডগামে মোস্ট ওয়ান্টেড লস্কর-ই-তাইয়েবা কমান্ডার হাশিম মুসা (ওরফে আসিফ ফৌজি) নিহত হন। তিনি ২০২৩ সাল থেকে জম্মু-কাশ্মিরে নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে দীর্ঘদিন ধরে নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর লক্ষ্য ছিলেন

জম্মু-কাশ্মিরের বুডগামে ভারতীয় সেনাবাহিনীর গোয়েন্দা তথ্য-ভিত্তিক অভিযানে মোস্ট ওয়ান্টেড লস্কর-ই-তাইয়েবা (এলইটি) কমান্ডার হাশিম মুসা (ওরফে আসিফ ফৌজি) নিহত হন। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১০টায় গুরওয়েথ কালান এলাকায় এই অভিযান পরিচালিত হয়। ভারতীয় সেনাবাহিনীর ১৫ চায়না কর্পসের গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে শনাক্ত ও হত্যা করা হয় মুসাকে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 হাশিম মুসা (ওরফে আসিফ ফৌজি, সুলাইমান) — পাকিস্তানের নাগরিক ও লস্কর-ই-তাইয়েবার মোস্ট ওয়ান্টেড কমান্ডার, পাকিস্তানের স্পেশাল সার্ভিস গ্রুপের সাবেক কমান্ডো — জম্মু-কাশ্মিরে নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে নিহত হন।
  • 📌 ভারতীয় সেনাবাহিনীর ১৫ চায়না কর্পস গুরওয়েথ কালান এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে মুসাকে নিহত করেন। অভিযান শুরু হয় ২৯ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ১০টায়।
  • 📌 মুসার বিরুদ্ধে ২০২৩ সাল থেকে জম্মু-কাশ্মিরে নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর চারটি হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। এতে ১০ জন নিহত হন।
  • 📌 অভিযানস্থল থেকে উদ্ধার করা হয় একটি একে-৪৭ রাইফেল, দুটি একে ম্যাগাজিন, একটি লোরা মোবাইল ডিভাইস এবং একটি মোবাইল ফোন।
  • 📌 মুসা সাজিদ জাটের সঙ্গে দীর্ঘদিনের যোগাযোগ রাখতেন। সাজিদ জাটকে পেহেলগাম হামলার ষড়যন্ত্রে জড়িত করা হয়েছে।

📰 বিস্তারিত

জম্মু-কাশ্মিরের বুডগামে ভারতীয় সেনাবাহিনীর অভিযানে মোস্ট ওয়ান্টেড লস্কর কমান্ডার হাশিম মুসা নিহত হন। মুসা পাকিস্তানের নাগরিক ছিলেন এবং লস্কর-ই-তাইয়েবার সদস্য। গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, তিনি পাকিস্তানের স্পেশাল সার্ভিস গ্রুপের সাবেক কমান্ডো ছিলেন। ২০২৩ সালে ভারতে অনুপ্রবেশের পর থেকে তিনি জম্মু-কাশ্মিরে নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর গুরুত্বপূর্ণ টার্গেট ছিলেন।

মুসার বিরুদ্ধে চারটি উল্লেখযোগ্য হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। এগুলো হলো:

  • ৪ আগস্ট ২০২৩: হালান, কুলগামে ভারতীয় সেনাবাহিনীর তিন সদস্য নিহত হন।
  • ২১ ডিসেম্বর ২০২৩: ডিকেজি অ্যামবুশে সেনাবাহিনীর চার সদস্য নিহত হন।
  • ৪ মে ২০২৪: শাস্তর, পুঞ্চে ভারতীয় বিমানবাহিনীর একটি বহরে হামলায় একজন সদস্য নিহত হন।
  • ২৪ অক্টোবর ২০২৪: বোটাপাথরি, গুলমার্গে হামলায় সেনাবাহিনীর দুই সদস্য ও দুই বেসামরিক বাহক নিহত হন।

মুসা পেহেলগাম হামলায় সরাসরি জড়িত ছিলেন না, কিন্তু তার সঙ্গে সাজিদ জাটের দীর্ঘদিনের যোগাযোগের কারণে নিরাপত্তা সংস্থাগুলো তাকে গুরুত্বপূর্ণ টার্গেট হিসেবে বিবেচনা করত। গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, মুসাকে শনাক্ত ও হত্যা করার জন্য ১৮ মাসেরও বেশি সময় ধরে অনুসরণ করা হয়েছিল। সর্বশেষ গোয়েন্দা তথ্য পাওয়ার পর দ্রুত অভিযান পরিচালনা করে সেনাবাহিনী।

"গুরওয়েথ কালান এলাকায় মুসার অবস্থান শনাক্ত হওয়ার পর দ্রুত অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানস্থল থেকে অস্ত্র ও যোগাযোগ সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: গুরওয়েথ কালান, বুডগাম, জম্মু-কাশ্মির, ভারত
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হাশিম মুসা (ওরফে আসিফ ফৌজি, সুলাইমান), সাজিদ জাট
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৯ সেপ্টেম্বর (তারিখ), ১০:৩০ (সময়), ১৫ (চায়না কর্পস), ১৮ মাস (অনুসরণ), ১০ জন (নিহত)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖