📌 ভারতীয় সেনাবাহিনীর গোপন অভিযানে জম্মু-কাশ্মিরের বুডগামে মোস্ট ওয়ান্টেড লস্কর-ই-তাইয়েবা কমান্ডার হাশিম মুসা নিহত হন। পাকিস্তানের সাবেক স্পেশাল সার্ভিস গ্রুপ কমান্ডো হিসেবে পরিচিত মুসা ২০২৩ সাল থেকে ভারতে সক্রিয় ছিলেন এবং নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর প্রধান লক্ষ্য ছিলেন। অভিযানে উদ্ধার করা হয় একে-৪৭ রাইফেলসহ বিভিন্ন অস্ত্র ও ডিভাইস
ভারতীয় সেনাবাহিনীর গোপন অভিযানে জম্মু-কাশ্মিরের বুডগাম জেলার গুরওয়েথ কালান এলাকায় মোস্ট ওয়ান্টেড লস্কর-ই-তাইয়েবা (এলইটি) কমান্ডার মোহাম্মদ আসিফ ওরফে হাশিম মুসা নিহত হন। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে দশটার দিকে পরিচালিত এই অভিযানে ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনী সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মুসাকে লক্ষ্য করে আক্রমণ করে। পাকিস্তানের নাগরিক ও এলইটি সদস্য হিসেবে পরিচিত মুসা ২০২৩ সাল থেকে ভারতে সক্রিয় ছিলেন এবং জম্মু-কাশ্মিরে নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি হামলায় তার সম্পৃক্ততার অভিযোগ ছিল।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মোস্ট ওয়ান্টেড লস্কর কমান্ডার হাশিম মুসা জম্মু-কাশ্মিরের বুডগামে ভারতীয় সেনাবাহিনীর গোপন অভিযানে নিহত হন।
- 📌 ২৯ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ১০টায় গুরওয়েথ কালান এলাকায় ভারতীয় সেনাবাহিনীর ১৫ চায়না কর্পস অভিযান পরিচালনা করে মুসাকে নিহত করেন।
- 📌 পাকিস্তানের সাবেক স্পেশাল সার্ভিস গ্রুপ কমান্ডো হিসেবে পরিচিত মুসা ২০২৩ সালে ভারতে অনুপ্রবেশ করেন এবং নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে ৫টি হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর প্রধান লক্ষ্য ছিলেন।
- 📌 অভিযানে উদ্ধার করা হয় একটি একে-৪৭ রাইফেল, দুটি একে ম্যাগাজিন, একটি লোরা/আল্ট্রা হ্যান্ডসেট, একটি লোরা/আল্ট্রা মোবাইল ডিভাইস এবং একটি মোবাইল ফোন।
- 📌 মুসার সাথে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল সাজিদ জাটের, যিনি পেহেলগাম হামলার ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার অভিযোগে নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর লক্ষ্য ছিলেন।
📰 বিস্তারিত
ভারতীয় সেনাবাহিনীর ১৫ চায়না কর্পসের গোপন অভিযানে নিহত হন মোস্ট ওয়ান্টেড লস্কর কমান্ডার হাশিম মুসা। মুসা, যিনি মোহাম্মদ আসিফ ওরফে আসিফ ফৌজি ও সুলাইমান নামেও পরিচিত, পাকিস্তানের নাগরিক ছিলেন। গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, তিনি পাকিস্তানের স্পেশাল সার্ভিস গ্রুপের সাবেক কমান্ডো ছিলেন। ভারতে অনুপ্রবেশের পর তিনি জম্মু-কাশ্মিরে নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর বেশ কয়েকটি হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর প্রধান লক্ষ্য ছিলেন।
মুসার বিরুদ্ধে ২০২৩ সালের ৪ আগস্ট হালান, কুলগামে ভারতীয় সেনাবাহিনীর তিন সদস্যের মৃত্যুসহ বেশ কয়েকটি হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগ ছিল। এছাড়া ২১ ডিসেম্বর ২০২৩-এ ডিকেজি অ্যামবুশে চার সেনা নিহত, ৪ মে ২০২৪-এ শাস্তর, পুঞ্চে বিমানবাহিনীর একজন সদস্য নিহত এবং ২৪ অক্টোবর ২০২৪-এ বোটাপাথরি, গুলমার্গে সেনাবাহিনীর দুই সদস্য ও দুই বেসামরিক বাহক নিহত হওয়ার ঘটনায় তার সম্পৃক্ততার অভিযোগ ছিল। তবে পেহেলগাম হামলায় মুসা সরাসরি জড়িত ছিলেন না।
গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, মুসা সাজিদ জাটের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতেন। সাজিদ জাটকে পেহেলগাম হামলার ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার অভিযোগে নিরাপত্তা সংস্থাগুলো লক্ষ্য করে রেখেছিল। মুসাকে শনাক্ত ও নিরাপত্তা নেটওয়ার্ক ভেঙে দেওয়ার লক্ষ্যে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো তাকে দীর্ঘদিন ধরে লক্ষ্য করে রেখেছিল। সর্বশেষ গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মুসার অবস্থান শনাক্ত হওয়ার আগে ১৮ মাসেরও বেশি সময় ধরে তাকে খুঁজছিল ভারতের নিরাপত্তা সংস্থাগুলো।
"সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ভারতীয় সেনাবাহিনীর ১৫ চায়না কর্পস এ অভিযান পরিচালনা করে। বুডগামে মুসার অবস্থানের তথ্য পাওয়ার পর দ্রুত অভিযান শুরু করে সেনাবাহিনী। পরে গুরওয়েথ কালান এলাকায় তার অবস্থান শনাক্ত করা হয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গুরওয়েথ কালান, বুডগাম, জম্মু-কাশ্মির, ভারত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোহাম্মদ আসিফ ওরফে হাশিম মুসা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ (চায়না কর্পস), ২০২৩ (ভারতে অনুপ্রবেশ), ১৮ (মাসেরও বেশি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!